
দেশের ব্যাংকিং খাতের খেলাপি নিয়ন্ত্রণে গঠনগত দুর্বলতা চিহ্নিত করার পরমর্শ দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। পাশাপাশি সুশাসন, নিয়ন্ত্রণ, তত্ত্বাবধান এবং আইনি কাঠামোতে গুরুত্ব দেয়ার পরামর্শ দিয়েছে এই সংস্থাটি।
রবিবার (১৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই পরামর্শ দেয় আইএমএফ।
আইএমএফ জানায়, এখনও বাংলাদেশের খেলাপি ঋণ আন্তর্জাতিক বেজেল স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নন-পারফর্মিং লোন (এনপিএল) অর্থাৎ খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ১৫০ কোটি টাকা। যা মোট ঋণের ৮ দশমিক ১২ শতাংশ। করোনার শুরুর বছর ২০২০-এর ডিসেম্বরে খেলাপি ঋণ ছিল ৮৮ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ। সে হিসাবে চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১২ হাজার ৪১৬ কোটি টাকা।
এছাড়া সম্প্রতি সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার পুন:নির্ধারণ করায় বাংলাদেশকে সাধুবাদ জানিয়েছে আইএমএফ। কিন্তু দেশের বন্ড মার্কেট ও পুঁজিবাজারের গুরুত্ব বৃদ্ধির তাগিদ দিয়েছে আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি।
বিভিন্ন শর্তারোপ ও মুনাফা কমানোর পর সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে ভাটা পড়েছে। সর্বশেষ অক্টোবর মাসে নিট সঞ্চয়পত্র বিক্রি কমেছে প্রায় ৮১ শতাংশ। আর চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে কমেছে প্রায় ৪০ শতাংশ। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ নিরুৎসাহ করতে নানা শর্ত জুড়ে দিয়েছে সরকার। এ ছাড়া গত সেপ্টেম্বরে ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানো হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে। এ ছাড়া করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসায় মানুষ ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিকল্প বিনিয়োগে মনোযোগী হওয়ার কারণেও সঞ্চয়পত্র বিক্রি কমছে।
করোনার কারণে সারাবিশ্বের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এই ক্ষতি সামলাতে রপ্তানি বহুমুখিকরণ, উৎপাদশীলতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরিসহ বেশ কিছু খাতে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ এসেছে। আর এসব সমস্যা থেকে উত্তরণে আইএমএফ সবসময় বাংলাদেশের পাশে রয়েছে বলেও আশ্বস্থ করা হয়েছে।
ইপিবির তথ্যানুযায়ী, চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাস (জুলাই-নভেম্বরে) ১ হাজার ৯৭৯ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, দেশীয় মুদ্রায় যা ১ লাখ ৬৮ হাজার ২১৫ কোটি টাকার সমান। এই আয় গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২৪ দশমিক ২৯ শতাংশ বেশি। চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে পণ্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ হাজার ৭৪৭ কোটি ডলার। অবশ্য শেষ পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৩ দশমিক ২৭ শতাংশ রপ্তানি বেশি হয়েছে।
- ১ব্যাটারিচালিত রিকশা তৈরিতে লাগবে অনুমতি, নির্ধারিত হবে কারখানা
- ২সূচক ও লেনদেনের পতনে সপ্তাহ শেষ
- ৩মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান
- ৪৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে
- ৫বিএনপির মহাসচিবের পদ ছাড়লেন মির্জা ফখরুল
- ৬গরিবের টেসলা বিদ্যুৎ ডিমান্ড বাড়াচ্ছে, রাতেও চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট
- ৭বেরোবি শিক্ষক ইউসুফের সনদ জালিয়াতি
- ৮যবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবে রেল কর্তৃপক্ষকে প্রশাসনের চিঠি
- ৯রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুলকে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা
- ১০ডিএসইর এজিএম নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ, থানায় জিডি
- ১গাজীপুর, খুলনা ও কুষ্টিয়ায় নতুন পুলিশ সুপার
- ২কুবিতে সাড়ে ৮ শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ছাত্রশিবিরের নবীনবরণ
- ৩কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে ভারতের অ্যাম্বুলেন্স
- ৪ডিএসইর শীর্ষ কর্মকর্তাদের ট্রেডিং ও অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধানে বিএসইসি
- ৫বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ক আরও জোরদারে অঙ্গীকার
- ৬গোলাম রাব্বানীর ভাই রুহানী-বিপ্লব কুমারসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত
- ৭গ্রাহকসেবায় সেরা পারফরম্যান্সের জন্য সহকর্মীদের সম্মাননা দিলো ব্র্যাক ব্যাংক
- ৮বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ আক্তার হোসেনের নিয়োগ বাতিল
- ৯বন্যার্তদের পাশে আইএসডিই, পূর্ব বড় ভেওলায় ৫১০ পরিবারের মুখে স্বস্তি
- ১০শপিংমল-দোকানপাট রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ, বিলবোর্ড ৭টায়





পাঠকের মতামত