নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: জুলাই ১৩, ২০২৬ ৪:০৭ পিএম

ভারতের অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফেরার ঘোষণা নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগের যারা নেতাকর্মীরা পালিয়ে আছেন, লুকিয়ে আছেন তাদের জাগ্রত করার জন্য, উজ্জীবিত করার জন্য বলছেন তিনি এ কথা বলছেন। এ ছাড়া তো কোনো কারণ আমি দেখছি না।

সোমবার (১৩ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তিনি যদি আত্মসমর্পণ করেন তাহলে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী ওনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হবে, ওনাকে জেলে যেতে হবে এবং পরবর্তী পদক্ষেপে আইন আইনের মতো চলবে। আসামি যদি আত্মসমর্পণ না করে বিদেশে থেকে বক্তব্য দেয় আমি মনে করি, রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগের যারা নেতাকর্মীরা পালিয়ে আছেন, লুকিয়ে আছেন তাদের জাগ্রত করার জন্য, উজ্জীবিত করার জন্য বলছেন। এ ছাড়া তো কোনো কারণ আমি দেখছি না।

তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে এরইমধ্যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যেকোনো দেশের সঙ্গে আমাদের যে প্রক্রিয়া আছে কূটনীতিতে সেটা চলছে এবং যে কোনো আসামি যদি আত্মসমর্পণ করে বাংলাদেশের বিদ্যমান আইনের আওতায় যা প্রয়োজন সেটাই হবে।

শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, উনি কি ভারতের নাগরিক? তাহলে ওখানে থানায় কি করবে না করবে এটা ওনার ব্যাপার, সেটাতো আমার ব্যাপার না। একটা আসামি কোথায় আত্মসমর্পণ করবে এটা একেবারে ওনার ব্যাপার এবং এখানে সরকারের কোনো বিষয় না। উনি বিদেশে বাংলাদেশের মিশনে আত্মসমর্পণ করুক বা বাংলাদেশে এসে আত্মসমর্পণ করুক, প্রক্রিয়া একই ওনাকে জেলে যেতে হবে, ওনার যে সাজা তার মুখোমুখি হতে হবে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, একজন আসামি কি বক্তব্য দেয়, সেটা বাংলাদেশ সরকারের আমলে নেওয়ার কথা না এবং নেবে না। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী সাজা হয়েছে এরইমধ্যে তিনি সাজাপ্রাপ্ত। আমাদের যে প্রক্রিয়া সেটা আগে থেকে চলমান আছে। এটা নতুন করে আর নতুন প্রক্রিয়ায় চলার কোনো অবস্থা নেই।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শেখ হাসিনার ভারতে বসে দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদ জানানো হতো। বর্তমান সরকার এ বিষয়ে ভারতকে বলবে কি না-এমন প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সবকিছু বিবৃতি দিয়ে আপনাদের বলার কিছু নেই। ভারতের সঙ্গে আমাদের যে চলমান কথাবার্তা হয়, আলাপ হয়, বিনিময় হয় তখন এ বিষয় আলোচনায় থাকে। একজন আসামি যদি দেশের বাইরে থাকে সে আত্মসমর্পণ করুক বা না করুক তার জন্য বিচার একই হবে। আমাদের যে প্রক্রিয়া সরকার থেকে চলছে সেটা চলমান আছে।

বিএইচ

শেয়ার

পাঠকের মতামত

‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ডব্লিউএফপির সহযোগিতা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) সহযোগিতা চেয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ...

পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী পলিথিন ব্যবহার বন্ধে জনসচেতনতা ও আইনের কঠোর প্রয়োগ জরুরি

পরিবেশ দূষণ রোধে নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট আইনের কঠোর প্রয়োগের ...

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের নেতাদের বৈঠক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের নেতারা। সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে বাংলাদেশ ...