
দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে(শাবিপ্রবি) চলছে দুইটি অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ।
২০১৭ সালের ২১ মার্চ দুইটি মেগা প্রকল্পের প্রথম অধিকতর উন্নয়নের জন্য ২০০ কোটি ৩৮ লাখ টাকার অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক। যার মেয়াদ শেষ হবে ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর।
প্রথম দফায় ৩বছর মেয়াদি সেই প্রকল্পের কাজ শেষ না হওয়া এবং উপাচার্যের মেয়াদকাল শেষ হয়ে যাওয়ায় প্রকল্পের কাজ বন্ধ হওয়ার শঙ্কা দেখা দিলে বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ এই প্রকল্পটি পুনরায় বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেন। বর্তমানে দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে শাবিপ্রবির অবকাঠামোগত উন্নয়ন।
শাবিপ্রবির ২শ’ কোটি ৩৮ লাখ টাকার প্রকল্পের মধ্যে অবকাঠামোগত উন্নয়নে রয়েছে সৈয়দ মুজতবা আলী হল বর্ধিতকরণ, ৪ তলাবিশিষ্ট সামাজিক বিজ্ঞান ভবন বর্ধিতকরণ, চার তলাবিশিষ্ট ছাত্রীদের জন্য ৫০০ আসনের বেগম ফজিলতুন্নেসা মুজিব ছাত্রী হল নির্মাণ, ৫ তলা বিশিষ্ট সেন্টার অব এক্সিলেন্স ভবন নির্মাণ, এম এ ওয়াজেদ মিয়া আইসিটি ভবনের ৫ তলা থেকে ১০ তলায় বর্ধিতকরণ, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের জন্য ৪ তলাবিশিষ্ট আবাসিক ভবন, বিভিন্ন বিভাগের ওয়ার্কশপ নির্মাণসহ বেশকিছু ভবন নির্মাণ কাজ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা উন্নয়ন দপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মেগা প্রকল্পের আওতায় সৈয়দ মুজতবা আলী হল বর্ধিতকরণের কাজ শতভাগ, ৪ তলাবিশিষ্ট সামাজিক বিজ্ঞান ভবন বর্ধিতকরণের কাজ ৭৫ শতাংশ, চার তলাবিশিষ্ট ছাত্রীদের জন্য ৫০০ আসনের বেগম ফজিলতুন্নেসা মুজিব ছাত্রী হলের নির্মাণ কাজ ৭৫ শতাংশ, ৫ তলা বিশিষ্ট সেন্টার অব এক্সিলেন্স ভবন নির্মাণের কাজ ৮০শতাংশ, এম এ ওয়াজেদ মিয়া আইসিটি ভবনের ৫ তলা থেকে ১০ তলায় বর্ধিতকরণের কাজ ২২শতাংশ, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের জন্য ১০তলা ভিতে ৫তলাবিশিষ্ট আবাসিক ভবন নির্মাণ কাজ ৩০ শতাংশ, সিভিল এন্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ওয়ার্কশপ নির্মাণ কাজ ২২শতাংশ শেষ হয়েছে। এছাড়াও প্রকল্পের আওয়তায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ সফলভাবে শেষ হয়েছে।
জানা যায়, প্রকল্পের অধীনে প্রায় ৮৬ কোটি টাকার কাজ সম্পন্ন হয়েছে যা মোট প্রকল্পের ৪৩শতাংশ অগ্রগতি।
এদিকে, ২০১৯ সালের ৯জুলাই ৯৮৭ কোটি ৭৯ লাখ টাকার আরেকটি বড় একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের খাতগুলো হল- ১০ তলা ছাত্রী হল ১টি, ১০ তলা ছাত্র হল ১টি, গ্র্যাজুয়েট ও বিদেশী ছাত্রদের জন্য ১টি ৭ তলা হোস্টেল, সিনিয়র শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের জন্য ১১তলা আবাসিক ভবন-১ নির্মাণ, সিনিয়র শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের জন্য ১১তলা আবাসিক ভবন-২ নির্মাণ, জুনিয়র শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের জন্য ১১তলা আবাসিক ভবন-১ নির্মাণ, জুনিয়র শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের জন্য ১১তলা আবাসিক ভবন-২ নির্মাণ, কর্মচারীদের জন্য ১০ তলা আবাসিক ভবন নির্মাণ, ১০ তলা বিশিষ্ট ৩য় প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ, ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক বিভাগ সমূহের ১০তলা একাডেমিক ভবন-১ নির্মাণ, ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক বিভাগ সমূহের ১০তলা একাডেমিক ভবন-২ নির্মাণ, ভৌত বিজ্ঞান, কৃষি ও খনিজ বিজ্ঞান বিষয়ক বিভাগ সমূহের জন্য ১০ তলা একাডেমিক ভবন নির্মাণ, ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন, বাংলা, ইংরেজি বিভাগ ও আধুনিক ভাষা ইন্সটিটিউটের জন্য ১০ তলা একাডেমিক ভবন নির্মাণ, কেন্দ্রীয় ওয়ার্কশপ নির্মাণ, শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল ও কলেজের জন্য ৬ তলা ভবন নির্মাণ, ১০ তলা বিশিষ্ট ক্লাব কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ, ছাত্রদের হল সমূহের জন্য ৪ তলা বিশিষ্ট মসজিদ নির্মাণ, কেন্দ্রীয় গ্যারেজ বর্ধিত করণ নির্মাণ কাজ, প্রধান সড়কের উভয় পাশের ১৫ মিটার স্প্যানের দুইটি ব্রীজ নির্মাণ, বৈদ্যুতিক সাব স্টেশন নির্মাণ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক একেএম ফেরদৌস বলেন, করোনাকালীন প্রথম সময়ে ও প্রাকৃতিক কারণে অবকাঠামোর কাজগুলোতে কিছু স্থবিরতা দেখা দিলেও বর্তমানে বেশ অগ্রগতি হয়েছে। চলতি বছরের মধ্যেই বেশকিছু কাজ হস্তান্তর করা সম্ভব হবে। কাজের অগ্রগতি হিসেবে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই সবগুলো প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে।
তিনি আরও বলেন, ৯৮৭ কোটি ৭৯ লাখ টাকার যে প্রকল্পটি আছে তা চলতি বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যে ৫০ভাগ কাজ ও ২০২৩ সালের জানুয়ারি-মার্চ মাসের মধ্যে বাকী ৫০ভাগ কাজ শুরু হবে।
সার্বিক বিষয়ে শাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, শাবিপ্রবির এই উন্নয়ন প্রকল্পে সরকারের সার্বক্ষণিক নজর আছে। দুটো প্রকল্পের কাজ শেষ হলে আগামী একশত বছর আর নতুন করে কোন অবকাঠামো উন্নয়নের কাজে হাত দিতে হবেনা।জুনের মধ্যে সৈয়দ মুজতবা আলী আবাসিক হলে ও ডিসেম্বরের মধ্যে বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলে শিক্ষার্থীদের উঠানো যাবে। পরবর্তী কাজ হবে ল্যাব উন্নয়নের কাজ হাতে নেয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়টিকে শতভাগ ডিজিটাল করা। এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা চাই।
- ১প্রথমার্ধে মুনাফায় ৮৬% প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের
- ২সরিষাবাড়ীতে ট্রান্সফরমার চুরিরোধ ও দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন
- ৩বাণিজ্য ও বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়াবে বাংলাদেশ-নেপাল
- ৪বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
- ৫একটি সাক্ষরের ভুলে ভেঙে গেল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন
- ৬ডিবেটিং এডুকেশন সোসাইটির নতুন সভাপতি হেলাল উদ্দিন, সম্পাদক মহিউদ্দিন
- ৭বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত, তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত
- ৮ছয় মাসে ইসলামী ব্যাংকের লোকসান ১,৩১৬ কোটি টাকা
- ৯বাকৃবিতে স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের কেন্দ্রীয় ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
- ১০মিরসরাইয়ে পৈতৃক ভিটা রক্ষার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
- ১নেশা চক্রের খপ্পরে অচেতন গরু ব্যবসায়ী, উদ্ধারের দুই দিন পর পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিল ‘আজকের তারুণ্য’
- ২শ্রীমঙ্গলে নাহিদ-হাসনাতদের গাড়িবহর আটকে দিলো পুলিশ
- ৩জবির নতুন ক্যাম্পাস প্রকল্প নিয়ে ভয়ংকর নীলনকশা
- ৪লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার
- ৫শুধু নিরাময় নয়, রোগ প্রতিরোধে মনোযোগ দিতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- ৬সরকারি বীজ খোলা বাজারে অবৈধভাবে বিক্রির দায়ে ৭ দিনের কারাদণ্ড
- ৭সিকদার ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ৮‘অর্ডার অব অস্ট্রেলিয়া মেডেল’ পাওয়ায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পুলিশ কর্মকর্তাকে সংবর্ধনা
- ৯স্বার্থের ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়া হবে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ১০সুন্দরবনের বাঘ ও আবাসস্থল রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: পরিবেশমন্ত্রী





পাঠকের মতামত