নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: আগস্ট ১৭, ২০২৬ ৯:৪১ পিএম

সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দায়ের করা রিটসহ অন্যান্য মামলা প্রত্যাহার না করলে সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে কোনো ধরনের নীতি সহায়তা বা প্রণোদনা না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রোববার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট-সংক্রান্ত বিভাগের পরিচালক আবুল কালাম আজাদের সই করা এক সার্কুলারে দেশের সব ফাইন্যান্স কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা পুনর্গঠন, আর্থিক খাতকে প্রত্যাশিত অবস্থায় ফিরিয়ে আনা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এসব উদ্যোগের আওতায় ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে ঋণগ্রহীতাদের বিভিন্ন প্রণোদনা ও নীতি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

তবে কোনো কোনো গ্রাহক বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া প্রণোদনা বা নীতি সহায়তা গ্রহণ করলেও সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট ফাইন্যান্স কোম্পানির বিরুদ্ধে দায়ের করা রিট পিটিশনসহ অন্যান্য মামলা চলমান রয়েছে। এর ফলে আর্থিক খাতে মামলাজট সৃষ্টি হচ্ছে বলে সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট মামলাগুলো নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আবেদনকারী বা গ্রাহককে সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট ফাইন্যান্স কোম্পানির বিরুদ্ধে দায়ের করা রিট পিটিশনসহ অন্যান্য মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

মামলা প্রত্যাহারের পরই সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত কিংবা ভবিষ্যতে ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজসহ অন্যান্য নীতি সহায়তার জন্য করা আবেদন বিবেচনা করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, গ্রাহকের আবেদন পর্যালোচনার সময় নীতিগত সম্মতি দেওয়ার ক্ষেত্রে গ্রাহককে মামলা প্রত্যাহারের ব্যবস্থা করতে হবে। এজন্য গ্রাহককে একটি হলফনামা দিতে হবে।

হলফনামায় সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট ফাইন্যান্স কোম্পানির বিরুদ্ধে দায়ের করা কোনো মামলা অনিষ্পন্ন নেই— এমন ঘোষণা থাকতে হবে। একই সঙ্গে প্রত্যাহার করা মামলাগুলোর তালিকাও হলফনামায় উল্লেখ করতে হবে।

তবে হলফনামা দেওয়ার পর ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলো গ্রাহকের অনুকূলে অনুমোদিত নীতি সহায়তা বা প্রণোদনার শর্ত পরিবর্তন করতে পারবে না। নীতিগত সম্মতির আলোকে গ্রাহকের জন্য অনুমোদিত প্রণোদনা বা নীতি সহায়তা বাস্তবায়ন করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ফাইন্যান্স কোম্পানি আইন, ২০২৩-এর ৪১ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সার্কুলারটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

এএ

শেয়ার

পাঠকের মতামত

বিশেষ সাক্ষাৎকারে ইসলামী ব্যাংকের এমডি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি গতিশীল করতে কর্মসংস্থান ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরিই প্রধান লক্ষ্য

দেশের বেসরকারি খাতের সবচেয়ে বড় ব্যাংক হল ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রতিষ্ঠানটি ...

ইনস্যুরেন্স ইনোভেশন চ্যালেঞ্জে চ্যাম্পিয়ন পাইওনিয়ার

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় নন-লাইফ বীমা প্রতিষ্ঠান পাইওনিয়ার ইনস্যুরেন্স পিএলসি ‘ইনস্যুরেন্স ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ (আইআইসি) ২০২৬’-এ চ্যাম্পিয়ন ...