
- বর্তমানে খেলাপি ঋণ ৯৪ হাজার ৪৪০ কোটি
- মোট বিতরণ করা ঋণের ৮ দশমিক ৮৮ শতাংশ
- মার্চে খেলাপি ঋণ ছিল ৯২ হাজার ৫১০ কোটি
গত কয়েক বছরে দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের আলোচনা বেশ গুরুত্ব পেয়েছে। প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ায় এই আলোচনা জোড়ালো হয়েছে। তবে আশার কথা হলো-মহামারি করোনার প্রভাবে দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমেছে। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমেছে এক হাজার ৭২৬ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৯৪ হাজার ৪৪০ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। যা মোট বিতরণ করা ঋণের ৮ দশমিক ৮৮ শতাংশ। যা জুন মাস শেষে ছিল ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ।
তবে তিন মাসে এক হাজার ৭২৬ কোটি টাকা খেলাপি ঋণ কমাকে ইতিবাচকভাবে দেখতে চান না অর্থনীতিবিদরা। তারা মনে করছেন, করোনাকালীন সময়ে সরকার খেলাপি ঋণের বিষয়ে ছাড় দেয়ায় এই সংখ্যা বেড়েছে। বেধে দেয়া সময় অতিক্রম করার পর খেলাপির পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে পারে।
জানা গেছে, বিশ্বব্যাপী শুরু হওয়া করোনাভাইরাসের প্রভাবে সঙ্কটাপন্ন অর্থনীতির গতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার ঋণ খেলাপিদের কিছুটা সুবিধা দেয়। সুবিধার আওতায় চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত কিস্তি না দিলেও ঋণ গ্রহীতাকে খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে গত ২৮ সেপ্টম্বর এমন একটি নির্দেশনা জারি করা হয়। সেই নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের কোনো কিস্তি পরিশোধ না করলেও গ্রহিতা খেলাপি হিসেবে বিবেচিত হবেন না। এ সময়ের মধ্যে ঋণ/বিনিয়োগের ওপর কোনোরকম দণ্ড, সুদ বা অতিরিক্ত ফি (যে নামেই অভিহিত করা হোক না কেন) আরোপ করা যাবে না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত মার্চে খেলাপি ঋণ ছিল ৯২ হাজার ৫১০ কোটি টাকা। জুনে তা কিছুটা বেড়ে ৯৬ হাজার কোটি টাকা হয়।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের(বিআইবিএম)এক সমীক্ষায় বলা হয়, খেলাপি ঋণের মধ্যে একেবারে শেষে ধাপ ‘মন্দ ঋণ’। ২০১৯ সালে মন্দ মানের খেলাপি ঋণ ছিল ৮৬ শতাংশেরও বেশি। এ ধরনের ঋণ আদায়ের সম্ভাবনা কম থাকে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, জুনে খেলাপি ঋণ বাড়ার কারণ ছিল ভিন্ন। ঋণ পুনঃতফসিলের অনুমোদন নিয়ে অনেক ব্যাংক শেষ পর্যন্ত তা করতে পারেনি। ফলে করোনার মধ্যে খেলাপি ঋণ বেড়েছিল।
ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, এবার খেলাপি ঋণ কমেছে। কারণ নতুন করে খেলাপি হচ্ছে না। আবার অনেকে পুরোনো ঋণ পরিশোধ করছেন, পুনঃতফসিলও করছেন।
তবে সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, আগামীতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে খেলাপি ঋণ আবার বাড়বে।
বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৯৪ হাজার কোটি টাকার বেশি, সেটাই অনেক। এর মধ্যে তিন মাসে মাত্র দুই হাজার কোটি কমাটা খুব বেশি গুরুত্ব বহন করে না। তবে আরও কিছু সময় দেখে বোঝা যাবে অবস্থাটা কেমন দাঁড়াবে। চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকের ঋণ আদায়ে শিথিলতা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ সময় শেষে মোট খেলাপি বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।
- ১জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ প্রভাবে আজ ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর
- ২বড়লেখায় জুলাই শহীদদের স্মরণে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপন কর্মসূচি
- ৩সাউথইস্ট ব্যাংকের কর্পোরেট পরিচালকের শেয়ার বিক্রয়ের ঘোষণা
- ৪চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলতে পারেন হামজা চৌধুরী
- ৫চাঁদপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে প্রবাসীর মৃত্যুর অভিযোগ
- ৬শেরপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত
- ৭গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে চরফ্যাশনে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল
- ৮প্রথমবারের মতো পর্তুগালে রেনাটার ওষুধ রপ্তানি
- ৯সূচকের মিশ্রাবস্থায় চলছে লেনদেন
- ১০ভরিতে ৯৮৫৬ টাকা বাড়লো সোনার দাম
- ১শহীদদের আত্মত্যাগ জাতির চিরন্তন অনুপ্রেরণা: ইউএনও রোমানা আফরোজ
- ২কুবিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে ‘দায়সারা’ আয়োজনের অভিযোগ
- ৩জুলাইয়ের ডকুমেন্টারি ঘিরে রাষ্ট্রপতির সামনেই হট্টগোল
- ৪কয়রায় দুঃস্থ ও অসহায়দের মাঝে ব্যাটারিচালিত ভ্যান বিতরণ
- ৫কুষ্টিয়ায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা
- ৬ময়মনসিংহে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন
- ৭যে ডকুমেন্টারিতে আবু সাঈদের ছবি নেই, সেটা কোনো ডকুমেন্টারি নয়
- ৮চাঁদপুরে শহীদ পরিবারের আকুতি, আমরা টাকা চাইনা হত্যার বিচার চাই
- ৯সন্ত্রাসমুক্ত জঙ্গল সলিমপুর গঠনে প্রস্তুত প্রশাসন : জানালেন ডিআইজি ও এসপি
- ১০২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের ঘাটতি ৮৭ হাজার কোটি টাকা





পাঠকের মতামত