ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: আগস্ট ২, ২০২৬ ৯:০৫ এএম

ইসলামে চারিত্রিক পবিত্রতা ও নৈতিকতা রক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দুশ্চরিত্র, অসৎ কাজ ও কুপ্রবৃত্তি থেকে বাঁচতে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একটি বিশেষ দোয়া পাঠ করতেন।

দোয়াটি হলো—

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ مُنْكَرَاتِ الأَخْلاَقِ وَالأَعْمَالِ وَالأَهْوَاءِ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযুবিকা মিন মুনকারাতিল আখলাকি ওয়ালআ’মা-লি ওয়ালআহওয়া-ই।

অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে দুশ্চরিত্র, অসৎ কর্ম, কুপ্রবৃত্তি থেকে আশ্রয় চাচ্ছি।

কুত্ববাহ ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ দোয়া করতেন। (সুনানে তিরমিজি: ৩৫৯১)

ইসলাম পবিত্রতা, পরিচ্ছন্নতা ও সুস্থ রুচি ও প্রকৃতির ধর্ম। ইসলামে সব রকম অশ্লীল, অশালীন, কদর্য, কুরুচিপূর্ণ, নির্লজ্জ কাজ ও কথা নিষিদ্ধ। যেমন ব্যভিচার, নগ্নতা, সমকামিতা, মাহরাম আত্মীয়কে বিয়ে করা, অপবাদ দেওয়া, গালাগালি করা, কটু কথা বলা ইত্যাদি সবই ইসলামে নিষিদ্ধ।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, “বল, আমার রব তো হারাম করেছেন অশ্লীল কাজ- যা প্রকাশ পায় এবং যা গোপন থাকে, আর পাপ ও অন্যায়ভাবে সীমালঙ্ঘন এবং আল্লাহর সাথে তোমাদের শরীক করা, যে ব্যাপারে আল্লাহ কোন প্রমাণ অবতীর্ণ করেননি এবং আল্লাহর উপরে এমন কিছু বলা যা তোমরা জান না।” (সুরা আ’রাফ: ৩৩)

আরেক আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, “নিশ্চয় আল্লাহ ইনসাফ, সদাচার ও নিকট আত্মীয়দের দান করার আদেশ দেন এবং তিনি আশ্লীলতা, মন্দ কাজ ও সীমালঙ্ঘন থেকে নিষেধ করেন। তিনি তোমাদেরকে উপদেশ দেন, যাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর।” (সুরা নাহল: ৯০)

আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহর চেয়ে অধিক আত্মমর্যাদাবোধসম্পন্ন আর কেউ নেই, তাই তিনি অশ্লীলতাকে হারাম করেছেন।” (সহিহ বুখারি: ৫২২)

সুতরাং একজন মুমিন হিসেবে আমাদের কর্তব্য সব রকম অশ্লীল কাজ ও কথা থেকে দূরে থাকা। নিজের চেষ্টার পাশাপাশি এ জন্য আল্লাহ তাআলার আশ্রয়, সাহায্য ও তওফিক প্রার্থনা করা।

বিএইচ

শেয়ার

পাঠকের মতামত