
রংপুর অঞ্চলের ৫ জেলায় প্রতিবছর বাড়ছে আউশ ধানের চাষ। রংপুর অঞ্চলের রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম,লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলায় গত ৪ বছরে ৪০ হাজার ৫ শত হেক্টর থেকে ৬৫ হাজার হেক্টরে দাড়িয়েছে। বর্তমানে আউস ধান চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন এ অঞ্চলের কৃষকেরা। রংপুর অঞ্চলের রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম,লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলায় তিন জাতের আউশ ছাষ হয়ে থাকে। এরমধ্যে হাইব্রিড, উফশী ও স্থানীয়।
রাসায়নিক সার ব্যবহার ও অল্প সেচে আউশ ধান চাষ লাভ জনক হওয়ায় কৃষক দিন দিন উৎসাহিত হচ্ছে এই ধান চাষে। চলতি মৌসুমে এ অঞ্চলে আউশ ধান চাষে লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ৬৫ হাজার হেক্টর জমিতে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২০ লাখ ৫ হাজার ৪৫৯ মেট্রিক টন।
রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে রংপুর জেলায় ২৭ হাজার হেক্টর, গাইবান্ধা জেলায় সাড়ে ১৫ হাজার হেক্টর, কুড়িগ্রাম জেলায় ৮ হাজার ৬৭৫ হেক্টর, লালমনিরহাট জেলায় ১২ হাজার হেক্টর এবং নীলফামারী জেলায় আউশ ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ হাজার ৮২৫ হেক্টর জমিতে। প্রতি হেক্টরে গড়ে উৎপাদন ধরা হয়েছে ৩ ধশমিক ১৬ মেট্রিক টন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রংপুরের উপ পরিচালক- মাহাবুবার রহমান জানান, এম অঞ্চলে চলতি মৌসুমে আউশ ধান চাষে লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ৬৫ হাজার হেক্টরম জমিতে। আউশের চাষ বৃদ্ধির জন্য এ অঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে ব্যাপকহারে বীজম প্রদান করা হয়। এছাড়াও কৃষি অফিস নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে আউশ চাষম বৃদ্ধির জন্য।
কৃষকরা জানান, প্রতি বছর বৈশাখ মাসের মাঝামাঝি থেকে শুরু করে জ্যৈষ্ঠম মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত আউশ ধানের চারা রোপণ করা হয়। আর আষাঢ-শ্রাবণে মকাটা হয়।
রংপুরের পীরগাছা উপজেলার পারুল ইউনিয়নের গৃহস্থ সফর উদ্দিন খান জানান, আউশ মধাষ চাষে খরচর কম। সার ও সেচ খুব একটার দরকার হয়না। তিন মাষে এই ধান ঘরে তোলা যায়। আউশের ধানের ভাত খেতে বেশ সুসাধু। ফলনও ভালো হয় বলে জানান এই গৃহস্থ।
কৃষি কর্মকর্তারা জানায়, আউশ ধান চাষ করতে জমিতে তেমন একটা সেচ দিতে হয় না। এতে ভুগর্ভস্থ পানির ব্যবহারও দিন দিন কমছে। বৃষ্টির পানি দিয়েই চাষ করা যায়। অতিরিক্ত পানির প্রয়োজন হয় না। সেইসঙ্গে আউশ ক্ষেতে ধইঞ্চা গাছ রোপণ করলে সেখানে পাখি এসে বসে। পাখি ক্ষতিকর পোকাগুলো খেয়ে ফেলে। এতে করে জমিতে রাসায়নিক সার ব্যবহার না করলেও চলে। বিষমুক্ত চাল পাওয়া যায়। মাত্র ৯০ দিনে প্রতি বিঘা জমিতে অতিরিক্ত ১৬ থেকে ১৮ মন চাল পাওয়া যায়।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, রংপুর অঞ্চলে ৫ জেলায় ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে আউশের হয় হয় ৪০ হাজার ৬১৮ হেক্টর জমিতে, ২০১৯- ২০২০ সালে ৪৭ হাজার ৭৭৬ হেক্টর জমিতে , ২০২০-২০২১ সালে এ চাষ বৃদ্ধি পেয়ে দাড়ায় ৬০ হাজার ২৮০ হেক্টর জমিতে। চলতি মৌসুমে ৬২ হাজার ৯০ হেক্টর জমিতে আউশ ধানের চাষ করার লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
- ১দ্বিগুণ হলো ব্যাংক এশিয়ার অনুমোদিত মূলধন
- ২চাঁদপুর ট্রাফিক পুলিশের রেকর্ড পরিমাণ মামলা ও জরিমানা আদায়
- ৩মেঘনা পেট্রোলিয়ামের চেয়ারম্যান নিয়োগ
- ৪বিশ্ববাজারে ফের বাড়লো অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম
- ৫কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন
- ৬ভোমরা বন্দর দিয়ে ৩১৩ কোটি টাকার টমেটো আমদানি
- ৭খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার আসামি চাঁদপুর থেকে গ্রেফতার
- ৮চাঁদপুরে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক আটক
- ৯রাশিয়া-ইউক্রেন পাল্টাপাল্টি হামলায় ২৬ জন নিহত
- ১০ঢাকাসহ দেশের ১৩ জেলায় বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা
- ১বিজয়নগরে জোরপূর্বক বৃদ্ধের জায়গা দখলের অভিযোগ
- ২ব্যাংকিং ও রাজনৈতিক অর্থনীতি: একটি নির্মোহ পর্যালোচনা
- ৩নতুন মন্ত্রিসভায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চাঁদপুর তিন আসনের এমপি মানিক
- ৪প্রবাসী আয়ে শীর্ষে ফিরলো ইসলামী ব্যাংক
- ৫ব্লক মার্কেটে লেনদেন ৫৩ কোটি টাকার
- ৬পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- ৭আমি হত্যার পক্ষে নই, এজন্যই ইরানের সঙ্গে চুক্তি চাই : ট্রাম্প
- ৮কমেছে সূচক ও লেনদেন
- ৯তিস্তা ও অর্থনৈতিক করিডর উদ্যোগ বাস্তবায়নে আশাবাদী চীন
- ১০মধ্যপ্রাচ্যে কমছে জনশক্তি রপ্তানি, বাড়ছে ইউরোপে





পাঠকের মতামত