প্রকাশিত: অক্টোবর ২৮, ২০২১ ২:১১ পিএম , আপডেট: অক্টোবর ২৮, ২০২১ ২:১৪ পিএম

আগামী ১ নভেম্বর থেকে ঢাকায় ১২-১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের করোনার টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।

বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) মন্ত্রিপরিষদ বৈঠক শেষে  সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমাদের হাতে টিকার যথেষ্ট মজুদ আছে। এরই মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষার্থীদের তালিকা আমাদের দিয়েছেন। আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশা করি, ১ নভেম্বর থেকেই টিকা কর্মসূচি শুরু করা যাবে। আমরা প্রতিদিন ৪০ হাজার শিক্ষার্থীকে টিকা দিতে পারব বলে আশা করছি।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল রাতেই সিনোফার্মের ৫৫ লাখ টিকা আমাদের কাছে এসেছে। এ নিয়ে আমাদের হাতে প্রায় ২ কোটিরও বেশি টিকার ডোজ রয়েছে। আজকে থেকে নিয়ে আগামীকাল পরশুর মধ্যে প্রায় ৮০ লাখ টিকা আমরা দিয়ে দেবো। সেই কর্মসূচি শুরু হয়ে গেছে। ‘ঢাকায় ১২টি কেন্দ্র আমরা স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য ঠিক করেছি। সব ঠিক আছে। অন্য টিকা কার্যক্রমও একই সঙ্গে চলমান থাকবে।’

এর আগে বুধবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় গবেষণা দিবসে বৈজ্ঞানিক অধিবেশন ও অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, ‘স্কুলশিক্ষার্থীদের টিকা দিতে রেজিস্ট্রেশন চলছে। আশা করছি সপ্তাহখানেকের মধ্যে স্কুলশিক্ষার্থীদের গণটিকা কার্যক্রম শুরু হবে।’

বড় পরিসরে স্কুলশিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনতে পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রতিদিন ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী ৪০ হাজার শিক্ষার্থীকে টিকা দেয়া হবে।

শেয়ার

পাঠকের মতামত

দেশের সব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

আবহাওয়া অধিদপ্তর দেশের সব বিভাগে বৃষ্টির আভাস দিয়েছে। এদিকে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি বর্তমানে নিম্নচাপে ...

বাংলাদেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা শিথিল করল যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন বাংলাদেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা (ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি) হালনাগাদ করেছে। জানা গেছে, ...

স্বাস্থ্যখাতে গবেষণায় খুবই কম ব্যয় করা হচ্ছে: জিয়াউদ্দিন হায়দার

স্বাস্থ্যখাতে গবেষণায় খুবই কম ব্যয় করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ...

২০২৬ সালের মধ্যে বন্ধ কারখানা চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা সরকারি শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালু, বেসরকারিকরণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ ...