নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: আগস্ট ১০, ২০২৬ ৭:২৬ পিএম

পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা-গোপালগঞ্জ-ঢাকা রুটে  ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ নামে একজোড়া নতুন ট্রেন চালু হয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট ) বিকেল সাড়ে ৩ টায় সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে (কমলাপুর) এ ট্রেন উদ্বোধন করেন।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপি, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ ফাহিমুল ইসলাম, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মোঃ আফজাল হোসেনসহ রেলপথ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমান সরকার নিরাপদ, সাশ্রয়ী, আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব রেলসেবা সম্প্রসারণকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। রাজধানী ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের মধ্যে কার্যকর কমিউটার নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পাশাপাশি আন্তঃনগর রেলসেবার সম্প্রসারণেও নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন উদ্যোগ। পর্যাপ্ত যাত্রীবাহী কোচ ও লোকোমোটিভের সীমাবদ্ধতা সত্বেও দক্ষ সম্পদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণের ১৮০ দিনের মধ্যেই ঢাকা–গোপালগঞ্জ–ঢাকা রুটে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ নামে এক জোড়া নতুন কমিউটার ট্রেন চালু করা হলো।

এই ট্রেনের মাধ্যমে গোপালগঞ্জ ও মধ্যবর্তী এলাকার চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ যাত্রীরা প্রতিদিন স্বল্প ব্যয়ে ও নির্ভরযোগ্যভাবে ঢাকায় যাতায়াত করতে পারবেন এবং কর্মদিবস শেষে নিজ নিজ এলাকায় ফিরে যেতে পারবেন। ফলে রাজধানীমুখী স্থায়ী আবাসনের প্রবণতা হ্রাস পাবে এবং ঢাকার আবাসন, যানজট ও নগরসেবার ওপর বিদ্যমান চাপ কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

একই সঙ্গে গোপালগঞ্জ ও আশপাশের এলাকার শাকসবজি, কৃষিপণ্য, মাছ এবং অন্যান্য স্থানীয় উৎপাদিত পণ্য দ্রুত ও তুলনামূলক কম ব্যয়ে ঢাকার বাজারে পরিবহনের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করবে এবং উৎপাদক ও ভোক্তা—উভয় পক্ষই উপকৃত হবে।

১৩৫ নম্বর অভিযাত্রী কমিউটার ট্রেনটি ঢাকা হতে ০৩:৩০ টায় গোপালগঞ্জের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে, গোপালগঞ্জে পৌঁছাবে সন্ধ্যা ০৬:৪৫ মিনিটে এবং ১৩৬ নম্বর অভিযাত্রী কমিউটার গোপালগঞ্জ থেকে ০৭:১৫ মিনিটে ছেড়ে ঢাকায় পৌঁছাবে রাত ১০:২৫ মিনিটে। ট্রেনটির কোচ সংখ্যা ৮টি, আসন সংখ্যা মোট ৬৩০টি। ঢাকা- গোপালগঞ্জ ১৪৮ কিলোমিটার দৈর্ঘের এই রুটে মোট যাত্রাবিরতি থাকবে ৭টি স্টেশনে। ঢাকা ও গোপালগঞ্জের মাঝে যাত্রাবিরতি স্টেশনসমূহ হলো কেরাণীগঞ্জ, শ্রীনগর, মাওয়া, ভাঙ্গা জংশন, নগরকান্দা, মহেশপুর ও কাশিয়ানী জংশন। প্রতি শনিবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকবে এই ট্রেনের যাত্রা।

ট্রেনটির প্রথম যাত্রায় গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান মোল্যা , গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর ও গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী যাত্রীদের সাথে ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।

বিএইচ

শেয়ার

পাঠকের মতামত

জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে : প্রধানমন্ত্রী

দেশকে অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাওয়াই সরকারের লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক ...

বন্ধ তিন রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল চালু করতে চুক্তি সই, বিনিয়োগ ৬১৯ কোটি টাকা

বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত তিনটি পাটকল পুনরায় চালুর লক্ষ্যে বেসরকারি দুই প্রতিষ্ঠানের কাছে লিজ দিয়েছে সরকার। ...

রোহিঙ্গাদের জন্য আরও সুইডিশ সহায়তা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 

জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে বাংলাদেশে আরও বেশি সুইডিশ সহায়তা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ...

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আমরা আর বাংলাদেশে জ্বালাও-পোড়াও দেখতে চাই না

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেছেন, আমি বিরোধীদলের উদ্দেশে বলতে চাই। শান্ত হোন– হুঁশে ...

প্রধানমন্ত্রী বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে সরকার প্রস্তুত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমানে বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। আগ্রহী বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের ...