
দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম কার্যকর হওয়ার পর চট্টগ্রামের ফিলিং স্টেশনগুলোতে হাহাকার ও দীর্ঘ জট তৈরি হয়েছে। নগরীর টাইগারপাস, মুরাদপুর ও জিইসি মোড়সহ বিভিন্ন এলাকার পাম্পগুলোতে কয়েক ঘণ্টা ধরে বাইক ও গাড়িচালকদের তেলের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।
সরবরাহ সংকটের আশঙ্কায় গ্রাহকরা আগেভাগেই ট্যাংক পূর্ণ করার চেষ্টা করায় পাম্প কর্মীদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। এদিকে চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম থাকায় অনেক পাম্প সাময়িকভাবে তেল বিক্রি বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে।
পাম্প মালিক ও সংশ্লিষ্টরা এই অস্থিরতার জন্য ডিপো থেকে তেল বরাদ্দের ‘পুরো রেশনিং পদ্ধতিকে’ দায়ী করছেন। তাদের দাবি, ২০২৬ সালে যানবাহনের সংখ্যা ও তেলের চাহিদা বাড়লেও বর্তমানে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে ২০২৫ সালের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে।
টাইগারপাস এজেন্সীজ লিমিটেড ও এস এইচ খান অ্যান্ড সন্স পাম্পের কর্মকর্তারা জানান, গত বছরের রেশনিং পদ্ধতি দিয়ে চলতি বছরের চাহিদা মেটানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়।
পরিস্থিতি সামাল দিতে কোনো কোনো পাম্প তেল বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। দামপাড়া সিএমপি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আরিফুল ইসলাম জানান, “আমরা প্রতিদিন গড়ে ৯ হাজার লিটার তেল বরাদ্দ পাই।
পরিস্থিতি সামাল দিতে বর্তমানে প্রতিটি বাইকের জন্য সর্বোচ্চ ৫শ টাকার তেল বিক্রির সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।”
অন্যদিকে, মুরাদপুরের ফসিল পাম্প এবং প্রবর্তক মোড়ের ফয়েজ আহম্মদ সন্স পেট্রোল পাম্পে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় তেল বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বর্তমানে জ্বালানি তেলের দাম অকটেন ১৪০ টাকা (প্রতি লিটার), পেট্রোল : ১৩৫ টাকা (প্রতি লিটার), কেরোসিন : ১৩০ টাকা (প্রতি লিটার), ডিজেল ১১৫ টাকা (প্রতি লিটার)।
প্রখর রোদে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বাইক চালক এমাদুল হাসান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রায় ৪০ মিনিট ধরে অপেক্ষা করার পর সামান্য তেল পেয়েছেন। দাম বাড়লেও যাতায়াতের জন্য তেল নেওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই, কিন্তু সরবরাহের এই অনিশ্চয়তা সাধারণ মানুষকে বড় ধরনের ভোগান্তিতে ফেলেছে।
দ্রুত সরবরাহ না বাড়ালে এই অস্থিরতা আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নগরীর গণি বেকারি এলাকার কিউসি পেট্রোল পাম্পের সামনে সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে তীব্র রোদ উপেক্ষা করে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন প্রাইভেটকার চালক রহমত আলী এবং মোটরসাইকেল নিয়ে আসা চাকরিজীবী সালেহ আহমেদ।
রহমত আলী দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, “ভাই, অকটেনের দাম একলাফে ২০ টাকা দাম বাড়াল সরকার, কিন্তু তেল তো পাচ্ছি না। গতকাল তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম, আজকেও একই অবস্থা। পেটের দায় তো আর এই অজুহাত বোঝে না!”
চট্টগ্রামের এই চিত্র যেন আজ সারা দেশের প্রতিচ্ছবি। একদিকে পকেট কেটে যাচ্ছে, অন্যদিকে দীর্ঘ অপেক্ষায় সময় ও শক্তির চরম অপচয় ঘটছে।
ইএটি
- ১এনএসইজেডে ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে এমইপি, তৈরি হবে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম
- ২১৬ বছরে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে: চট্টগ্রামে আইনমন্ত্রী
- ৩খানজাহান আলী বিমানবন্দর চালু হলে বদলে যাবে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতি
- ৪বাজারের ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক
- ৫অনেক বছর পরে মানিকগঞ্জবাসীর স্বপ্ন পূরণের সুযোগ এসেছে: পর্যটন মন্ত্রী
- ৬নড়াইলে দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি সম্পন্ন
- ৭তালিকাভুক্ত কোম্পানিতে নারী স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগের সময় বাড়াল বিএসইসি
- ৮জুলাই নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে ইবিতে ‘রিমেম্বারিং জুলাই’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত
- ৯২৫ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৮ হাজার ৪৭ কোটি টাকা
- ১০মাদারীপুরে দুই প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা
- ১সার্ককে আরও গতিশীল করতে চায় বাংলাদেশ-মালদ্বীপ
- ২কোনো একসময় বাংলাদেশ বিশ্বকাপ ফুটবল খেলবে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
- ৩তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান
- ৪চলতি অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার
- ৫বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
- ৬সিরিয়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ৩৫
- ৭সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ সরকার পর্যালোচনা করছে
- ৮চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
- ৯চাঁদপুর জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ার বাবলু মারা গেছেন
- ১০সরকারের পাঁচ মাসেই নানা কথা শুরু হয়েছে, সুযোগ হারানো যাবে না





পাঠকের মতামত