
বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন যে হৃদরোগের সমস্যার সব সময় আগেভাগে সতর্কতামূলক লক্ষণ প্রকাশ পায়। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এমনটা হয় না। আসল বিপদ ধীরে ধীরে নীরবে তৈরি হয়। আমাদের কিছু দৈনন্দিন অভ্যাস, যা সাধারণ এবং নিরীহ বলে মনে হয়, সেগুলো ধীরে ধীরে হৃদপিণ্ডের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে। যা অজান্তেই গুরুতর হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।
১. দিনের বেশিরভাগ সময় বসে থাকা
আমাদের মধ্যে অনেকেই কর্মক্ষেত্রে, যানজটে বা স্ক্রিনের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকি। যদিও এটি স্বাভাবিক মনে হতে পারে, তবে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার অভ্যাস রক্ত সঞ্চালনকে ধীর করে দেয় এবং ওজন বৃদ্ধি, উচ্চ রক্তচাপ এবং অন্যান্য হৃদ-সম্পর্কিত সমস্যার কারণ হতে পারে।
২. পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া
ঘুমের সময় শরীর নিজেকে মেরামত ও পুনরুদ্ধার করে। নিয়মিত সাত ঘণ্টার কম ঘুমালে মানসিক চাপ বাড়তে পারে, রক্তচাপ বাড়তে পারে এবং হৃদপিণ্ডের সামগ্রিক কার্যকারিতা প্রভাবিত হতে পারে। ভালো ঘুম খুব জরুরি।
৩. অতিরিক্ত লবণ খাওয়া
প্যাকেটজাত স্ন্যাকস, প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং রেস্তোরাঁর খাবারে অতিরিক্ত লবণ লুকিয়ে থাকে। ধীরে ধীরে উচ্চ-সোডিয়ামযুক্ত খাবার রক্তচাপ বাড়াতে পারে, যার ফলে হৃৎপিণ্ডকে তার স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পরিশ্রম করতে হয়। তাজা খাবার বেছে নেওয়া এবং পুষ্টিকর খাবার বেছে নেওয়ার অভ্যাস সোডিয়াম গ্রহণ কমাতে সাহায্য করতে পারে।
৪. ক্রমাগত মানসিক চাপে থাকা
মানসিক চাপ আধুনিক জীবনের একটি অংশ হয়ে উঠেছে, কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী চাপ হৃৎপিণ্ডের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। ব্যায়াম, ধ্যান, শখ বা কেবল প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটানোর মাধ্যমে মানসিক চাপ কমানোর স্বাস্থ্যকর উপায় খুঁজে বের করা হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়তা করতে পারে।
৫. নিয়মিত খাবার বাদ দেওয়া
কোনো বেলার খাবার বাদ দিলে তা হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে, যার ফলে দিনের পরবর্তী সময়ে অতিরিক্ত খাওয়া বা ক্ষুধা পেলে অস্বাস্থ্যকর খাবারের দিকে ঝুঁকে পড়ার প্রবণতা দেখা দেয়। নিয়মিত ও সুষম খাবার গ্রহণ শক্তির মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে এবং সার্বিক কার্ডিওভাসকুলার সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
৬. শারীরিকভাবে সক্রিয় না থাকা
হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে আপনার কঠোর ব্যায়ামের প্রয়োজন নেই। হাঁটা, সাইকেল চালানো বা সিঁড়ি ব্যবহারের মতো সাধারণ কার্যকলাপগুলো নিয়মিত করলে রক্ত সঞ্চালন উন্নত হয়, হৃৎপিণ্ড শক্তিশালী হয় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।
৭. ধূমপান এবং অতিরিক্ত মদ্যপান
ধূমপান এবং অতিরিক্ত মদ্যপান উভয়ই রক্তনালীর ক্ষতি করতে পারে এবং হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ও অন্যান্য হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এই অভ্যাসগুলো কমালে বা ত্যাগ করলে তা হৃদস্বাস্থ্যের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বিএইচ
- ১যশোর বোর্ডে প্রথম কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের সামিউল
- ২শেরপুর সীমান্তে ১৮ লাখ টাকার ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ
- ৩তাড়াশে সাংবাদিক মৃণাল সরকার মিলু গ্রেপ্তার
- ৪চাঁদপুরে জমজ দুই বোনের একসঙ্গে জিপিএ-৫
- ৫সুন্দরবন মায়ের মতো আপন, অস্তিত্ব রক্ষায় এখনই চাই কঠোর পদক্ষেপ
- ৬মাদারীপুরে মানব পাচারের গডফাদার এনামুল গ্রেফতার
- ৭দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে লবণাক্ততার বিষে বদলে যাচ্ছে উপকূলের জীবন
- ৮মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে চাঁদপুরে ৫ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত
- ৯লালমোহনের বেতুয়া খালে বেহেন্দি ও রিং জাল জব্দ
- ১০সীতাকুণ্ডে শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে নিরাপত্তা ঘাটতি ছিল কি না, তদন্তে বের হবে
- ১কেশবপুরে ভেজাল শিশু খাদ্য বিক্রির অপরাধে ব্যবসায়ীকে জরিমানা
- ২১৫ আগস্ট উপলক্ষে জবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ব্যানার
- ৩ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে দলীয় সুপারিশে ছাত্রদল নেতা ও তার প্রেমিকার নাম
- ৪ভরিতে ২১৫৮ টাকা কমলো সোনার দাম
- ৫চলতি বছরে স্থানীয় সরকারের সকল নির্বাচন: শাহে আলম
- ৬শাহজাদপুরে যমুনার ভাঙন রোধে বস্তা ফেলার দাবিতে মানববন্ধন
- ৭ঝিনাইদহে নেশার টাকার জন্য মাকে কুপিয়ে হত্যা
- ৮কুষ্টিয়ায় অসহায় ভ্যান-রিকশা চালকদের মাঝে ১৫০ ছাতা বিতরণ
- ৯চাটমোহরে ধারালো অস্ত্রাঘাতে কুকুর হত্যার অভিযোগ
- ১০সীতাকুণ্ডে কারখানায় বিষাক্ত গ্যাস ‘লিকেজে’ নিহত বেড়ে ৫





পাঠকের মতামত