
ঈদুল আযহার বাকী মাত্র আর ১২ দিন। কিন্তু এখনো কুরবানীর পশুর হাট নিয়ে সিলেটে নেই কোন তোড়জোড়। স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় সিলেট জুড়ে থমকে আছে কুরবানীর ঈদের প্রস্তুতি। অস্থায়ী পশুর হাট নিয়ে এখনো চোখে পড়েনি কোন উদ্যোগ। যদিও আসন্ন ঈদুল আযহার প্রস্তুতি ও কুরবানীর পশুর হাটকে সামনে রেখে বুধবার বৈঠক বসেছে সিলেট জেলা প্রশাসন। বৈঠকে সিলেট জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও নগর এলাকার অস্থায়ী পশুর হাট নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হতে পারে।
জানা গেছে, ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে প্রতি বছর ঈদুল আযহা উপলক্ষে কমপক্ষে ১৫ দিন আগে থেকেই সিলেট জুড়ে শুরু হয়ে যেতো কুরবানীর প্রস্তুতি। গেল ২ বছর করোনা পরিস্থিতির কারণে সীমিত পরিসরে কুরবানীর পশুর হাট বসার কথা থাকলেও শেষ সময়ে নগরজুড়ে ছিল অবৈধ পশুর হাটের ছড়াছড়ি। তবে বন্যার কারণে সিলেটে এবারের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। দেশের ন্যায় সিলেটেও বর্তমানে রাত ৮টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধের আইন কার্যকর রয়েছে। ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে ১ জুলাই থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত রাত ১০টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। শেষ মুহুর্তে ঈদুল আযহার প্রস্তুতি ও কুরবানীর হাট জমে উঠতে পারে বলে অনেকের প্রত্যাশা।
সিলেট সিটি কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, নগরীর ৮টি স্থানের কুরবানীর পশুর হাট বসানোর জন্য জেলা প্রশাসক বরাবরে অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছে সিসিক। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসকের আজকের বৈঠকে সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এদিকে সিসিকের পক্ষ থেকে নগরীর যে ৮টি স্থানে পশুর হাটের অনুমতি চাওয়া হয়েছে সেগুলো হলোÑ ১। দক্ষিণ সুরমা ট্রাক টার্মিনাল, ২। শাহী ঈদগাহস্থ সদর উপজেলা মাঠ, ৩। শাহপরান গেইট এলাকা, ৪। মিরাপাড়া আব্দুল লতিফ প্রাইমারী স্কুল সংলগ্ন এলাকা, ৫। চৌকিদেখী এলাকা, ৬। টুকেরবাজার নতুনবাজার এলাকা, ৭। মদীনা মার্কেট নবাবী মসজিদ সংলগ্ন এলাকা ও ৮। ঝালোপাড়া মসজিদ সংলগ্ন এলাকা। সাম্প্র্রতিক বন্যায় বিপর্যস্থ সিলেট ও সুনামগঞ্জ। চতুর্দিকে ত্রাণের জন্য হাহাকার। বিশাল ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে আপ্রাণ চেষ্টায় বন্যাদূর্গত মানুষ। এই সময়ে মুসলিম উম্মাহর দরজায় কড়া নাড়ছে ২য় বৃহত্তম উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা। কিন্তু এমন সময়ে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জুড়ে ভিন্ন চিত্র। ত্রাণ ও খাদ্য সামগ্রী নিয়ে সারাদেশ থেকে সিলেটে আসছেন মানুষ। বাড়িয়েছেন সহযোগিতার হাত। বন্যার্তদের মাঝে কেউ শুকনো খাবার, কেউ ত্রাণ সামগ্রী, কেউ রান্না করা খাবার ও কেউ নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করছেন। আবার কিছু মানুষকে বন্যাদূর্গতদের মাঝে কুরবানীর অর্থ প্রদান করতে দেখা গেছে। তবে এ ব্যাপারে ধর্মীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে কোনভাবেই কুরবানীরপশুর টাকা অন্যখাতে ব্যয় করা যাবেনা। ধর্মীয় আলোচকবৃন্দও বলেছেন, দুর্যোগকালিন সময়ে সম্ভব হলে আরো বেশী করে কুরবানী দিতে হবে। যাতে বন্যার কারণে দীর্ঘসময় ধরে অভুক্ত থাকা মানুষ পেটপুরে খেতে পারে।
ক্ষতিগ্রস্থ খামারী ও কৃষকদের সাথে আলাপকালে জানা গেছে, গোচারণভূমি এখনও পানিতে নিমজ্জিত। ফলে গবাদিপশু নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন। মানুষের যেখানে বাঁচা দায়, সেখানে গোখাদ্য সংকট কীভাবে কাটাবেন, সেই ভাবনায় রয়েছেন অনেকে। তবে হাওর এলাকায় কচুরিপানা খাইয়ে গবাদিপশুকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে। এমন পরিস্থিতিতে আসন্ন ঈদুল আযহার পশুর হাট জমবে কিনা
এ নিয়ে শঙ্কিত ক্রেতা বিক্রেতা।
সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার আহসানুল আলম জানান, এখন পর্যন্ত জেলার আওতাধীন ৩টি উপজেলা থেকে ৭ স্থানে পশুর হাট বসানোর জন্য আবেদন করা হয়েছে। এরমধ্যে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা থেকে ৫টি, কোম্পানীগঞ্জ ও কানাইঘাট উপজেলা থেকে ১ টি করে। বুধবারের সভায় পশুর হাট ও কুরবানী বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিধায়ক রায় চৌধুরী বলেন, আমরা সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে ৮টি স্থান উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বরাবরে কুরবানীর পশুর হাটের জন্য আবেদন করেছি। জেলা প্রশাসন থেকে অনুমতি পেলে আমরা দ্রæততম সময়ের মধ্যে টেন্ডারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পশুর হাট বসানোর উদ্যোগ নেবো। করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় এবার ঈদ বাজারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ব্যাপারে কঠোর নির্দেশনা থাকবে। পাশাপাশি সিসিক নির্ধারিত হাট ছাড়া অন্যকোথাও পশুর হাট বসতে দেয়া হবেনা।
সিলেটের জেলা প্রশাসক মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, বন্যা পরিস্থিতির কারণে আগে বৈঠক করা সম্ভব হয়নি। দ্রæততম সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
- ১রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আসিয়ানের সহযোগিতা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ২মাদকসেবী-বখাটেদের চিন্হিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে : সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক
- ৩৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৬ হাজার ১৬৫
- ৪বাজেটের প্রকৃত সার্থকতা নির্ভর করছে সফল বাস্তবানের ওপর: অর্থমন্ত্রী
- ৫রাষ্ট্রপতির ফোনালাপের বিষয়টি এখনো জানে না পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- ৬বিদেশি শিক্ষার্থী আকর্ষণে জাতীয় নীতিমালা করতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী
- ৭ময়মনসিংহে পৃথক স্থান থেকে যুবকের মাথা ও মাটিচাপা দেহ উদ্ধার
- ৮এক বছরের মধ্যে জুলাই গণহত্যার তদন্ত শেষের আশা চিফ প্রসিকিউটরের
- ৯সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী
- ১০বিয়ের প্রলোভনে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, চট্টগ্রামে এনসিপির শীর্ষ নেতা গ্রেপ্তার
- ১লোকসানী শার্প ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারদর এক মাসে বেড়েছে ৬৮ শতাংশ
- ২‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতেই চলবে বৈদেশিক সম্পর্ক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ৩পারিবারিক বিরোধের জেরে তায়েবাকে হত্যার অভিযোগ, ৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
- ৪মাদক সংশ্লিষ্টতার সঙ্গে পুলিশ জড়িত থাকলেও ছাড় নয়: ডিআইজি
- ৫কানাডা থেকে ৪০ হাজার টন এমওপি সার কিনবে সরকার
- ৬UCB Price Sensitive Information
- ৭ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- ৮চকরিয়ায় ২০ প্যাকেট ইয়াবাসহ মাদককারবারী আটক
- ৯স্থানীয় সরকার কার্যকর হলেই গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রব্যবস্থা শক্তিশালী হবে
- ১০স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল আগস্টে, প্রথম ধাপের ভোট অক্টোবরে





পাঠকের মতামত