প্রকাশিত: মার্চ ২৯, ২০২২ ১০:২২ এএম

শাবি প্রতিনিধি:: উপাচার্য বিরোধী আন্দোলনে জড়িত কোনো ক্যাডেটকে বিএনসিসি থেকে বাদ দেওয়া হয়নি এমনটি জানিয়েছেন সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(শাবিপ্রবি) বিএনসিসি শাখার প্রধান ও ব্যাটালিয়ন টুআইসি অধ্যাপক ক্যাপ্টেন  ড. আশ্রাফুল করিম। সাম্প্রতিক সময়ে উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়ায় বাংলা বিভাগের ২০১৭-১৮ বর্ষের নিলয় কান্তি দাস নামে বিএনসিসির এক সদস্যের ক্যাডেটশিপ বাতিলের অভিযোগপত্রের খবর পাওয়া যায়। এ ঘটনায় বিএনসিসি শাবিপ্রবি শাখার প্রধান অধ্যাপক ক্যাপ্টেন ড. আশ্রাফুল করিমের বিরুদ্ধে সংগঠনটির ২৬ সদস্যের স্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর করা হয়।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে শাবিপ্রবি বিএনসিসি শাখার প্রধান ও ব্যাটালিয়ন টুআইসি অধ্যাপক ক্যাপ্টেন  ড. আশ্রাফুল করিম বলেন, জ্ঞান-শৃঙ্খলা-একতা এই মূলমন্ত্রে দীক্ষিত দ্বিতীয় সারির প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং শতবর্ষের পুরানো ক্যাডেট কোরের কার্যক্রম শুরু হয় ১৯২১সালে বৃটিশ পার্লামেন্টে পাশকৃত আই.এফ.টি এক্ট-১৯২০ এর মাধ্যমে। বর্তমানে এর কার্যক্রম চলছে বাংলাদেশের মহান জাতীয় সংসদে পাশকৃত বিএনসিসি এ্যাক্ট-২০১৬ এর মাধ্যমে।

তিনি বলেন, নিলয়ের ক্যাডেটশীপের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২১ সালের ৩১ জুলাই। পরবর্তীতে ক্যাডেটশীপের মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন করার আগ্রহ প্রকাশ করলে বিএনসিসি প্রধান হিসেবে আমি ই তাকে সুপারিশ করে রেজিমেন্টে পাঠিয়েছি। আবেদন করলেই যে মেয়াদ বেড়ে যাবে এমনটি নয়, এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করে রেজিমেন্ট কমান্ডারের ওপর। এছাড়াও ক্যাডেটশীপের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য আবেদন পরবর্তী ওই ক্যাডেটকে পর্যবেক্ষণ করা হয়, যেটি করে থাকেন একজন সামরিক প্রশিক্ষক।

তিনি আরও বলেন, নিলয়ের ক্যাডেটশীপ মেয়াদ বাড়ানো সংক্রান্ত চিঠি আসতে দেরী হয়েছে। কিন্তু আন্দোলন নিয়ে নিলয়সহ কাউকে ক্যাডেটশীপ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়নি। এই নিয়ে কোনো প্রকার মৌখিক কিংবা লিখিত নির্দেশনাও প্রদান করা হয়নি। কাউকে যদি অব্যাহতি প্রদান করা হয় তবে এটি অফিস আদেশ হিসেবে প্রচার করা হবে।

এদিকে নিলয় কান্তি দাস নামে বিএনসিসির এক সদস্যের ক্যাডেটশিপ বাতিলের অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে বেশ কিছু গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারিত হয়েছে। পরবর্তীতে শাবিপ্রবি বিএনসিসি সদস্যদের স্বাক্ষর সংযুক্ত প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ লিপিও দেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২৬ সদস্যের স্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগকারীদের অধিকাংশের ক্যাডেটশীপ মেয়াদ ২০২১ সালের ৩০ জুলাই শেষ হয়েছে।

সার্বিক বিষয়ে সদর দপ্তর বিএনসিসি ময়নামতি রেজিমেন্টের মেজর মোহাম্মদ সোলায়মান তালুকদারের সাথে যোগাযোগ করা হলে সিকিউরিটি ফোর্সের সেকেন্ড লাইন বিএনসিসি জানিয়ে তিনি এই বিষয়ে কোনো প্রকার মন্তব্য করতে রাজি হননি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন বলেন, অভিযোগের আলোকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালককে এই বিষয়ে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। যেহেতু বিষয়টি ছাত্র-শিক্ষকের বিষয় উনিই বিষয়টি দেখছেন।

 

শেয়ার

পাঠকের মতামত

জুলাই নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে ইবিতে ‘রিমেম্বারিং জুলাই’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারীর নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রিমেম্বারিং জুলাই’ শীর্ষক আলোচনা সভা ...

মাদারীপুরে দুই প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা

মাদারীপুর শহরের পুরাতন বিসিক এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেকারি পণ্য উৎপাদনসহ বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে দুই প্রতিষ্ঠানকে ...

গাজীপুর জেলা শ্রমিক দল নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

গাজীপুর জেলা শ্রমিক দলের আহবায়ক কমিটির সদস্য শরীফুল ইসলাম সরকারকে জড়িয়ে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন এবং ...

ইবিতে জুলাইয়ের সম্মুখসারীর নেতাদের আগমন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারীর নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘রিমেম্বারিং জুলাই’ শীর্ষক আলোচনা সভা ...