
ঈদ স্পেশাল সার্ভিসের প্রথম দিনে মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত একের পর এক লঞ্চ যাত্রী বোঝাই করে বরিশাল নদী বন্দরে নোঙর করেছে। যাত্রী নামিয়ে লঞ্চগুলো ফিরে গেছে ঢাকার উদ্দেশ্যে। উপচে পড়া ভীড় ছিলো বরিশাল নদী বন্দরে। বন্দরের বাইরে যানজট নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি ছিলো বরিশাল সিটি করপোরেশনের কর্মীরাও।
গত বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে ঢাকা সদরঘাট ছেড়ে বরিশালের উদ্দেশ্যে আসা শুরু করে লঞ্চগুলো। এরপর রাত ১টা থেকে একের পর এক লঞ্চগুলো বরিশাল নদী বন্দরে ভিড়তে থাকে যাত্রী নিয়ে।
বরিশাল নদী বন্দর সূত্রে জানা গেছে, রাত ১টায় রাজারহাট বি নামের একটি ভায়া লঞ্চ ঢাকা থেকে বরিশাল নদী বন্দরে প্রথম আসে। এরপর রয়েল ক্রুজ নামে একটি লঞ্চ রাত ১টা ২০ মিনিটে নোঙর করে, ২টা ৩০ এ পূবালী ৭, ৩টা ৯ মিনিটে ফারহান ৭, এরপর পর্যায়ক্রমে মানামী, রেডসান, পারাবাত ১০, প্রিন্স আওলাদ ১০, কুয়াকাটা ২, সুন্দরবন ১১, সুরভী ৮, কীর্তণখোলা ১০ ও পারাবাত ১২ লঞ্চ নোঙর করে। এরপর এই রুটের স্পেশাল সার্ভিসের বাকি লঞ্চগুলোও আসে বরিশাল নদী বন্দরে।
বরিশাল নদী বন্দর কর্মকর্তা বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ভায়াসহ প্রায় ২৩টি লঞ্চ স্পেশাল সার্ভিসের প্রথম দিনে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষদের নিয়ে। কোনো ধরণের অভিযোগ পাওয়া যায়নি, মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ি ফিরছে। এছাড়াও আমরা প্রতিনিয়ত টহল দিচ্ছি। সব লঞ্চকে অতিরিক্ত যাত্রী বহনে নিষেধাজ্ঞা দেয়া রয়েছে।
জানা গেছে, প্রতি লঞ্চে গড়ে ৪ হাজার যাত্রী ছিলো প্রথম স্পেশাল সার্ভিসে। পূবালী ৭ লঞ্চে ঢাকা থেকে বরিশালে আসা যাত্রী আফসানা রুম্পা বলেন, ঈদে শত কষ্ট করে হলেও বাড়ি ফিরে অনেক খুশি। কিছু ভোগান্তি ছিলো, তবে বরিশালে পা দিয়ে সব ভুলে গেছি। সুন্দরবন ১১ লঞ্চের যাত্রী সুবাহ জাহান বলেন, লঞ্চে তেমন কোনো সমস্যাই হয়নি। নির্বিঘ্নে এসেছি শান্তিতে। করোনা প্যান্ডামিকের কারণে দুই বছর দেশের বাড়িতে আসতে পারিনি। এবারে আসতে পেরে ভালোই লাগছে।
অধিকাংশ যাত্রীই এবারে লঞ্চে ঈদযাত্রার প্রথম দিনে তারা বেশ ঝামেলা বিহীন ভাবেই বরিশালে পৌছান বলে জানিয়েছেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (ট্রাফিক) সেলিম মোহাম্মদ শেখ বলেন, যাত্রীদের নিরাপত্তা ও তারা যাতে করে লঞ্চ ঘাট থেকে নির্বিঘ্নে বাড়ি পৌছাতে পারে এই জন্য সব ধরণের ব্যবস্থা নিয়েছে মেট্রো পুলিশ। লঞ্চ ঘাট এলাকাতেই ট্রাফিক বিভাগের ৪০ পুলিশ সদস্য কাজ করেছে রাতভর, যাদের দিনে ডিউটি রয়েছে তারাও ছিলো লঞ্চ ঘাট এলাকায়। আমরা সর্বোচ্চ দিয়ে ঘরে ফেরা মানুষদের নিরাপত্তায় কাজ করছি।
- ১চারিত্রিক স্খলন থেকে বাঁচতে যে দোয়া পড়তেন মহানবী (সা.)
- ২দুপুরের মধ্যে ৩ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস
- ৩পেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহত
- ৪কোনো প্রতিভা প্রতিবন্ধকতার কারণে থেমে থাকবে না : আইসিটি মন্ত্রী
- ৫জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে চরফ্যাশনের তিন থানায় জামায়াতের গণমিছিল
- ৬মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলাজট কমিয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত সম্ভব
- ৭গুলশানে বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটি
- ৮যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ২৫ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা ঢাকায় আসছেন: মাহদী আমিন
- ৯রিজার্ভ বনভূমিতে গাছ কেটে বন ভূমি দখলের প্রয়াস
- ১০সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী
- ১চাঁদপুর-শরীয়তপুর সেতু নির্মাণের প্রস্তাব জাপানি প্রতিষ্ঠানের
- ২ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লুডু খেলা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১
- ৩শ্রীমঙ্গলে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান
- ৪লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
- ৫কেশবপুরে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে সচেতনতামূলক র্যালি
- ৬হবিগঞ্জে বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘বাংলা কিউআর’ সচেতনতা সভা
- ৭মেজর সিনহা হত্যা: ছয় বছরেও শেষ হয়নি বিচার
- ৮চাঁদপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস বাগানে
- ৯গুলশানে বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটি
- ১০সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী





পাঠকের মতামত