
রংপুর বিভাগের ৮ জেলার মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার লক্ষে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসে প্রায় দেড় একর জমির উপর নির্মাণ করা হচ্ছে সর্বাধুনিক ৪৬০ শয্যার সমন্বিত ক্যানসার, কিডনি ও হৃদরোগ বিভাগ। এতে করে রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁ ও পঞ্চগড় জেলার অসহায় রোগীরা সরকারী এই হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা সেবা পাবে। সাশ্রয় হয়ে চিকিৎসার খরচ।
হাসপাতালের প্রশাসনিক বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, প্রায় শত কোটি টাকা ব্যয়ে রংপুর গণপূর্ত বিভাগের তত্ত্বাবধায়নে অত্যাধুনিক এই ১৫ তলা ভবনটিতে ক্যানসারের জন্য ১৮০টি, কিডনির জন্য ১৬৫ এবং হৃদরোগের জন্য ১১৫টি শয্যা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে এর নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময় দেওয়া হয়েছ দুই বছর। কার্যাদেশ দেওয়া হয় ২০২১ সালের ৩০ মে।
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তা জানান, করোনাসহ বিভিন্ন কারণে প্রকল্পের কাজ বিলম্বিত হয়। প্রায় ২ বছর পর ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে এর নির্মাণকাজ শুরু হয়। এর আগে ২০২২ সালে ৯ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সমন্বিত ক্যানসার, কিডনি ও হৃদরোগ ইউনিটটির ভার্চুয়ালি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন । প্রথমে এটি ১০০ শয্যার অনুমোদিত হলেও পরবর্তীতে ৪৬০ শয্যায় উন্নীত করা হয়।
রংপুর বিভাগের কিডনি রোগীদের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নেফ্রোলজি বিভাগে কিডনি ডায়ালাইসিসে যন্ত্রত্রুটির কারণে ভুগতে হয় রোগীদের। হাসপাতালটিতে হৃদরোগ বিভাগ থাকলেও রয়েছে চিকিৎসক সংকটসহ নানা অনিয়ম। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ক্যানসার আক্রান্ত রোগীরা প্রযোজনীয় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দরিদ্র আর নিম্মবিত্ত রোগীদের পোহাতে হয় দুর্ভোগ। নির্মাণাধীন ক্যানসার, কিডনি ও হৃদরোগ ইউনিটটি ঘিরে আশার আলো দেখছেন এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষ। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বঙ্গ বিল্ডার্স লিমিটেডের প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম জানান, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিশেষায়িত ক্যানসার, কিডনি ও হৃদরোগ ইউনিটের নির্মাণকাজ দেড় বছর আগে শুরু হয়েছে। কাজের শুরুতে এখানকার মাটি এবং পানির চাপের কারণে ব্যঘাত ঘটে। তিনি বলেন, করোনার
কারনে কাজ বন্ধ ছিল। এখন পুরোদমে কাজ চলছে। যত দ্রুত সম্ভব আমরা নির্মাণ কাজ শেষে ভবনটি হস্তান্তর করার চেষ্টা করব।
গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান খন্দকার জানান, ৪৬০ শয্যা বিশিষ্ট ক্যানসার, কিডনি ও হৃদরোগ ইউনিট প্রকল্পের কাজটি গণপূর্ত বিভাগ বাস্তবায়ন করছে। নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে ৪০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বড় ধরণের কোনো দুর্যোগ, দেখা না দিলে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজটি শেষ করা সম্ভব হবে। প্রকল্পের পুরো কাজ সম্পন্ন করার পর হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হবে।
রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. বিমল চন্দ্র রায় জানান, রংপুরে নির্মাণাধীন ক্যানসার, কিডনি ও হৃদরোগ ইউনিটটি হবে বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের ব্যবস্থাপনা ইউনিট। এখানকার যন্ত্রপাতিসহ সব ব্যবস্থাপনা থাকবে অত্যাধুনিক। বিশ্বে যেভাবে চিকিৎসা হয় এখানেও সেভাবে হবে।
- ১সংসদের গণপূর্ত প্রকৌশলীর কার্যালয়ে আগুন, তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ
- ২২৭ দিনে রেমিট্যান্স এলো আড়াই বিলিয়ন ডলার
- ৩মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী
- ৪হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ অনেকে আহত
- ৫প্রথমবারের মতো শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী
- ৬বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত
- ৭বাগেরহাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ফার্মেসিকে জরিমানা
- ৮‘অনলাইন এডিটরস ফোরাম’-এর আহ্বায়ক পিন্টু, সদস্যসচিব ইফতেখার
- ৯কুড়িগ্রামে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার
- ১০জাপানের সঙ্গে মেট্রো-অবকাঠামো সহযোগিতা জোরদার
- ১নড়িয়ায় স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩
- ২১৩ দিনে সরকারের ব্যাংক ঋণ ৯ হাজার ২০৯ কোটি টাকা
- ৩চাঁদপুরে অনুমতি ছাড়া নদী দখল করে হোটেল নির্মাণ
- ৪চরফ্যাসনে পানিতে ডুবে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু
- ৫স্পিকারের দিকনির্দেশনা পেলেই গাজী নজরুলের এমপি পদের সিদ্ধান্ত নেবে ইসি
- ৬রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেলেন ড. সোবহান
- ৭দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু
- ৮বিএসইসির কমিশনার হলেন হোসেন সাদাত
- ৯জুলাইয়ে অপেক্ষা করতাম, কখন জবির মিছিল আসবে: নাহিদ ইসলাম
- ১০উন্নয়ন কাজে অনিয়ম হলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ব্ল্যাকলিস্টেড করা হবে





পাঠকের মতামত