
৫৬ বছর অতিবাহিত হবার পরেও রংপুর বিসিক শিল্প নগরীতে গড়ে উঠেনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্লান্ট। এতে করে শিল্প-কারখানায় উৎপাদিত বর্জ্য ফেলার পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় ভোগান্তির পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন সেখানকার কারখানামালিকরা। আর সার্ভিস চার্জসংক্রান্ত জটিলতার কারনে রংপুর সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাও বর্জ্য পরিবহন করছে না। ফলে কারাখানাগুলোকে নিজ উদ্যোগে তাদের বর্জ্য অপসারণ করতে হচ্ছে ।
রংপুর বিসিক সূত্রে জানা গেছে, ১৯৬৭ সালে রংপুর নগরীর সিও বাজার কেল্লাবন এলাকায় ২০ দশমিক ৬৮ একর জমির গড়ে উঠে বিসিক শিল্প নগরী। শিল্প-কারখানার জন্য ৮৩টি প্লট নির্মাণ করা হয়। প্রতিটি প্লটের আয়তন ৩ হাজার ১৫০ বর্গফুট থেকে ১৫ হাজার বর্গফুট পর্যন্ত। আয়তনের ভিত্তিতে প্লটগুলোকে এ থেকে ডি এবং একটি স্পেশালসহ মোট পাঁচ শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে।
বর্তমানে ওই প্লটগুলোতে ২৫টি শিল্প কারখানা কারখানা রয়েছে। এর মধ্যে চালু রয়েছে ২৩টি। বিসিক শিল্পনগরীতে গড়ে উঠা আরএফএল গ্রুপের হাউজিং অ্যান্ড স্যানিটেশন অফিসার ওমর ফারুক জানান, আমাদেও কারখানা থেকে একদিন পরপর প্রায় এক টন বর্জ্য বের হয়। কিন্তু জায়গার ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীর অভাবে দুই-তিন দিন পর পর নিজেদেও ফেলতে হয়।
হিমাদ্রী হিমাগারের ব্যবস্থাপক মনসুর রহমান বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানটি এ শ্রেণীভুক্ত। নিয়মিত সার্ভিস চার্জ দিই। অথচ এখানে ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভালো না। এখনো সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও গড়ে ওঠেনি। নাম প্রকাশ না কার শর্তে বেশ কয়েকজন কারখানা মালিক জানান, বিসিককে প্রতি বছর আমরা সার্ভিস চার্জ এবং খাজনা পরিশোধ করি।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিসিকের না থাকায় সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে এসব বর্জ্য অপসারণ করা উচিত।বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে না ওঠায় প্লটগুলোতে যত্রতত্র বর্জ্য জমে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। ড্রেনে বর্জ্য ফেলায় পানি প্রবাহে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। জমে থাকা বর্জ্য পাশে শ্যামা সুন্দরী খালে এসে পড়ছে।
বিসিকের কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম জানান, জায়গা না থাকায় প্লটের শেষ প্রান্তে কারখানা মালিকরা নিজেরাই প্রতিদিন তৈরি হওয়া বর্জ্য অপসারণ করেন।
সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা কেন বর্জ্য পরিবহন করেন না। তিনি বলেন, বর্জ্য পরিবহনে আলাদা চার্জ চায় সিটি করপোরেশন । তা কারখানামালিকরা দিতে চান না। সে কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
বিসিকের উপমহাব্যবস্থাপক শামীম হোসেন জানান, জমির অভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্লান্ট তৈরি করা যাচ্ছে না। কিন্তু অনেকে বর্জ্য ড্রেনে ফেলায় পানির প্রবাহ বন্ধ হয়ে ভোগান্তির সৃষ্টি হচ্ছে। বর্জ্য অপসারণে সহায়তা নেয়ার জন্য সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। রংপুর সিটি করপোরেশনের সচিব উম্মে ফাতিমা বলেন, সিটি করপোরেশনের যেকোনো এলাকার বর্জ্য পরিবহনে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের কোনো বাধা নেই। শিল্পনগরী এলাকার বর্জ্য পরিবহনের জন্য বাড়তি চার্জ চাওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। বিসিক কোনো রকম অভিযোগও দেয়নি বলে জানান তিনি।
- ১৩য় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে
- ২চুয়াডাঙ্গা আদালত চত্বরে ভুয়া আইনজীবীসহ দুইজন আটক
- ৩এবার ৮ ব্র্যান্ডের ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমে ভয়াবহ মাত্রার মার্কারি শনাক্ত
- ৪মাসিক সম্মানি পাবে ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন ধর্মীয় উপাসনালয়ের কর্মীরা : জনপ্রশাসন উপদেষ্টা
- ৫৫৫৬ কোটি টাকায় নির্মিত ২২০ আশ্রয়কেন্দ্রের কোনোটিই শতভাগ উপযোগী নয়
- ৬আল ওয়াহদা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
- ৭বাগেরহাটে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ
- ৮‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’: ইতিহাসের শিক্ষা, বৈষম্যহীন সমাজ ও ভবিষ্যতের বাংলাদেশ
- ৯হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু
- ১০হাজারো প্রাণের আত্মত্যাগ বৃথা যায়নি: প্রধানমন্ত্রী
- ১চাঁদপুরে জুলাই আন্দোলনের মামলায় ৩৭৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
- ২নবীনগরে দেড়শ বিঘায় নতুন সম্ভাবনার আউশ আবাদ
- ৩চাঁদপুর ট্রাফিক পুলিশের রেকর্ড পরিমাণ মামলা ও জরিমানা আদায়
- ৪বেইলি ব্রিজ ধস, মতলব-দাউদকান্দি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ
- ৫রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ইউএন উইমেনের সহযোগিতা চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- ৬বিপর্যস্ত চাঁদপুর,ধরাছোঁয়ার বাইরে মাদক কারবারিরা
- ৭পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বৃহস্পতিবার লেনদেন বন্ধ
- ৮গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ভুক্তভোগী পাবে ক্ষতিপূরণ
- ৯ময়মনসিংহে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান
- ১০মৌলভীবাজারের আলোচিত রাজকান্দি বনের রেঞ্জ কর্মকর্তা প্রীতম বদলি





পাঠকের মতামত