
সবুজ ও নির্মল ক্যাম্পাস গড়ে তোলার প্রত্যয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় খুলনা জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতি।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরের অনুষদ ভবনের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি।
এর আগে মীর মুগ্ধ সরোবর ও বোটানিক্যাল গার্ডেনে বিলাতি গাব ও আমের চারা রোপণ এবং খালেদা জিয়া হল ও উম্মুল মুমিনীন আয়েশা সিদ্দিকা(রা) হল নিকটস্থ পেয়ারা বাগানে বিলাতি গাবের বীজ বপন করে সংগঠনটি। পাশাপাশি শাহ আজিজুর রহমান হলেও বীজ বপন ও গাছ লাগান তারা।
আনুষ্ঠানিক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সংগঠনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সৈয়দ মাকসুদুর রহমান, অধ্যাপক ড. আব্দুল গফুর গাজী, সভাপতি সাজ্জাতুল্লাহ শেখ-সহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
খুলনা জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির উপদেষ্টা প্রফেসর ড. সৈয়দ মাকসুদুর রহমান বলেন, ”বৃক্ষ আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বিশুদ্ধ বায়ু নিশ্চিত এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি রোপিত গাছের যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণও আমাদের সবার দায়িত্ব। গাব গাছ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাদের কাছে আমার প্রত্যাশা থাকবে, তারা যেন রোপিত গাছগুলোর পরিচর্যা করে। আমরা আশা করি, খুলনা জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে।
খুলনা জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আব্দুল গফুর গাজী বলেন, “খুলনা জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির এই মহতী ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে আমরা আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানাই। একই সঙ্গে প্রত্যাশা করি, এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং পরিবেশের সুরক্ষা ও সবুজ ক্যাম্পাস গড়ার লক্ষ্যে সংগঠনটি আরও ব্যাপকভাবে এমন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।”
জেলা কল্যাণের সভাপতি সাজ্জাতুল্লাহ শেখ বলেন, “আমার দীর্ঘদিনের পর্যবেক্ষণে ক্যাম্পাস, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ এলাকায় আমরা বিলাতি গাব গাছ দেখিনি। অথচ এই গাছটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং এর ফল খুবই সুস্বাদু। তাই খুলনা থেকে আমরা এই বিলাতি গাব গাছ এনেছি। ক্যাম্পাসের পরিবেশ রক্ষা ও সুস্বাদু এই ফল মানুষ ও পশু-পাখির আহারের জন্য আমরা এই গাছ লাগিয়েছি। আমরা আশাবাদী এ বৃক্ষ আশেপাশের এলাকায় ছড়িয়ে যাবে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও মানুষের কল্যাণে কাজে আসবে। আমাদের বৃক্ষরোপন কর্মসূচি এখানেই শেষ নয়। পরবর্তীতে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”
এনজে
- ১অতিরিক্ত বন্দির চাপে দুর্ধর্ষ আসামিদের আলাদা রাখা যাচ্ছে না
- ২সিরাজগঞ্জে যুবদল নেতা সুজন হত্যা, স্ত্রীসহ দুজনের যাবজ্জীবন
- ৩রাষ্ট্রপতি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট খারিজ
- ৪নীতিমালা উপেক্ষা করে ইবিতে সভাপতি নিয়োগ, তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ
- ৫মাদারীপুরে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা ও ছানি ক্যাম্প
- ৬রাত হলেই কপোতাক্ষ নদীর শামুক শিকার, ধ্বংসের মুখে জীববৈচিত্র
- ৭গোপালগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২৫
- ৮বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে যমুনা ব্যাংকের চুক্তি
- ৯প্রাথমিক স্তর থেকেই শিশুদের খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে
- ১০বাকৃবির ৬৬ তম প্রতিষ্ঠাদিবস উদযাপন
- ১ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণে ন্যাশনাল ব্যাংকের ‘সিএএসএ’ ক্যাম্পেইন
- ২এসএসসিতে ১২ লাখ খাতা চ্যালেঞ্জের আবেদন, আরও বাড়তে পারে
- ৩উপসচিব হলেন ২৭৭ কর্মকর্তা
- ৪দুদক কমিশনার হলেন সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া
- ৫আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার না করলে নীতি সহায়তা নয়
- ৬বিগত ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে
- ৭এপ্রিল-মার্চে হবে অর্থবছর, ২০২৭-২৮ হবে ৯ মাসের
- ৮বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদই মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার শক্তিশালী দর্শন
- ৯রাজস্ব নিয়ে জনগণের বিভ্রান্তি দূর করাই চ্যালেঞ্জ: প্রধানমন্ত্রী
- ১০মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ, বাস্তবায়ন দুই ধাপে





পাঠকের মতামত