
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং হামাসের শীর্ষ তিন নেতার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে। গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে এই আবেদন জমা পড়েছে। এতে ব্যাপক ক্ষুব্ধ হয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু।
মঙ্গলবার (২১ মে) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে। এর আগে সোমবার (২০ মে) নেতানিয়াহুর দপ্তর থেকে হিব্রু ভাষায় জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়, গণতান্ত্রিক ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী-প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে উগ্রপন্থী খুনীদের সঙ্গে এক সারিতে বিবেচনা করায় আমরা হতভম্ব, হতাশ ও ক্ষুব্ধ। ইসরায়েলের নেৃতত্বকে হামাসের সমপর্যায়ের নামিয়ে আনা চরম হঠকারী ও ঔদ্ধত্বপূর্ণ মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়াভ গ্যালান্ত, হামাসের প্রধান নির্বাহী ইসমাইল হানিয়া, শীর্ষ নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার এবং হামাসের সামরিক শাখা আল কাসেম ব্রিগ্রেডের শীর্ষ কমান্ডার মোহাম্মেদ আল মাসরি ওরফে দেইফ আল মাসরির বিরুদ্ধে আইসিসিতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন জমা পড়েছে। গাজায় যুদ্ধাপরাধে উসকানি, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের অভিযোগে এই আবেদন করা হয়।
আইসিসির শীর্ষ প্রসিকিউটর করিম আসাদ আহমেদ খানের (করিম খান) দপ্তর থেকে আবেদনটি জমা পড়ে। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, গত ৭ মাস ধরে গাজা উপত্যকার বাসিন্দারা ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। সে জন্য নেতানিয়াহু-হানিয়াসহ মূলত দায়ী ৫ জন। এসময়ে গাজায় যত যুদ্ধাপরাধ হয়েছে, সেসবের জন্যও দায়ী তারা। গ্রেপ্তারি পরোয়ানার জন্য আবেদনের প্রধান কারণ এটিই।
পরোয়ানার জন্য আবেদনের পর এক প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, ইসরায়েলের সঙ্গে হামাসকে এক দৃষ্টিতে দেখার কোনো সুযোগ নেই। একেবারেই নেই। তার এই প্রতিক্রিয়ার পর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন বলেন, ওয়াশিংটন এই পদক্ষেপকে মৌলিকভাবে প্রত্যাখ্যান করছে। এটি লজ্জাজনক। আইসিসির এই ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার কোনো এখতিয়ার নেই।
বিশ্বের ১২৪টি রাষ্ট্র আইসিসি নামের স্থায়ী বৈশ্বিক আদালতকে স্বীকৃতি দিয়েছে। সেই রাষ্ট্রগুলোর তালিকায় ইসরায়েলের নাম নেই। তেমনি নেই যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়ারও। তাই ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া ও আইসিসিকে স্বীকৃতি দেয়নি- এমন সব দেশে নেতানিয়াহু, হানিয়া এবং বাকি তিনজনের কোনো ঝুঁকি নেই।
এছাড়া আইসিসি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলেও তা বাস্তবায়নের জন্য শক্তিপ্রয়োগের ক্ষমতা আদালতটির নেই। তবে মূল সমস্যা হলো, একবার যদি আইসিসি পরোয়ানা জারি করে— তাহলে তা প্রত্যাহারের আগ পর্যন্ত এই আদালতকে স্বীকৃতি দেওয়া দেশগুলোতে সফর করা ব্যাপক ঝুঁকিপূর্ণ হবে নেতানিয়াহু, হানিয়া এবং তালিকার অপর তিন জনের জন্য। কারণ সেক্ষেত্রে সেসব দেশের সরকার চাইলেই আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানাকে আমলে নিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করতে পারে। প্রসঙ্গত, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের অধিকাংশ দেশ আইসিসিকে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- ১রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কিয়েভে ৩ জন নিহত
- ২যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের জ্বালানি স্থাপনায় হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের
- ৩আইকিউএয়ার সূচকে আজ ঢাকার বায়ু সহনীয়
- ৪দেশের ৭ জেলায় ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
- ৫ব্যাংকঋণের সুদের হারে লাগাম টানতে কমল নীতি সুদহার
- ৬হজ ও ওমরাহ্ ফেয়ার-এ আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের স্টল উদ্বোধন
- ৭সুন্দরবন উপকূলের মিলির স্বপ্ন শুধু একটি ঘর
- ৮১৮ বছর পর বাড়ি ফিরলেন আলমগীর!
- ৯দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান, স্বস্তি ফিরেছে হাজারো মানুষের চলাচলে
- ১০জুলাই সনদের সকল চুক্তি সংসদে বিএনপি পাশ করবে: জয়নুল আবেদীন
- ১ক্যান্সার গবেষণায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন চাঁদপুরের আবু আলী সিনা
- ২সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে পুনঃনিয়োগ পেলেন অ্যাডভোকেট ফারুক হোসেন
- ৩আইন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনাগুলো জুলাই সনদের আলোকেই বাস্তবায়ন হবে
- ৪চা শ্রমিকদের ৫০০ টাকা মজুরি কার্যকরের দাবিতে কমলগঞ্জে গণবিক্ষোভ
- ৫পাবনায় অপহৃত স্কুলছাত্র উদ্ধার; আটক ৫
- ৬এনসিপি নেতৃবৃন্দের উপর হামলার প্রতিবাদে ইবিতে মানববন্ধন
- ৭ইসলামী ব্যাংক ঢাকা নর্থ ও ঢাকা সাউথ জোনের অর্ধ-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
- ৮শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অনুমতি নেই: ভারত
- ৯বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি দিপু, সম্পাদক জালাল
- ১০পাকিস্তানে কয়লাখনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ৩৪ জন নিহত





পাঠকের মতামত