
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের ভিটিবিশাড়া গ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত যমুনা খাল খননের নামে কৃষিজমি নষ্ট এবং নিয়মবহির্ভূতভাবে মাটি বিক্রির অভিযোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন এলাকাবাসী।
সোমবার (১ জুন) দুপুরে ভিটিবিশাড়া এলাকার খননকৃত খালসংলগ্ন খলাঘাট সেতুর ওপর এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে স্থানীয় কৃষক, জমির মালিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তব্য দেন বিল্লাল সরকার, সাইদুল ইসলাম, তুহিন সরকার, সজল সরকার, মো. আসাদুজ্জামান, আল আমিন, আবু মুসা ও লতিফ হোসেন প্রমুখ।
বক্তারা অভিযোগ করেন, এলাকার অধিকাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। সীমিত আবাদি জমিই তাদের জীবিকার প্রধান অবলম্বন। কিন্তু খাল খননের নামে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল নিয়মবহির্ভূতভাবে ব্যাপক পরিমাণ মাটি কাটছে এবং সেই মাটি বিক্রি করছে। এতে খালের দুই পাশের ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে ভাঙনের কারণে বসতবাড়িও ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে দাবি করেন তারা।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, খাল খননের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন ও পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করার উদ্যোগকে তারা স্বাগত জানান। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যথাযথ নিয়মনীতি অনুসরণ করতে হবে। খাল খননের আড়ালে কৃষিজমি ধ্বংস কিংবা মাটি বাণিজ্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
তারা অভিযোগ করেন, খননকাজ শুরুর আগে স্থানীয় কৃষক ও খালের দুই পাশের জমির মালিকদের সঙ্গে কোনো ধরনের মতবিনিময় করা হয়নি। এমনকি স্থানীয়রা একাধিকবার প্রকল্পের নকশা, ব্যয়ের হিসাব ও প্রাক্কলন (এস্টিমেট) দেখতে চাইলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা দেখাতে রাজি হয়নি।
স্থানীয় কৃষক লতিফ হোসেন বলেন, “খালটি ৮ ফুট গভীর করার কথা থাকলেও অনেক স্থানে ২০ ফুট পর্যন্ত খনন করা হয়েছে। অতিরিক্ত মাটি কেটে বিক্রি করায় কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কৃষকদের শেষ সম্বল আবাদি জমিও রক্ষা পাচ্ছে না। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”
স্থানীয় বাসিন্দা বিল্লাল হোসেন বলেন, “প্রকল্পের কাজ শুরুর আগে এলাকার মানুষের মতামত নেওয়া হয়নি। আমরা নকশা ও প্রাক্কলন দেখতে চাইলেও তা দেখানো হয়নি। এতে প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।”
মানববন্ধন থেকে এলাকাবাসী খাল খনন প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, কৃষিজমি রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত তদন্তের দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) খালিদ বিন মনসুর বলেন, মানববন্ধনের বিষয়টি তার জানা নেই। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন তিনি।
তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
টিআর
- ১এনএসইজেডে ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে এমইপি, তৈরি হবে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম
- ২১৬ বছরে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে: চট্টগ্রামে আইনমন্ত্রী
- ৩খানজাহান আলী বিমানবন্দর চালু হলে বদলে যাবে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতি
- ৪বাজারের ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক
- ৫অনেক বছর পরে মানিকগঞ্জবাসীর স্বপ্ন পূরণের সুযোগ এসেছে: পর্যটন মন্ত্রী
- ৬নড়াইলে দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি সম্পন্ন
- ৭তালিকাভুক্ত কোম্পানিতে নারী স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগের সময় বাড়াল বিএসইসি
- ৮জুলাই নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে ইবিতে ‘রিমেম্বারিং জুলাই’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত
- ৯২৫ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৮ হাজার ৪৭ কোটি টাকা
- ১০মাদারীপুরে দুই প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা
- ১সার্ককে আরও গতিশীল করতে চায় বাংলাদেশ-মালদ্বীপ
- ২কোনো একসময় বাংলাদেশ বিশ্বকাপ ফুটবল খেলবে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
- ৩তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান
- ৪চলতি অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার
- ৫বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
- ৬সিরিয়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ৩৫
- ৭সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ সরকার পর্যালোচনা করছে
- ৮চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
- ৯চাঁদপুর জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ার বাবলু মারা গেছেন
- ১০সরকারের পাঁচ মাসেই নানা কথা শুরু হয়েছে, সুযোগ হারানো যাবে না





পাঠকের মতামত