
বাহারি নামের কোরবানির পশু নিয়ে মানুষের মধ্যে আগ্রহের কমতি নেই। এবারও ঈদকে কেন্দ্র বাজারে আসছে বাজারে আসছে দাদারাজ, যুবরাজ, বাদশা। জাতে হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান। খামারে বেড়ে ওঠা এদের। উচ্চতা, সৌন্দর্য আর আকৃতিতে বিশাল। এ বিশালতাকে কেন্দ্র করেই এদের নিয়ে খামারিদের স্বপ্ন। সামনে কোরবানির ঈদ। সেই ঈদকে কেন্দ্র করে খামারে বেড়ে ওঠা এ ষাঁড়গুলো বিক্রি হবে উঁচু দরে। তাই খামারিরা দামও হাঁকছেন বেশ জোরেশোরে। ঝিনাইদহের শৈলকুপার ‘দাদারাজে’র দাম চাওয়া হয়েছে ২৫ লাখ টাকা। ১৬ লাখ টাকা হলে কিনতে পাওয়া যাবে পাবনার ‘বাদশা’কে। আর বগুড়ার এক খামারি দুই ষাঁড়ের মূল্য চাইছেন ২১ লাখ টাকা।
শৈলকূপার ‘দাদারাজে’র ওজন ৪০ মণ। এ ঈদে এটাই ওই এলাকার সবচেয়ে বড় গরু। ফ্রিজিয়ান জাতের এ গরুর মালিক শৈলকুপার ভগবান নগর গ্রামের ব্রাদার্স এগ্রো ফার্মের মালিক ফিরোজ আহম্মেদ। সাবেক এ ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, একটা গাভী দিয়ে তার খামারের পথচলা শুরু। সাড়ে তিন বছর আগে খামারেই ফ্রিজিয়ান জাতের এ গরুর জন্ম। কোরবানিতে বিক্রির উদ্দেশ্যে তিনি এর পরিচর্যা করে আসছেন। তিনি বলেন, সরকারি চিকিৎসকের পরামর্শে দেশীয় পদ্ধতিতে ষাঁড়টি মোটাতাজাকরণ হয়েছে। তিনি জানান, ষাঁড়ের দাম ২৫ লাখ টাকা চাচ্ছেন তিনি। এখন পর্যন্ত ১৪-১৫ লাখ দাম উঠেছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্র জানায়, শৈলকুপায় এবার ৩৬ হাজার গবাদি পশু কোরবানির ঈদ উপলক্ষে মোটাতাজাকরণ হয়েছে।
পাবনার খামারি ফিরোজ শেখের সাদাকালো ডোরাকাটা ষাঁড় ‘বাদশা’র ওজন ৩১ মণ। ২০১৫ সালে ফিরোজ অনেকটা শখের বসেই শুরু করেছিলেন গরুর খামার। দুটি গরু দিয়ে শুরু করলেও বর্তমানে তার খামারে গরুর সংখ্যা ১৫। ফিরোজ জানান, চার বছর আগে খামারেই বাদশার জন্ম। অন্য গরুর চেয়ে দেখতে আকর্ষণীয় হওয়ায় এর লালন-পালনে নেওয়া হয় বাড়তি যত্ন। গত বছর হাটে তোলা হলেও করোনা মহামারির কারণে কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে ফেরত নিয়ে যান বাদশাকে। এ ঈদে ১৬ লাখ দাম চাওয়া হলেও ১৪-১৫ লাখে বিক্রি হবে বলে আশা করছেন ফিরোজ।
বগুড়ার শিবগঞ্জের ফ্রিজিয়ান জাতের দুই ষাঁড়ের ওজন যথাক্রমে প্রায় ২৮ ও ২৯ মণ। ষাঁড় দুটির মালিক শিবগঞ্জের মোকামতলা ইউনিয়নের ভাগকোলা গ্রামের ট্রাকচালক আব্দুল করিম। শখ করে ষাঁড়ের নাম রেখেছেন যুবরাজ। তিনি একটি ঝুপড়ি ঘরে চার বছর আগে এদের লালন-পালন শুরু করেন। তিনি বলেন, এ ষাঁড় দুটি প্রতিদিন ৮০০ থেকে ৯০০ টাকার দানাদার খাবার খায়; পাশাপাশি ঘাসও খায়। আব্দুল করিম জানান, ঈদে দুটি ষাঁড় তিনি ১১ লাখ ও ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করতে চান। শিবগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জাফরিন রহমান বলেন, উপজেলায় এ দুটি গরু সবচেয়ে বড়। খামারি আব্দুল করিমকে সবসময় পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
বিপি/ আইএইচ
- ১অতিরিক্ত বন্দির চাপে দুর্ধর্ষ আসামিদের আলাদা রাখা যাচ্ছে না
- ২সিরাজগঞ্জে যুবদল নেতা সুজন হত্যা, স্ত্রীসহ দুজনের যাবজ্জীবন
- ৩রাষ্ট্রপতি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট খারিজ
- ৪নীতিমালা উপেক্ষা করে ইবিতে সভাপতি নিয়োগ, তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ
- ৫মাদারীপুরে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা ও ছানি ক্যাম্প
- ৬রাত হলেই কপোতাক্ষ নদীর শামুক শিকার, ধ্বংসের মুখে জীববৈচিত্র
- ৭গোপালগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২৫
- ৮বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে যমুনা ব্যাংকের চুক্তি
- ৯প্রাথমিক স্তর থেকেই শিশুদের খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে
- ১০বাকৃবির ৬৬ তম প্রতিষ্ঠাদিবস উদযাপন
- ১ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণে ন্যাশনাল ব্যাংকের ‘সিএএসএ’ ক্যাম্পেইন
- ২এসএসসিতে ১২ লাখ খাতা চ্যালেঞ্জের আবেদন, আরও বাড়তে পারে
- ৩উপসচিব হলেন ২৭৭ কর্মকর্তা
- ৪দুদক কমিশনার হলেন সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া
- ৫বিগত ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে
- ৬আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার না করলে নীতি সহায়তা নয়
- ৭বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদই মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার শক্তিশালী দর্শন
- ৮এপ্রিল-মার্চে হবে অর্থবছর, ২০২৭-২৮ হবে ৯ মাসের
- ৯রাজস্ব নিয়ে জনগণের বিভ্রান্তি দূর করাই চ্যালেঞ্জ: প্রধানমন্ত্রী
- ১০মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ, বাস্তবায়ন দুই ধাপে





পাঠকের মতামত