

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনিয়ম-লুটপাট আর জালিয়াতির আখড়ায় পরিণত হয়েছিল দেশের ব্যাংক খাত। কাগুজে প্রতিষ্ঠান খুলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ঋণের নামে লুটে নিয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকা। লুটের শিকার হওয়া ব্যাংকগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি। আইএফআইসি ব্যাংকের মালিকানায় ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা এবং বিতর্কিত ব্যবসায়ী সালমান এফ রহমান। তিনি এক সময় ব্যাংকটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বেও ছিলেন। পরবর্তীতে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব ছাড়লেও ব্যাংকটি তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে ছিল। ওই সময়ে ভুয়া নাম ব্যবহার করে ব্যাংকটি থেকে ১৩ হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ নিয়েছে ২৮টি প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে যার পুরোটাই খেলাপি।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা ছাড়ার পর একই বছরের ৪ সেপ্টেম্বর সালমান এফ রহমানের নিয়ন্ত্রিত পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে নতুন পর্ষদ গঠন করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংক খাত সংস্কারের অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বেশ কয়েকটি ব্যাংকের এমডিকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিলেও আইএফআইসি ব্যাংকে সালমান এফ রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী নিয়োগ দেয়া ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ মনসুর মোস্তফাকে বহাল তবিয়তেই রাখে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বেনামী ঋণে যারা সহায়তা করেছে তাদের মধ্যে বর্তমান এমডি সৈয়দ মনসুর মোস্তফাও একজন।
যদিও তিনি ২০২৪ সালের ১৩ মে তিনি এমডির দায়িত্ব পান। তবে তার সময়েও ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে নেয়া ঋণের সীমা বৃদ্ধি হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুন ও জুলাই মাসে গ্লোয়িং কন্ট্রাকশন এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ভিস্তা ইন্টারন্যাশনাল ও স্কাইমার্ক ইন্টারন্যাশনালসহ আরও দুইটি প্রতিষ্ঠানের ঋণ সীমা নিয়ম বহির্ভুতভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। মাত্র দেড় বছরের কোম্পানি, ঋণ পরিশোধের ছিল না সক্ষমতা, ব্যবসার ধরণ আমদানি-রপ্তানি দেখালেও আমদানি-রপ্তানির ছিল না কোনো তথ্য, প্রাক্কলিত নগদ প্রবাহ কম থাকলেও প্রাক্কলিত নিট মুনাফা দেখানো হয়েছে অনেক বেশি, আইসিআরআর একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ে এবং ব্যবসায়িক প্রোফাইলেও রয়েছে বড় অসামঞ্জস্যতা, তারপরও এমন তিনটি কাগুজে প্রতিষ্ঠানকে ৬৭৫ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছিল আইএফআইসি ব্যাংক। শুধু এখানেই শেষ নয়, বর্তমান এমডির সময়ে ২০২৪ সালের ২৪ জুন আবার এই তিন ভুয়া প্রতিষ্ঠানের ঋণ সীমা ৯৬০ কোটি টাকা বৃদ্ধি করেছে ব্যাংকটি।
এছাড়া এমডি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার আগে তিনি একই ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ও হেড অব ইন্টারন্যাশনাল ডিভিশন, চিফ ক্রেডিট অফিসার (প্রধান ঋণ কর্মকর্তা), চিফ রিস্ক অফিসার ও চিফ অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। নথিতে উল্লেখ আছে, তিনি ২০১৫ সালে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে আইএফআইসি ব্যাংকে যোগদান করেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, বিগত দিনে ব্যাংকটিতে যখন ঋণের নামে লুটপাট হয় তখন বর্তমান এমডি ব্যাংকটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। এমনকি তিনি এমডি হওয়ার পরও ভুয়া লোনের সীমা বৃদ্ধি হয়েছে। এসবে তার দায় আছে। তারপরও ৫ আগস্টের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাকে এমডির পদ থেকে সরায়নি সেটা সবার কাছেই ক্লিয়ার।
এ বিষয়ে কথা বললে অর্থনীতিবিদ ও পিটিইআরসি’র চেয়ারম্যান মাজেদুল হক বাণিজ্য প্রতিদিনকে বলেন, ব্যাংক খাতে যত লুটপাট হয়েছে তার অধিকাংশই হয়েছে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে। আর অনিয়মে কর্মকর্তারাও টিকে থাকার জন্য রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখে।
তিনি বলেন, ৫ আগস্টের আগে যার আমলে বেনামে নেয়া ঋণের সীমা আবার নিয়ম বহির্ভুতভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে তাকে তো এ পদে রাখার কথা না। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উচিত তার বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া। কারণ সরকার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক সবাই ব্যাংক খাত সংস্কার নিয়ে কথা বলছে। অনিয়মে সহায়তাকারী ব্যক্তিদের পদে বসিয়ে রেখে কি সংস্কার হবে?
এ বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খানের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন দিলেও রিসিভ হয়নি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের ডেপুটি গভর্নর ড. কবির আহমদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বাণিজ্য প্রতিদিনকে বলেন, বিষয়টি আমাদের মাননীয় গভর্নর স্যারকে বলেন, যাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তদন্ত করতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২৪ জুন এবং ১ জুলাই অনুষ্ঠিত আইএফআইসি ব্যাংকের ৮৮৭ ও ৮৮৯তম বোর্ড সভায় তিনটি প্রতিষ্ঠানের (গ্লোয়িং কন্ট্রাকশন এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ভিস্তা ইন্টারন্যাশনাল ও স্কাইমার্ক ইন্টারন্যাশনাল) ঋণ সীমা (ওডি) ৯৬০ কোটি টাকা বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। এছাড়া ৮৯১তম বোর্ড সভায় এভারেস্ট এন্টারপ্রাইজ লি. ও এক্সিস বিজনেস লি. এর ঋণ সীমা বৃদ্ধি করা হয়। ওই সময় সৈয়দ মনসুর মোস্তফা ব্যাংকটির এমডির দায়িত্বে ছিলেন।
প্রতিষ্ঠানগুলো সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানসমূহের অনুকূলে হিসাব খোলার মাত্র দেড় বছরের মধ্যে ৩টি প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে সর্বমোট ৯৬০ কোটি টাকার ওডি (অন্যান্য) ঋণের সীমা বৃদ্ধিসহ মোট স্থিতি ১৬৩৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা ঋণের সদ্ব্যবহার বিষয়ক অনিশ্চয়তার ঝুঁকি তৈরি করে। এছাড়া, পরিচালকগণ আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রমের সাথে জড়িত থাকলেও স্মারক পর্যালোচনায় তাদের আমদানি রপ্তানি সংক্রান্ত কোনো তথ্য যেমন: রপ্তানি/আমদানির পরিমাণ, পণ্যের বিস্তারিত বিবরণ, আমদানিকৃত পণ্যের দেশ বা উৎপত্তি, ট্রাক রিসিট প্রভৃতি পাওয়া যায় না।
এছাড়া, প্রতিষ্ঠান তিনটির ঋণ পরিশোধ ও সক্ষমতা যাচাই সংক্রান্ত বিষয়ে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠান ৩ টির ব্যবসায়িক সাফল্য ও ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা যাচাই সংক্রান্ত লিভারেজ রেশিও, তারল্য, পরিচালন দক্ষতা, এবং উপার্জন সক্ষমতা অগ্রহণযোগ্য পর্যায়ে এবং অন্যান্য নির্দেশকসমূহ প্রান্তিক পর্যায়ে রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভিস্তা ইন্টারন্যাশনাল লি. হিসাব খুলেছে ২০২২ সালের ১০ অক্টোবর। চলতি বছরের জুন পর্যন্ত আইএফআইসি ব্যাংকের প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যামন ঋণ ছিল ১৮০ কোটি টাকা। আর প্রতিষ্ঠানটির ঋণ সীমা আরও (ওডি) বৃদ্ধি করেছে ২৯০ কোটি টাকা। এটার মোট ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৪৭০ কোটি টাকা। জামানতের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি ৬ মাসের ডেফারেল সুবিধা নিয়েছে। এছাড়া, প্রতিষ্ঠানটির ইন্টারনাল ক্রেডিট রিস্ক রেটিং (আইসিআরআর) অন্যান্য সূচকগুলোই একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ে রয়েছে। আর তাদের ব্যবসার ধরণে আমদানি রপ্তানির কথা বলা হলেও আমদানি-রপ্তানির কোনো বিস্তারিত তথ্য তারা প্রদর্শন করেনি।
তথ্যানুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি ২০২৪ সালের প্রাক্কলিত নগদ প্রবাহ ধরা হয়েছে মাত্র শূন্য দশমিক শূন্য ১ কোটি টাকা। কিন্তু প্রাক্কলিত নিট মুনাফা দেখিয়েছে ৯১ দশমিক ৮৯ কোটি টাকা। যেটা মাটেও বাস্তবসম্মত নয়। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির নিট ওয়ার্থ শূন্য দশমিক ৭৭ কোটি টাকা। আর পরিচালকদের নিট ওয়ার্থ শূন্য দশমিক ২৮ কোটি টাকা। আর পরিশোধিত মূলধন রয়েছে মাত্র ১ কোটি টাকা।
এছাড়া, প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসায়িক প্রোফাইলের বাস্তবতার সাথে বিস্তর অসামঞ্জস্যতা লক্ষ্য করা যায়। ভিস্তা ইন্টারন্যাশনাল লিঃ এর ক্ষেত্রে মাত্র ১ বছরের ব্যবধানে নিরীক্ষিত ও অনিরীক্ষিত পরিচালন মুনাফা, নিট মুনাফা ও নেট ওয়ার্থ এর মধ্যে যথাক্রমে ২,৩৬৭.৫২%, ১১,৮১৭.৯০% ও ১১,৯১৭.৯০% পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়েছে।
প্রতিবেদন বলছে, স্কাইমার্ক ইন্টারন্যাশনাল লি. হিসাব খুলেছে ২০২২ সালের ৩ আগস্ট। জুন শেষে প্রতিষ্ঠানটির ঋণের স্থিতি ছিল ১৪৫ কোটি টাকা। আর প্রতিষ্ঠানটির ঋণ সীমা বৃদ্ধি করেছে ৪০০ কোটি টাকা। প্রতিষ্ঠানটির মোট ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৫৪৫ কোটি টাকা। জামানতের ক্ষেত্রে ডেফারেল সুবিধা নিয়েছে ৬ মাস। প্রতিষ্ঠানটির ইন্টারনাল ক্রেডিট রিস্ক রেটিং (আইসিআরআর) অন্যান্য সূচকগুলোই একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ে রয়েছে।
তথ্য বলছে, প্রতিষ্ঠানটি ২০২৪ সালের প্রাক্কলিত নগদ প্রবাহ দেখিয়েছে মাত্র শূন্য দশমিক শূন্য ৪ কোটি টাকা। কিন্তু একই বছরের প্রাক্কলিত নিট মুনাফা দেখিয়েছে ৭৯ দশমিক ১৩ কোটি টাকা। যেটা সম্পূর্ণ অবাস্তব। আর প্রতিষ্ঠানটির পরিশোধিত মূলধন হল ১ কোটি টাকা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্লোয়িং কন্ট্রাকশন এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লি. হিসাব খুলেছে ২০২২ সালের ১৩ ডিসেম্বর। আইএফআইসি ব্যাংকের প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান ঋণের স্থিতি ৩৫০ কোটি টাকা। আর নতুনভাবে আরও অনুমোদন দিয়েছে ২৭০ কোটি টাকা। প্রতিষ্ঠানটির মোট ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৬২০ কোটি টাকা।
প্রতিবেদন বলছে, প্রতিষ্ঠানটির ইন্টারনাল ক্রেডিট রিস্ক রেটিং (আইসিআরআর) অন্যান্য সূচকগুলোই একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ে রয়েছে। জামানতের ক্ষেত্রেও তিন মাসের ডেফারেল সুবিধা নিয়েছে।
প্রতিষ্ঠান তিনটির দেয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক তার প্রতিবেদনে বলেছে, ২০২৪ সালে দুটি প্রতিষ্ঠানের নগদ প্রবাহ মাত্র ০.০১ কোটি টাকা ও ০.০৪ কোটি টাকা ধরা হলেও প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রাক্কলিত নিট মুনাফার পরিমাণ যথাক্রমে ১৩৭.০৮ কোটি টাকা, ৯১.৮৯ কোটি টাকা ও ৭৯.১৩ কোটি টাকা এবং প্রাক্কলিত নিট ওয়ার্থের পরিমাণ যথাক্রমে ১৩৮.০৮ কোটি টাকা, ৯২.৬৬ কোটি টাকা ও ৮১.১০ কোটি টাকা, যা মোটেই বাস্তবসম্মত নয় মর্মে প্রতীয়মান হয়। ঋণের সোর্স অব পেমেন্ট হিসাবে গ্রাহকের নিজস্ব সোর্সের কথা উল্লেখ থাকলেও গ্রাহকগণের অন্যান্য ব্যবসা সংশ্লিষ্ট স্টক রিপোর্ট এর তথ্য স্মারকে নেই এবং পরিচালকগণের নিট ওয়ার্থ এর পরিমাণ প্রদত্ত ঋণের চেয়ে অনেক কম। ৩টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিটির পরিশোধিত মূলধন মাত্র ১ (এক) কোটি টাকা। এছাড়াও, প্রতিষ্ঠান ৩টির নিজ নামে বা পরিচালকগণের নামে বা অপর কোন গ্রুপের নামে ব্যাংকিং খাতে কোন দায় না থাকায় সিআইবি পর্যালোচনায় গ্রাহকের পরিশোধ আচরণ যাচাই করার কোন সুযোগ নেই।
এছাড়া, অ্যাক্সিস বিজনেস লি. এর ১৮২ কোটি টাকার ঋণের সীমা বাড়িয়ে করা হয় ৫৮২ কোটি টাকা। যেটার বর্তমান স্থিতি ৬৪৪ কোটি ২৪ লাখ টাকা। আর এভারেস্ট এন্টারপ্রাইজ এর ৪৫০ কোটি টাকার ঋণের সীমা বাড়িয়ে করা হয় ৫৫৫ কোটি টাকা। যেটার বর্তমান স্থিতি ৬০৫ কোটি ২৮ লাখ।
এ বিষয়ে জানতে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ মনসুর মোস্তফার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এরপর তার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে বিষয়টি উল্লেখ করে মেসেজ দিলেও তিনি কোনো জবাব দেননি।
এএ
- ১চাঁদপুরে ভরণ-পোষণ দাবি করায় মা’কে হত্যাচেষ্টা
- ২স্থানীয় সরকার কার্যকর হলেই গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রব্যবস্থা শক্তিশালী হবে
- ৩স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল আগস্টে, প্রথম ধাপের ভোট অক্টোবরে
- ৪বন্যাকবলিত ৪,৫০০ পরিবারের পাশে ব্র্যাক ব্যাংক
- ৫সুন্দরবনে ৩০ কেজি হরিণের মাংস জব্দ, আটক ১
- ৬মরণনেশা ক্যাসিনো আসক্তিতে এক তরুণের মৃত্যু
- ৭সৌদির বিরুদ্ধে হুথিদের নৌ অবরোধ ঘোষণার নিন্দা জানাল বাংলাদেশ
- ৮সুন্দরবনের ৮ হাজার ২৭১ জেলে পরিবারের জন্য ভিজিএফ চাল বরাদ্দ
- ৯গ্যাস সংকট সাময়িক, দু-তিন দিনের মধ্যেই সমাধান: যুগ্ম সচিব
- ১০দ্বিতীয় ধাপে শৈলকুপার ২ হাজার ৫০০ জন পাবেন কৃষক কার্ড
- ১চলতি অর্থবছরে ৫০ আন্তর্জাতিক মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশ
- ২এক মাসে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকা বেড়েছে ৫০ হাজার কোটি
- ৩নতুন বিনিয়োগ সৃষ্টি ও ব্যবসার সম্প্রসারণে কাজ করছে সরকার
- ৪একনেক সভায় ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন
- ৫সরকারের প্রতিজ্ঞা ভাঙ্গার কারণে সবকিছু হতাশায় পরিণত হয়েছে
- ৬ভরা মৌসুমে চাঁদপুরে মাছঘাটে প্রচুর পাঙ্গাস আমদানি
- ৭সব পক্ষকে ধৈর্য ধরার আহ্বান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর
- ৮কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ সুপার মার্কেটের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
- ৯এমপি গাজী নজরুলকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার
- ১০নামজারিতে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তি: আব্দুল মান্নান





পাঠকের মতামত