
টানা ১৫ দিন ধরে রংপুর বিভাগের গড় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে গত দিন ধরে আকাশে মেঘের আনাগোনা থাকলেও বৃষ্টি হয়েছে সামান্য পরিমানে। হালকা বৃষ্টি হলেও কমেনি তাপদাহ।
রংপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালে জুলাইয়ে রংপুরে বৃষ্টিপাতের পরিমান ছিলো ৮০৪ মিলিমিটার, তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিলো সর্বোচ্চ ৩৪.৮- সর্বনিম্ন ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০২১ সালে বৃষ্টি হয়েছিলো ১৯৬ মিলিমিটার, তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৩৪.৪, সর্বনিম্ন – ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস আর ২০২২ সালের চলতি মাসে বৃষ্টিপাত হয়েছে মাত্র ১৯ মিলিমিটার , তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে সর্বোচ্চ ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ম ২৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তারা বলছেন, এ সময়টাতে স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৩২ থেকে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস । তবে গত ১৫ দিন রংপুর বিভাগে রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭ থেকে ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত।
মৌসুমের এ সময়টাতে স্বাভাবিকের থেকে একটু বেশি তাপমাত্রা বাড়লেও তা ২ থেকে ৩ দিনের বেশি স্থায়ী হবার কথা নয়। কিন্ত এবারে এর ব্যতিক্রম ঘটেছে। টানা ১৫ দিন স্বাভাবিকের থেকে তাপমাত্রা বেশি ছিলো ৪ থেকে ৫ ডিগিগ্রসেলসিয়াস পর্যন্ত।
আবহাওয়ার এমন পরিবর্তন রংপুর অঞ্চলে কৃৃষির জন্য হুমকি বলে জানিয়ে রংপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম কামরুল হাসান জানান, যে ফসলের যতটুকু সেচ দরকার সেটা দিতে পারছে না। তপ্তরোদ উপেক্ষা করেই আমন চাষীরা এখন জমি তৈরির কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।
কৃষকরা জানান, কেউ এমনিতে জমি ফেলে রাখবে না। যতই খরচ হউকনা কেন জমিতে চারা রোপন করতে হবে। বৃষ্টির পানি পেলে ভালো হয় ধান। আর সেচের পানিতে ধানের ফলন কম হয়। মূলত আষাঢ়ের বৃষ্টিই ভরসা আমন চাষীদের। তবে এবার আষাঢ়ের শেষেও হতাশ হতে হয়েছে কৃষকদের। বৃষ্টি নেই তাই সেচের উপরই এখন নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন কৃষকরা ।
তারা জানান, বৃষ্টি না থাকায় সেচের পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে শ্রমিকের বাড়তি মজুরি ও চাষের খরচও। কৃষি গবেষক ও কৃষ্ধিসঢ়; বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক রোকেয়া বারী জানান, স্বাভাবিক বৃষ্টি না হলে আমন চাষে তিন ধরনের ক্ষতির মুখে পরেন কৃষকরা। প্রথমত সেচে বাড়তি খরচ, দ্বিতীয়ত খেতে আগাছা,রোগ বালাই ও পোকার আক্রমন বেড়ে যায় এবং তৃতীয়ত উৎপাদিত ধানে ভালো মানের চাল পাওয়া যাবেনা। চলতি মৌসুমে রংপুর কৃষি অঞ্চলে আমন চাষে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭ শত হেক্টর জমিতে। এখন পর্যন্ত সেচ দিয়ে রোপন করা হয়েছে প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে। শুধু সেচেই এখন পর্যন্ত কৃষককে গুনতে হয়েছে বাড়তি প্রায় ১৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা। পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হলে এই অংক আরও বাড়বে। তারাগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা উর্মি তাবাসসুম জানান, তযথা সময়ে আমনের চারা রোপন করা না হলে আশানুরুপ ফলন ব্যহত হবার সম্ভবনা থাকে। সে কারনেই আমন আবাদে কৃষকদের সম্পুরক সেচের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
- ১জুলাই আন্দোলনে জাতিকে চরম ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং রক্তমূল্য দিতে হয়েছে
- ২বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট নিয়ে অজুহাতের মাধ্যমে দায়িত্ব এড়াতে চাই না
- ৩পাথরঘাটায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৫ নেতাকর্মী আটক
- ৪অবহেলায় ক্ষয় হচ্ছে বিশ্ব ঐতিহ্যের নয় গম্বুজ মসজিদ
- ৫৩য় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে
- ৬চুয়াডাঙ্গা আদালত চত্বরে ভুয়া আইনজীবীসহ দুইজন আটক
- ৭এবার ৮ ব্র্যান্ডের ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমে ভয়াবহ মাত্রার মার্কারি শনাক্ত
- ৮মাসিক সম্মানি পাবে ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন ধর্মীয় উপাসনালয়ের কর্মীরা : জনপ্রশাসন উপদেষ্টা
- ৯৫৫৬ কোটি টাকায় নির্মিত ২২০ আশ্রয়কেন্দ্রের কোনোটিই শতভাগ উপযোগী নয়
- ১০আল ওয়াহদা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
- ১চাঁদপুরে জুলাই আন্দোলনের মামলায় ৩৭৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
- ২নবীনগরে দেড়শ বিঘায় নতুন সম্ভাবনার আউশ আবাদ
- ৩চাঁদপুর ট্রাফিক পুলিশের রেকর্ড পরিমাণ মামলা ও জরিমানা আদায়
- ৪বিপর্যস্ত চাঁদপুর,ধরাছোঁয়ার বাইরে মাদক কারবারিরা
- ৫পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বৃহস্পতিবার লেনদেন বন্ধ
- ৬রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ইউএন উইমেনের সহযোগিতা চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- ৭ময়মনসিংহে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান
- ৮মৌলভীবাজারের আলোচিত রাজকান্দি বনের রেঞ্জ কর্মকর্তা প্রীতম বদলি
- ৯ডিএসইর ছাঁটাই হওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্ব-স্ব পদে পুনর্বহাল দাবি
- ১০কুষ্টিয়ার চরমিলপাড়ায় ব্যাগ উৎপাদন শিল্পে ৪০০ মানুষের কর্মসংস্থান





পাঠকের মতামত