
দীর্ঘ কর্মব্যস্ত দিনের শেষে শরীরে ক্লান্তি অনুভব করা খুবই স্বাভাবিক। অনেকেই তাৎক্ষণিক শক্তি ফিরে পেতে কফি, এনার্জি ড্রিংক বা মিষ্টিজাতীয় খাবারের ওপর নির্ভর করেন। এসব খাবার সাময়িকভাবে শক্তি দিলেও কিছুক্ষণ পরই আবার ক্লান্তি ফিরে আসে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সহজ ও প্রাকৃতিক অভ্যাস অনুসরণ করলে শরীর ও মন দুটিই দীর্ঘসময় সতেজ রাখা সম্ভব।
১. সকালের নাস্তা কখনো বাদ দেবেন না
দিনের শুরুতে পুষ্টিকর নাস্তা শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তি জোগায়। বিশেষ করে ওটসের মতো উচ্চ আঁশযুক্ত খাবার দীর্ঘসময় পেট ভরা রাখে এবং ধীরে ধীরে শক্তি সরবরাহ করে। ফলে দিনের মাঝামাঝি ক্লান্তি কম অনুভূত হয়।
২. প্রিয় গান শুনুন বা গুনগুন করে গাইুন
গান শুধু বিনোদনই নয়, মানসিক চাপ কমাতেও কার্যকর। গবেষণায় দেখা গেছে, গান গাওয়া বা প্রিয় সুর শোনা শরীরে স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। কাজের ফাঁকে কয়েক মিনিট নিজের পছন্দের গান শুনলে মন ও শরীর দুটিই চাঙা হয়ে উঠতে পারে।
৩. পর্যাপ্ত পানি পান করুন
শরীরে পানির ঘাটতি হলে ক্লান্তি, মনোযোগের অভাব ও দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। তাই তৃষ্ণা লাগার অপেক্ষা না করে নিয়মিত পানি পান করুন। প্রস্রাবের রং গাঢ় হলে বুঝতে হবে শরীরে আরও পানি প্রয়োজন। পাশাপাশি তরমুজ, শসা কিংবা কমলার মতো পানিসমৃদ্ধ ফলও খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন।
৪. একমুঠো বাদাম রাখুন খাদ্যতালিকায়
কাঠবাদাম বা চিনাবাদামে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম ও ফোলেট, যা শরীরের শক্তি উৎপাদন ও কোষ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণ বাদাম খেলে ক্লান্তি কমাতে সহায়তা মিলতে পারে।
৫. দারুচিনি বা পুদিনার সুবাস নিন
দারুচিনি অনেকের কাছে প্রাকৃতিকভাবে সতেজতা ফিরিয়ে আনার একটি উপায় হিসেবে পরিচিত। এটি না থাকলে পুদিনা পাতা হালকা ফুটিয়ে পান করতে পারেন। এর মনোরম সুবাস ও স্বাদ শরীরে সতেজ অনুভূতি এনে দিতে পারে।
৬. কিছুটা সময় রোদে কাটান
প্রতিদিন কয়েক মিনিট খোলা আকাশের নিচে হাঁটা বা সূর্যের আলোতে থাকা মানসিক প্রশান্তি বাড়াতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, এটি মেজাজ ভালো রাখার পাশাপাশি স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বৃদ্ধিতেও সহায়ক হতে পারে। বাইরে যাওয়া সম্ভব না হলে অন্তত জানালা খুলে প্রাকৃতিক আলো ঘরে প্রবেশ করতে দিন।
৭. ইতিবাচক মানুষের সঙ্গে সময় কাটান
মানুষের আবেগ অন্যের ওপরও প্রভাব ফেলে। ইতিবাচক ও প্রাণবন্ত মানুষের সঙ্গে সময় কাটালে মানসিক চাপ কমে এবং ক্লান্তিও অনেকটা দূর হয়। তাই বন্ধু ও প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন, যারা আপনাকে আনন্দ ও অনুপ্রেরণা দেন।
স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের ছোট ছোট অভ্যাসই দীর্ঘমেয়াদে শরীর ও মনকে সুস্থ রাখতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। তাই তাৎক্ষণিক শক্তির জন্য কৃত্রিম উপায়ের বদলে প্রাকৃতিক অভ্যাসগুলোকেই দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিএইচ
- ১নালিতাবাড়ীতে মাদকবিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন
- ২বাংলাদেশ আসিয়ানের সদস্য হওয়ার সম্ভাবনা নেই: মহাসচিব
- ৩পরিস্থিতি অনুকূলে এলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত
- ৪পুলিশ কোনো বিশেষ দল বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ৫প্রিমিয়ার লিজিংয়ের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ
- ৬লভ্যাংশ দেবে না প্রিমিয়ার লিজিং
- ৭প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের যোগদানের নতুন তারিখ ১ অক্টোবর
- ৮সামাজিক মাধ্যমে কারাগারের ছবি-ভিডিও প্রচার, ৫০ কারারক্ষীকে তলব
- ৯ঢাকা ব্যাংকের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ১০প্রিমিয়ার লিজিংয়ের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ১চাঁদপুর-শরীয়তপুর সেতু নির্মাণের প্রস্তাব জাপানি প্রতিষ্ঠানের
- ২ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লুডু খেলা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১
- ৩কেশবপুরে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে সচেতনতামূলক র্যালি
- ৪লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
- ৫যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ২৫ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা ঢাকায় আসছেন: মাহদী আমিন
- ৬সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী
- ৭মেজর সিনহা হত্যা: ছয় বছরেও শেষ হয়নি বিচার
- ৮হবিগঞ্জে বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘বাংলা কিউআর’ সচেতনতা সভা
- ৯গুলশানে বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটি
- ১০প্রাইজবন্ডের ১২৪তম ড্র আজ, প্রথম পুরস্কার ৬ লাখ টাকা





পাঠকের মতামত