
দেশের অন্যতম বৃহত্তম কৃত্রিম জলাশয় কাপ্তাই লেকটি পার্বত্য জেলা রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে। রয়েছে উঁচু-নিচু পাহাড়, পাহাড়ের পাশে বয়ে চলা আঁকাবাঁকা কর্ণফুলী নদী। আর নদীর ধারে গড়ে ওঠা পর্যটন কেন্দ্রগুলো যেনো মায়াবী হাতছানিতে ডাকে পর্যটকদের।
অন্যান্যবার ঈদ উপলক্ষে পর্যটন পর্যটকের ঢল নামলেও এবার পর্যটক শূন্য হয়ে ফাঁকা পড়ে থাকবে রাঙামাটির পর্যটন কেন্দ্রগুলো।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি কাপ্তাইয়ে চমৎকার কিছু পর্যটনকেন্দ্র রয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম কাপ্তাই প্রশান্তি পার্ক, জুম রেস্তোরা, বনশ্রী পর্যটনকেন্দ্র, লেক প্যারাডাইস, লেকশোর পিকনিক স্পট, জীপতলি পিকনিক স্পট, বেরাইন্না লেক, লেকভিউ আইল্যান্ড-সহ বিভিন্ন জনপ্রিয় কেন্দ্র।
এসব কেন্দ্রে ঈদ উপলক্ষে কাপ্তাই ছাড়াও রাঙ্গুনিয়া, রাউজান, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পর্যটকের আগমন ঘটতো। কিন্তু এবার অন্য রকম একটা সময়। এর আগে কখনও কাপ্তাইয়ের পর্যটনের ইতিহাসে এমন মন্দা আসেনি। এবার ঈদে কেন্দ্রগুলো পর্যটক শূন্য হয়ে প্রাণহীন পড়ে থাকবে।
কাপ্তাই শিলছড়ি বনশ্রী পর্যটন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী রুবাইয়াৎ আক্তার জানান, করোনাভাইরাসের ফলে প্রায় তিন মাস হলো বনশ্রীসহ কাপ্তাইয়ে সব কয়টি পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। প্রতি বছর ঈদে হাজার হাজার পর্যটক কাপ্তাইয়ের বিভন্ন পর্যটনকেন্দ্রে আসতো। এবার আর সেটা হবে না। এতে লাখ লাখ টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছে পর্যটন কেন্দ্রগুলো।
প্রকৌশলী রুবাইয়াৎ আক্তার বলেন, ‘ঝড়ো হাওয়ায় কর্ণফুলী নদীর ধারে অবস্থিত বনশ্রীর কটেজগুলো নষ্ট হয়ে গেছে।’
এদিকে কাপ্তাই বালুচরে অবস্থিত প্রশান্তি পিকনিক কেন্দ্র এর পরিচালক কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন বলেন, ‘কাপ্তাইয়ের অপরূপ সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে পর্যটন মৌসুম ছাড়াও সারা বছর পর্যটকদের আনাগোনা হতো। বিশেষ করে ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ঢল নামতো। কিন্ত এবার করোনার প্রকোপে পর্যটক শূন্য থাকবে কাপ্তাই। ফলে আমরা বিশাল ক্ষতির সম্মুখিন হব।’
কাপ্তাই ফোরামের এডমিন উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এ আর লিমন জানান, নয়নাভিরাম কাপ্তাই লেক, কর্নফুলি নদী, পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র, কেপিএম মিল, সীতাপাহাড়, ওয়াগ্গা চা বাগান, চিৎমরম বৌদ্ধ বিহারসহ কাপ্তাইয়ের প্রতিটি পরতে পরতে লুকিয়ে আছে সৌন্দর্য। কিন্তু এবার করোনাভাইরাসের প্রকোপে কাপ্তাই পর্যটন শূন্য থাকবে।
প্রসঙ্গত, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে গিয়ে সরকারি নির্দেশ মোতাবেক গত ২৫ মার্চ থেকে দেশের সবধরনের পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এখনো সেটা বলবৎ আছে।
একদিন কালো মেঘ কেটে যাবে, আবার উঠবে সোনালী সূর্য্য, আবার কোলাহল মুখর হবে কাপ্তাইয়ের প্রতিটি বিনোদন কেন্দ্র- এমনটাই প্রত্যাশা সবার।
- ১মে মাসে ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় ধাক্কা
- ২চাঁদপুরে এক কালভার্ট বদলে দেবে ৮ গ্রামের মানুষের জীবন
- ৩আসছে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, ৮২ লাখ মাদকাসক্তকে রক্ষায় আইনি সংস্কার
- ৪ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্যে হাসি ফুটেছে চাষিদের মুখে
- ৫হুমকির মুখে ১২০০ বিঘা আমন আবাদ, ঝুঁকিতে মাছ চাষ
- ৬পায়ে শিকল বাঁধা সেই নারী ফিরলেন স্বজনদের কাছে
- ৭কুড়িগ্রামের কাঁচকোলে ভাঙন মোকাবিলায় দিনরাত পাউবোর কাজ
- ৮জুলাইয়ের ১৮ দিনে এলো ১৮০ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স
- ৯রেমিট্যান্স আহরণে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাইলফলক অর্জন
- ১০মোস্ট সাসটেইনেবল কোম্পানি অব দ্য ইয়ার পুরস্কার জিতেছে ইউনিলিভার বাংলাদেশ
- ১সিরাজগঞ্জে ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণের মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
- ২কক্সবাজারে পরিবার পরিকল্পনা কমিটির মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত
- ৩নির্মাণাধীন চাঁদপুর শহর সংরক্ষণ বাঁধের কাজ দৃশ্যমান
- ৪রবি আজিয়াটার বোর্ড সভা ২৮ জুলাই
- ৫প্রতিবন্ধীদের অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্র-সমাজের যৌথ দায়িত্ব: ডিএসসিসি প্রশাসক
- ৬ঠাকুরগাঁওয়ে ধর্ষণ মামলায় তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন
- ৭ইরানের হামলায় ২ মার্কিন সেনা নিহত, জবাবে ভয়াবহ হামলা যুক্তরাষ্ট্রের
- ৮যমুনা ব্যাংকের বোর্ড সভা ২২ জুলাই
- ৯১৫ বছরের ধ্বংসযজ্ঞ অল্প সময়ে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়, তবে কাজ শুরু হয়েছে
- ১০চিলমারীতে ফের তীররক্ষা বাঁধে ধস, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ





পাঠকের মতামত