
খুলনার বিভাগের কয়েকি জেলায় শত শত তরমুজ চাষি লাভের আশায় তরমুজ চাষ করে চলতি মৌশুমে এবার পথে বসতে চলেছেন । রোজার মাসে এবং বর্তমানে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় তরমুজের যথেষ্ট চাহিদা থাকলেও পাইকারি ক্রেতারা তরমুজ কেনায় তেমন আগ্রহই দেখাচ্ছেন না। ফলে খেতে বিপুল সংখ্যায় চরম অবহেলায় পড়ে আছে গরমের এই আকর্ষণীয় ফল তরমুজ।
দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিন কয়েক শ ট্রাক প্রবেশ করছে বিভিন্ন মোকামে। একটি মহলের চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে অনেক কৃষক সব হারানোর চেয়ে ‘পানির দরে’ তরমুজ তুলে দিতে বাধ্য হচ্ছে তাদের হাতে। মাগুরা,যশোর,খিলনা সহ বিভিন্ন আড়তে গিয়ে দেখা যায়, পাইকারিতে তারা ১০ কেজি ওজনের প্রতি পিস তরমুজ কিনছেন মাত্র ৩০ টাকায়। প্রতি পিস তরমুজের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকার মধ্যেই ধরছেন তারা। আর খুচরা ব্যবসায়ীরা সেখান থেকে পিস হিসেবে তরমুজ কিনে প্রতি কেজি ১৫ থেকে ২০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। অর্থাৎ ১০ কেজি ওজনের একটি তরমুজ তাদের কাছ থেকে খুচরা ক্রেতারা কিনছেন প্রায় ২০০ টাকায়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন গ্রামের রাস্তার পাশে তরমুজ স্তূপ করে রাখা হয়েছে বিক্রির আশায়। সেখানে অবহেলায় হয়তো পচে যাচ্ছে, কিংবা গরু-ছাগলে খেয়ে যাচ্ছে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা আগ্রহ দেখালে নামমাত্র মূল্যে তাদের হাতে তুলে দিচ্ছে। যারা রোজার মধ্যে আগাম তরমুজ তুলতে পেরেছেন তারা। তরমুজ চাষ করেছিলেন বিজয় মণ্ডল, সুকুমা’র মণ্ডলসহ বহু লোক। বিজয় মণ্ডল বলেন, তিনি তিন বিঘা জমিতে তরমুজের চাষ করেছেন। ফলনও হয়েছে অনেক ভালো। তবে দাম না পাওয়ায় খেতেই পড়ে আছে।
তরমুজ কিনতে আসা ক্রেতা নাজমা সুলতানা বলেন, রোজার সময় তরমুজের দাম এত বেশি ছিল যে তখন কিনতে সমস্যা হয়েছে। এখন কিনছি মাত্র ১৫ টাকা কেজি দরে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান জানান, চলতি বছর তরমুজের উত্পাদন অন্যান্য বছরের তুলনায় ভালো। এ বছর এলাকায় ;;১৩ হাজার ৯৭০ হেক্টর জমিতে তরমুজের চাষ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় হেক্টরপ্রতি গড়ে ৫০ মেট্রিক টন তরমুজ উত্পাদিত হয়েছে, যা বিগত বছরগুলোর তুলনায় বেশি। রোজার পর চাহিদা কমে যাওয়ায় দাম কমে গেছে। যেসব চাষি আগে বিক্রি করতে পেরেছেন তারা লাভবান হয়েছেন। তরসুজ চাষীদের অভিযোগ, কতিপয় লোক সিন্ডিকেট করে খোলাবাজারে তরমুজ বিক্রি করতে না দেয়ায় ও সিন্ডিকেটের সদস্যরা কৌশলে কমদামে কৃষকদের কাছ থেকে তরমুজ ক্রয় করে তাদের খুশিমত মূল্যে ক্রেতার কাছে বিক্রি করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের নজর দেয়া দরকার বলে তারা মনে করেন।
- ১দ্বিগুণ হলো ব্যাংক এশিয়ার অনুমোদিত মূলধন
- ২চাঁদপুর ট্রাফিক পুলিশের রেকর্ড পরিমাণ মামলা ও জরিমানা আদায়
- ৩মেঘনা পেট্রোলিয়ামের চেয়ারম্যান নিয়োগ
- ৪বিশ্ববাজারে ফের বাড়লো অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম
- ৫কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন
- ৬ভোমরা বন্দর দিয়ে ৩১৩ কোটি টাকার টমেটো আমদানি
- ৭খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার আসামি চাঁদপুর থেকে গ্রেফতার
- ৮চাঁদপুরে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক আটক
- ৯রাশিয়া-ইউক্রেন পাল্টাপাল্টি হামলায় ২৬ জন নিহত
- ১০ঢাকাসহ দেশের ১৩ জেলায় বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা
- ১বিজয়নগরে জোরপূর্বক বৃদ্ধের জায়গা দখলের অভিযোগ
- ২ব্যাংকিং ও রাজনৈতিক অর্থনীতি: একটি নির্মোহ পর্যালোচনা
- ৩নতুন মন্ত্রিসভায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চাঁদপুর তিন আসনের এমপি মানিক
- ৪প্রবাসী আয়ে শীর্ষে ফিরলো ইসলামী ব্যাংক
- ৫ব্লক মার্কেটে লেনদেন ৫৩ কোটি টাকার
- ৬আমি হত্যার পক্ষে নই, এজন্যই ইরানের সঙ্গে চুক্তি চাই : ট্রাম্প
- ৭কমেছে সূচক ও লেনদেন
- ৮তিস্তা ও অর্থনৈতিক করিডর উদ্যোগ বাস্তবায়নে আশাবাদী চীন
- ৯মধ্যপ্রাচ্যে কমছে জনশক্তি রপ্তানি, বাড়ছে ইউরোপে
- ১০পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর





পাঠকের মতামত