
করোনার প্রভাব কাটিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙা হচ্ছে। এর প্রতিফলন পড়েছে শুল্ক-কর আদায়ে। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই ও আগস্টে শুল্ক-কর আদায়ে বড় প্রবৃদ্ধি হয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে প্রায় সাড়ে ১৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। আর শুধু আগস্ট মাসেই শুল্ক-কর আদায়ে প্রায় ২৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। গত এক দশকে এক মাসের হিসাবে রাজস্ব আদায়ে এত বড় উল্লম্ফন আর দেখা যায়নি।
দেশে করোনা সংক্রমণ হওয়ার পর সবকিছু বন্ধ থাকায় গত বছরের এপ্রিল, মে রাজস্ব আদায় হয়নি বললেই চলে। জুন মাসেও তেমন রাজস্ব আদায় হয়নি। গত বছরের জুলাই মাস থেকে রাজস্ব আদায় স্বাভাবিক হতে শুরু করে। আর চলতি অর্থবছরের শুরুতে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে করোনার আগের সময়ের ধারায় ফিরে আসে এনবিআর।
এ বছরের জুলাই মাসে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়। আর আগস্ট মাসে ১৯ হাজার ১৯৪ কোটি টাকা আদায় করেন শুল্ক-কর কর্মকর্তারা। ২০২০ সালের আগস্ট মাসে আদায় হয়েছিল ১৫ হাজার ৪০৬ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট মাসে রাজস্ব আদায় হয় ৩৪ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা বেশি।
এনবিআর কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, গত এক দশকে এক মাসের হিসাবে এত প্রবৃদ্ধি হয়নি। করোনা সংকট কাটিয়ে অর্থনীতি তথা ব্যবসা-বাণিজ্য ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। রাজস্ব আদায়ও স্বাভাবিক হচ্ছে। আমদানি যেমন বেড়েছে, তেমনি রপ্তানিও বেড়েছে।
জুলাই-আগস্ট মাসে ঋণপত্র খোলার হার প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। এই ঋণপত্রের বিপরীতে আমদানি পণ্য আসতে শুরু করে। ফলে আমদানি পর্যায়ে শুল্ক আদায়ও বেড়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, জুলাই-আগস্ট মাসে আমদানি পর্যায়ে আমদানি শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর (মূসক) ও সম্পূরক শুল্ক আদায় হয়েছে ১১ হাজার ৫৮১ কোটি টাকা, যা আগের মাসের চেয়ে প্রায় ১৬ শতাংশ বেশি।
করোনার দ্বিতীয় ধাক্কার পর গত আগস্ট মাসে করোনাসংক্রান্ত বিধিনিষেধ তুলে দেওয়া হয়। ফলে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙা হয়। জুলাই-আগস্ট মাসে স্থানীয় পর্যায়ে ভ্যাট, সম্পূরক শুল্কসহ অন্যান্য শুল্ক-কর আদায় হয় ১২ হাজার ৯৬৪ কোটি টাকা—আদায়ে প্রবৃদ্ধি হয় ১৪ দশমিক ২১ শতাংশ। অন্যদিকে জুলাই-আগস্ট মাসে ১০ হাজার ৩ কোটি টাকা আয়কর আদায় হয়েছে। আয়করে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩ দশমিক ৬৬ শতাংশ।
চলতি অর্থবছরে (২০২১-২০) এনবিআরকে ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বিশাল লক্ষ্য দেওয়া হয়েছে। গতবারও একই লক্ষ্যে দেওয়া হয়েছিল, পরে তা কমিয়ে ৩ লাখ ১ হাজার কোটি টাকা করা হয়। শেষ পর্যন্ত এনবিআর প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা আদায় করে।
চলমান করোনা সংকটের মধ্যে বড় করদাতারা মোট রাজস্বের প্রায় ৩০ শতাংশ দিয়েছেন।
- ১সাসপেন্ড ইসলামী ব্যাংক কর্মকর্তা
- ২মার্জিন ঋণে নতুন নিয়ম, শেয়ারের সর্বোচ্চ পিই ৪০
- ৩প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দুটি আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত : জয়সওয়াল
- ৪ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মার্কিন চার মানবাধিকার সংস্থার মামলা
- ৫পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১০ কর্মকর্তাকে বদলি
- ৬কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে প্রাণহানির ঘটনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শোক
- ৭বিমানে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পেতে পারেন জুলাই যোদ্ধারা : বিমানমন্ত্রী
- ৮চাঁদপুরে জিপিএ-৫ অর্জনের পাশাপাশি সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে তিন শিক্ষার্থী
- ৯এসএসসিতে পিপিআইএমএসসির বাজিমাত, পাসের হার ৯৮.৮০ শতাংশ; জিপিএ-৫ পেল ৪১ জন
- ১০মোড়লগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১০
- ১এসএসসির ফলে খুলনা সবার শীর্ষে, দ্বিতীয় যশোর, তৃতীয় চুয়াডাঙ্গা
- ২চাঁদপুরে জিপিএ-৫ অর্জনের পাশাপাশি সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে তিন শিক্ষার্থী
- ৩মার্জিন ঋণে নতুন নিয়ম, শেয়ারের সর্বোচ্চ পিই ৪০
- ৪জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে : প্রধানমন্ত্রী
- ৫২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, প্রার্থীর নাম ঘোষণা ১৮ আগস্ট
- ৬শেরপরে এসএসসি পরীক্ষায় চার বিষয়ে ফেল;শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা
- ৭ওয়েলিংটনে এমএফএটির সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের ৩ দফা কৌশলগত প্রস্তাব
- ৮চাঁদপুরে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত
- ৯বাইউস্টের ১৭তম ফাইন্যান্স কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
- ১০পাবনা ক্যাডেট কলেজে ৫২ জন অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে সবাই





পাঠকের মতামত