
অনেক সময় পচনশীল কৃষিপণ্য রপ্তানিতে শীততাপ নিয়ন্ত্রণ স্থানে রাখতে হয়। আমরা আশা করছি দ্রুত বিমানবন্দরের আশপাশে একটি ভালো মানের কার্গো হাউজ তৈরি করা সম্ভব হবে। এই কার্গো হাউজ যদি সুন্দরভাবে মেইনটেইন করা যায় তাহলে পণ্যের রপ্তানি আরও বাড়বে। এতে অনেক পিছিয়ে থাকা উদ্যোক্তা এগিয়ে আসবেন।
শনিবার (১৮ জুন) ধানমন্ডির একটি রেস্টুরেন্টে এগ্রো প্রোডাক্টস বিজনেস কাউন্সিল (এপিবিপিসি), বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ এগ্রো-প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশনের (বাপা) যৌথ উদ্যোগে ‘কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াকরণ খাতের উন্নয়ন কৌশল’ শীর্ষক এক কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিজনেস প্রমোশনাল কাউন্সিলের (বিপিসি) কো-অর্ডিনেটর ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুর রহিম খান এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, এগ্রো প্রসেসিংয়ে রপ্তানি করতে আমাদের কিছু এসপিএস (কৃষিক্ষেত্রে স্যানিটারি ও ফাইটোস্যানিটারির) প্রটোকল নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য চাষের শুরু থেকে প্যাকেজিং ও বিমানবন্দরে নেওয়া পর্যন্তর নিয়ম-কানুনগুলো মানতে হবে। এই সেক্টরের উন্নতির জন্য বিমানবন্দরে একটা ভালো কার্গো হাউজ প্রয়োজন। অনেক ক্ষেত্রে পণ্যের কুল চেইন মেইন্টেইন করা প্রয়োজন হয়। এ বিষয়ে সরকার সজাগ আছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সরকার প্রকল্প গ্রহণ করেছে।
আবদুর রহিম বলেন, আমাদের লক্ষ্য থাকে রপ্তানির যে বাস্কেট সেটা আরও কীভাবে বড় করা যায়। বাংলাদেশের রপ্তানির ৮৫ শতাংশ হচ্ছে রেডিমেড গার্মেন্টস। সরকার চায় রেডিমেড গার্মেন্টসের বাইরে আরও কিছু নতুন পণ্য রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে। এক্ষেত্রে সরকার সবচেয়ে গুরুত্ব দেয় কৃষিখাত। রপ্তানিতে সরকার সবচেয়ে বেশি ভর্তুকি দেয় কৃষিখাতে, যা ২০ শতাংশ। সরকার কৃষিখাতে সাহায্য সহযোগিতা করছে যার মূলই হচ্ছে আপনাদের মাধ্যমে বিদেশে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কর্নেল গ্রুপ অব কোম্পানিজের চেয়ারম্যান ড. মো. সালেহ আহমেদ। প্রবন্ধে তিনি বাংলাদেশে কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াকরণ খাতের নানা প্রতিবন্ধকতা, সুযোগ ও সম্ভাবনার সুযোগ তুলে ধরেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও বাপার প্রশাসক জিন্নাত রেহানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (বিপণন) কামরুজ্জামান কামাল। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) অ্যাসোসিয়েট ডিন অধ্যাপক ড. মো. বেলাল হোসেন, বাপা সচিব মো. তৈবুর রহমান ও কৃষি পণ্য সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
বিপি/ আইএইচ
- ১চট্টগ্রাম বন্দরে রাজস্ব বেড়েছে ৯৯৯ কোটি টাকা
- ২রাজস্ব নিয়ে জনগণের বিভ্রান্তি দূর করাই চ্যালেঞ্জ: প্রধানমন্ত্রী
- ৩সাগরে নিম্নচাপ, বন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত
- ৪সূচকের উত্থানে চলছে লেনদেন
- ৫মার্জিন বিধিমালার সংশোধনী গেজেট প্রকাশ
- ৬লিবিয়ার ডিটেনশন সেন্টার থেকে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি
- ৭ন্যাশনাল হাউজিংয়ের কর্পোরেট পরিচালকের শেয়ার বিক্রয়ের ঘোষণা
- ৮বেরোবিতে শিক্ষার্থীদের থেকে প্রায় সাত লাখ টাকা অতিরিক্ত ফি আদায়
- ৯দুদক কমিশনার হলেন সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া
- ১০কালকিনিতে তিন ব্যবসায়ীকে ৯ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা
- ১ছাত্রদলের শীর্ষ পদে সর্বোচ্চ আলোচনায় জবির জিয়াউদ্দিন বাসিত
- ২ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণে ন্যাশনাল ব্যাংকের ‘সিএএসএ’ ক্যাম্পেইন
- ৩এসএসসিতে ১২ লাখ খাতা চ্যালেঞ্জের আবেদন, আরও বাড়তে পারে
- ৪উপসচিব হলেন ২৭৭ কর্মকর্তা
- ৫চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে বন্যার শঙ্কা
- ৬বাংলাদেশ-কানাডা প্রতিরক্ষা ও কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে আলোচনা
- ৭অভিযানে জব্দ দুই কোটির মালামাল এজাহারে হয়ে গেল ৩ লাখ টাকা
- ৮ব্লক মার্কেটে লেনদেন ২৫ কোটি টাকার
- ৯চাঁদপুরে অচেতন করে স্বর্ণালঙ্কার লুটের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২
- ১০দর বৃদ্ধির শীর্ষে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স





পাঠকের মতামত