
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুরে আলোচিত শিশু তায়েবা হত্যাকাণ্ডের প্রায় এক বছর পর মামলার তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) বলছে, দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধ ও ক্ষোভের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে ছয় বছরের শিশু তায়েবাকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির আপন চাচি ও স্কুলশিক্ষিকা আয়েশা খাতুনকে মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে উল্লেখ করে আরও তিনজনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। তদন্ত শেষে চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।
মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র ও পিবিআইয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশু তায়েবা ছিল ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানার ছৈয়ালকান্দি গ্রামের বাসিন্দা টিটু সরদারের মেয়ে। স্থানীয় দারুন নাজাত মাদ্রাসার নার্সারি শ্রেণির শিক্ষার্থী তায়েবার বয়স ছিল মাত্র ছয় বছর। গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে প্রতিদিনের মতো খেলতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয় সে। এরপর আর বাড়িতে ফেরেনি।
শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। স্বজনদের পাশাপাশি স্থানীয়রাও শিশুটির সন্ধানে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেন। কিন্তু কোথাও তার সন্ধান না পাওয়ায় পরিবারের পক্ষ থেকে সখিপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। শিশুটিকে খুঁজে পেতে এলাকায় মাইকিং ও পোস্টারিংও করা হয়েছিল বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।
নিখোঁজের দুই দিন পর, ২৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে স্থানীয়দের সন্দেহের ভিত্তিতে একটি বাড়ির সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে তায়েবার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ট্যাংকের ঢাকনা খোলা অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহ উদ্ধারের পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মাত্র ছয় বছরের একটি শিশুকে কীভাবে হত্যা করা হলো এবং কারা এই নৃশংসতার সঙ্গে জড়িত, তা নিয়ে শুরু হয় নানা আলোচনা।
পরে ময়নাতদন্তে শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যার আলামত পাওয়ার কথা জানানো হয়। এ ঘটনায় তায়েবার বাবা টিটু সরদার অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। শুরুতে ঘটনাটি নিয়ে নানা ধরনের সন্দেহ ও গুঞ্জন থাকলেও তদন্ত যত এগোতে থাকে, ততই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসে।
তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশের সন্দেহের তালিকায় আসে তায়েবার আপন চাচি আয়েশা খাতুন, প্রতিবেশী নাছিমা বেগম ও রংমিস্ত্রি আসিফ ব্যাপারীর নাম। তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য ও বিভিন্ন সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্তের গতিপথ বদলে যায়। তদন্তে উঠে আসে, এই হত্যাকাণ্ড কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না; বরং শিশুটিকে হত্যার জন্য আগে থেকেই পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
পরবর্তীতে তদন্তে প্রতিবেশী শাহানাজ বেগমের সম্পৃক্ততার তথ্যও সামনে আসে। পিবিআইয়ের তদন্ত অনুযায়ী, তায়েবাকে হত্যার পরিকল্পনার সঙ্গে তার আপন চাচি আয়েশা খাতুনের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা ছিল। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অন্যদের সহায়তা নেওয়া হয়।
পিবিআই সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ঘটনার দিন বিকেলে খেলতে বের হওয়ার পর পরিকল্পনা অনুযায়ী তায়েবাকে অপেক্ষায় থাকা আয়েশা খাতুন প্রতিবেশী শাহানাজ বেগমের বাড়ির লাকড়ির ঘরে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে গলা টিপে হত্যার চেষ্টা করা হয়। একপর্যায়ে শ্বাসরোধে মৃত্যু নিশ্চিত করতে আয়েশা খাতুন শিশুটির গলায় ব্লাউজ দিয়ে ফাঁস দেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
শিশুটির মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর মরদেহ গুম করার পরিকল্পনা করা হয়। তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, আয়েশা খাতুন ও আসিফ ব্যাপারী শিশুটির মরদেহ টেনে শাহানাজ বেগমের বাড়ির সেপটিক ট্যাংকের কাছে নিয়ে যান। এরপর আসিফ ট্যাংকের ঢাকনা খুললে সেখানে মরদেহ ফেলে দেওয়া হয়। হত্যাকাণ্ডের পর শিশুটির কানের দুল খুলে নেওয়া হয়। ওই দুল শাহানাজ বেগমের হাতে দেওয়া হয়েছিল বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।
তদন্তে আরও জানা যায়, পরদিন আয়েশা খাতুনের পরামর্শে শাহানাজ বেগম বাড়ি ছেড়ে ঢাকায় চলে যান। শিশুটির কানের দুল বিক্রি করে পাওয়া ১৮ হাজার ৩০ টাকা সঙ্গে নিয়ে তিনি ঢাকায় যান বলে পিবিআই সূত্রে জানা গেছে। পরে তদন্তের অংশ হিসেবে ওই দুল বিক্রির বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হয় এবং এ সংক্রান্ত তথ্য-প্রমাণ তদন্তকারীরা সংগ্রহ করেন।
এদিকে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি জানার পরও নাছিমা বেগম তা গোপন রেখেছিলেন বলে তদন্তে প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে পিবিআই। অর্থাৎ শিশুটিকে হত্যার পর মরদেহ গুম এবং ঘটনা গোপন রাখার ক্ষেত্রেও একাধিক ব্যক্তি ভূমিকা রেখেছেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
যে বিরোধ থেকে হত্যার পরিকল্পনা:
তদন্তে তায়েবা হত্যাকাণ্ডের পেছনে পারিবারিক বিরোধের একটি দীর্ঘ ইতিহাসও সামনে এসেছে। পৈতৃক বাড়ির সীমানা নিয়ে তায়েবার বাবা টিটু সরদারের সঙ্গে তার ভাই শাহান সরদারের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের কারণে দুই পরিবারের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন ছিল বলে তদন্তে জানা যায়।
এর মধ্যে শাহান সরদার ও আয়েশা খাতুন দম্পতির বড় মেয়ে প্রেমের সম্পর্কের জেরে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে টিটু সরদার ও তার স্ত্রী বিভিন্ন সময় কটাক্ষ করতেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে আয়েশা খাতুনের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়। সেই ক্ষোভ থেকেই তায়েবার পরিবারের ওপর বড় ধরনের ক্ষতি করার পরিকল্পনা করা হয় বলে পিবিআইয়ের তদন্তে উঠে এসেছে।
তদন্তকারীদের মতে, পারিবারিক বিরোধের প্রতিশোধ নিতে গিয়ে নিষ্পাপ শিশুটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। তবে যে বিরোধই থাকুক না কেন, ছয় বছরের একটি শিশুকে হত্যার মতো ভয়াবহ ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়ার মতো নয়। তায়েবা হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। হত্যাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন।
তদন্তে উঠে আসে চারজনের নাম:
পিবিআই গোপালগঞ্জের পরিদর্শক মাইনুল ইসলাম জানিয়েছেন, তদন্তে তায়েবা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে চারজনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তারা হলেন শিশুটির আপন চাচি ও স্কুলশিক্ষিকা আয়েশা খাতুন, প্রতিবেশী শাহানাজ বেগম, রংমিস্ত্রি আসিফ ব্যাপারী এবং নাছিমা বেগম।
তদন্ত কর্মকর্তা জানান, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে প্রত্যেকের ভূমিকা তদন্তে আলাদাভাবে উঠে এসেছে। বিভিন্ন সাক্ষীর বক্তব্য, জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য, পারিপার্শ্বিক আলামত এবং অন্যান্য তদন্ত-উপাদান পর্যালোচনা করে চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।
এর আগে মামলার তদন্তে নাছিমা বেগম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তকারীরা হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পান। পরে আয়েশা খাতুন ও আসিফ ব্যাপারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শাহানাজ বেগমের সম্পৃক্ততার বিষয়টিও সামনে আসে।
আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি:
পিবিআইয়ের তদন্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উঠে এসেছে আয়েশা খাতুনের আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দির বিষয়টি। তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারের পর তিনি আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
তবে মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে আইনগতভাবে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করা হবে। তদন্তে পাওয়া তথ্য ও আদালতে দাখিল করা অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে এখন মামলাটি বিচারিক পর্যায়ে এগিয়ে যাবে।
ময়নাতদন্তেও মিলেছে হত্যার আলামত:
শিশু তায়েবার মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্ত করা হয়। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. অমিত সেনগুপ্তের বক্তব্য অনুযায়ী, শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। মরদেহ টানাহেঁচড়ার কারণে শিশুটির জননাঙ্গে আঘাতের চিহ্ন তৈরি হয়ে থাকতে পারে বলেও ধারণা করা হয়। তবে ধর্ষণের কোনো আলামত বা শুক্রাণু পাওয়া যায়নি বলে চিকিৎসক জানিয়েছেন।
এদিকে তদন্তে উঠে আসা তথ্য, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, সাক্ষীদের বক্তব্য এবং অন্যান্য আলামত পর্যালোচনা করে পিবিআই মামলার তদন্ত শেষ করেছে। তদন্ত শেষে চার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।
এক বছর পর তদন্তের নতুন অধ্যায়:
নিখোঁজের পর সেপটিক ট্যাংক থেকে ছয় বছরের তায়েবার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শুরু থেকেই এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়েছিল। প্রথম দিকে হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকলেও তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে সেই রহস্যের জট খুলতে শুরু করে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তের পর মামলাটি পিবিআইয়ের তদন্তে গেলে ঘটনাটির নেপথ্যে থাকা পরিকল্পনা, সহযোগীদের ভূমিকা এবং হত্যার পর মরদেহ গুমের চেষ্টা সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য সামনে আসে।
পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে প্রতিশোধপরায়ণতা থেকেই একটি শিশুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। হত্যার পর মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রেখে ঘটনাটি আড়াল করার চেষ্টা করা হয়। এমনকি শিশুটির কানের দুল খুলে বিক্রি করে দেওয়ার ঘটনাও তদন্তে উঠে এসেছে।
এখন তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র আদালতে জমা পড়ায় আলোচিত তায়েবা হত্যা মামলাটি বিচারিক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। নিহত শিশুটির পরিবার ও স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত বিচারিক কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা আদালতে প্রমাণিত হবে এবং দোষীদের আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হবে।
ছয় বছরের শিশু তায়েবার নির্মম হত্যাকাণ্ড শুধু একটি পরিবারের স্বজন হারানোর ঘটনা নয়, এটি পুরো সখিপুরবাসীর জন্যও ছিল গভীর শোক ও ক্ষোভের বিষয়। তদন্তে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং অভিযোগপত্র দাখিলের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ শেষ হলেও, এখন সবার দৃষ্টি আদালতের পরবর্তী কার্যক্রমের দিকে।
বিএইচ
- ১চাঁদপুরে পাট উৎপাদনে শীর্ষে সদর
- ২বাঘ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী
- ৩শিল্পখাতে গ্যাস সংকট সমাধানের আশ্বাস দিলেন প্রধানমন্ত্রী
- ৪কুলাউড়া পৌর বিএনপির কমিটি স্থগিত
- ৫ইসির সঙ্গে বৈঠকে জামায়াতের প্রতিনিধি দল
- ৬বাঘ রক্ষা করা আমাদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ
- ৭হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় জেলা প্রশাসনের ১৪৪ ধারা জারি
- ৮বেড়া উপজেলার ৫০ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষককে কারণ দর্শানো নোটিশ
- ৯আজ ঢাকার বায়ু অস্বাস্থ্যকর
- ১০ইউনিলিভার কনজুমারের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ১নড়িয়ায় স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩
- ২রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেলেন ড. সোবহান
- ৩ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক-অপরাধ দমনে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ
- ৪স্পিকারের দিকনির্দেশনা পেলেই গাজী নজরুলের এমপি পদের সিদ্ধান্ত নেবে ইসি
- ৫জুলাইয়ে অপেক্ষা করতাম, কখন জবির মিছিল আসবে: নাহিদ ইসলাম
- ৬দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু
- ৭পুলিশ জনগণকে সঙ্গে নিয়েই বাঁচবে, কারও লাঠিয়াল বাহিনী হবে না
- ৮দর বৃদ্ধির শীর্ষে আর্গন ডেনিমস
- ৯বাংলাদেশে জাপানি কোম্পানিগুলোর আরও বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
- ১০উন্নয়ন কাজে অনিয়ম হলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ব্ল্যাকলিস্টেড করা হবে





পাঠকের মতামত