
আমদানি করা সবুজ আপেল এখন ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আঙুরের কেজিও ৫০০-৬০০ টাকা। ভালো মানের খেজুরের কেজি ১,৫০০ টাকা বা এরও বেশি। মাল্টা-কমলাসহ আমদানিকরা প্রায় সব ফলের দামই এখন চড়া। এই পরিস্থিতিতে ফলের দাম সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলার ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ নগদ জমার বাধ্যবাধকতা তুলে নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর ফলে আগের থেকে কম অর্থ ব্যাংকে জমা দিয়ে ফল আমদানির এলসি খুলতে পারবেন আমদানিকারকরা। আমদানিকৃত ফল দেশে আসার পর বাকি অর্থ জমা দিয়ে ফল বন্দর থেকে খালাস করিয়ে নিতে পারবেন তারা। এতে আমদানিকারকদের বিনিয়োগকৃত অর্থের চাপ কিছুটা কমবে।
রোববার (১৬ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার লেটার জারি করা হয়েছে।
ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, ডলারের দর বেড়ে যাওয়ায় ফলের আমদানি ব্যয় বেড়েছে। তাছাড়া ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর জারি করা ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের (বিআরপিডি) সার্কুলার লেটার নং-৪১-এর মাধ্যমে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দেশের মুদ্রা ও ঋণ ব্যবস্থাপনা অধিকতর সুসংহত রাখার লক্ষ্যে কিছু বিলাসজাতীয় পণ্য এবং অভ্যন্তরীণভাবে উৎপাদিত আমদানি বিকল্প পণ্যের আমদানি ঋণপত্র স্থাপনের ক্ষেত্রে পণ্যমূল্যের ১০০ শতাংশ নগদ জমার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। ওই পণ্যগুলোর মধ্যে ফলও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
রোববারের সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংক সেই বাধ্যবাধকতা তুলে নেয়। এখন থেকে ফল আমদানির ক্ষেত্রে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে নগদ মার্জিন নির্ধারণ করতে পারবে ব্যাংকগুলো। এতে আমদানিকৃত ফলের দামও কিছুটা কমে আসতে পারে বলে প্রত্যাশা করছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, জনসাধারণের, বিশেষ করে শিশু, রোগী, বৃদ্ধ এবং গর্ভবতী মায়ের নিত্যদিনের খাদ্য তালিকায় ফল একটি অপরিহার্য পুষ্টিকর খাদ্য উপাদান। বর্তমানে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার ও লেনদেনে কাঙ্ক্ষিত স্থিতিশীলতার ক্রমোন্নতি পরিলক্ষিত হওয়ায় ফল আমদানির ঋণপত্র স্থাপনের ক্ষেত্রে শতভাগ মার্জিনের প্রয়োজনীয়তা কমেছে।
এ অবস্থায় দেশের জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি চাহিদা পূরণের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ফল আমদানি সহজীকরণ, মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখা এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজার সৃষ্টির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।
তবে ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বরের বিআরপিডি সার্কুলার লেটার নং-৪১ এবং এর সূত্রে জারি করা অন্যান্য সার্কুলার লেটারে বর্ণিত অন্যান্য নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ২৯ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নির্দেশনাটি অবিলম্বে কার্যকর হবে, অর্থাৎ সার্কুলার জারির তারিখ থেকে কার্যকর হবে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে।
এএ
- ১রাজনগর চা বাগানে দুইজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
- ২ফলের দাম কমাতে ১০০ শতাংশ নগদ জমার বাধ্যবাধকতা বাতিল
- ৩রায়পুরা থানায় দুটি পুলিশ ভ্যান উপহার দিলেন এমপি আশরাফ
- ৪সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের এমপির গাড়ি ভাঙচুর, মামলা
- ৫খালেদার জন্মদিনে কৃষি ব্যাংকে এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের দোয়া মাহফিল
- ৬ইউজিসির অডিটে বেরোবির ২ কোটি ৩৪ লাখ টাকার আর্থিক অনিয়ম
- ৭গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট সমাধানে দুই বছর সময় লাগবে: অর্থমন্ত্রী
- ৮সরিষাবাড়ীতে নির্মাণের ২ মাসের মাথায় ধসে পড়ল গাইড ওয়াল
- ৯যবিপ্রবিতে প্রথমবারের মতো ‘স্টুডেন্ট হ্যান্ডবুক’ এর মোড়ক উন্মোচন
- ১০নোয়াখালীতে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক র্যালী ও আলোচনা সভা
- ১আজ কিশোরগঞ্জ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
- ২কমোডিটি এক্সচেঞ্জের কার্যক্রম ও সম্ভাবনা নিয়ে সিএসইর সেমিনার
- ৩নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে : প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব
- ৪রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাছাই আজ
- ৫শেখ হাসিনাসহ ৪১ আসামির বিরুদ্ধে শুনানি ৩ সেপ্টেম্বর
- ৬মানিকগঞ্জে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত
- ৭রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের মনোনয়নপত্র বৈধ
- ৮প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে অনুকূল পরিবেশ চায় ঢাকা
- ৯কাঁটাময় শরীরে কোমল ফুল, শ্রীমঙ্গলে নতুন বিস্ময় ‘ক্যাকটাস’
- ১০জনগণের ভাগ্যের উন্নয়নই সরকারের মূল লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী





পাঠকের মতামত