
সরকারি পানির পাম্প ও জায়গা দখলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে লক্ষ্মীপুরের এক এমপির প্রতিনিধির বিরুদ্ধে। অর্ধ কোটি টাকার সুপেয় পানির প্রকল্পটি লুটে নেওয়া হয় অনুমতি ছাড়াই। ক্ষমতার প্রভাব খাঁটিয়ে লুটপাটের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য ও পৌরসভা কর্তৃপক্ষ।
অভিযুক্ত রেজাউল করিম রিয়ান লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়নের স্থানীয় প্রতিনিধি। এছাড়াও সদর থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক।
অনুসন্ধানে জানা যায়, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে প্রায় ৪০ বছর পূর্বে পানির পাম্পটি স্থাপন করে জেলা জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এরপর থেকে ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন এলাকায় স্থাপিত এই পাম্পটি রক্ষণাবেক্ষণ করেন লক্ষ্মীপুর পৌরসভা। শুরুতে কয়েক মাস প্রকল্পটির সুফল পায় পৌরবাসী। এরপর সংশ্লিষ্টদের উদাসীনতায় বন্ধ হয়ে যায় পানি উত্তোলন। তবে পুনরায় সেটি সচল করার কোন উদ্যোগ নেয়নি পৌরসভা কিংবা জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর। কিন্তু দুই রুম বিশিষ্ট ওই ভবনে বসবাস করতে জনস্বাস্থ্য অফিসের একজন কর্মচারী। গত ৩ বছর পূর্বে তিনিও ভবনটি ছেড়ে দেওয়ায় অরক্ষিত হয়ে পড়ে পাম্প ঘর।
আরও জানা যায়, কয়েকদিন পূর্বে ওই ভবনটি দলবল নিয়ে ভেঙে নেয় অভিযুক্ত রিয়ান। এসময় লুট করা হয় ভিতরে থাকা পানির পাম্প ও পাইপসহ অন্যান্য মূল্যবান মালামাল। টেন্ডারের অনুমতি ছাড়াই কাজটি করেন তিনি।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বলেন, পৌরসভায় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে পাম্পটি স্থাপন করা হয়েছিলো। কিন্তু কয়েক মাস না যেতে অদৃশ্য কারণে সেটি বন্ধ করে দেয় পৌরসভা। এরপর থেকে পাম্প ঘরটি আবাসিক হিসাবে ব্যবহার করা হতো।
কয়েক দিন পূর্বে লোকজনের মাধ্যমে ওই ঘরটি ভেঙে নিয়ে যায় এমপির স্থানীয় (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি রেজাউল করিম রিয়ান। বিল্ডিংয়ে থাকা পাম্প ও পাইপগুলোও নিয়ে যাওয়া হয়। তবে পৌরসভা কিংবা জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে অনুমতি ছিল কিনা তা আমাদের জানা নেই। তবে জানা যায়, পাম্পের পিছনে একটি বহুতল ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। ওই বিল্ডিং এর সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে পাম্প ঘরটি রিয়ান ভেঙে ফেলে। ভবনের মালিক থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে তিনি কাজটি করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে রেজাউল করিম রিয়ান কোন মন্তব্য করেন নি।
লক্ষ্মীপুর পৌরসভার মেয়র মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভূঁইয়া বলেন, জেলা ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন পরিত্যক্ত পানির পাম্পটি ভেঙে নেওয়ার খবর শুনেনি। বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। পাম্প ঘর ভেঙে ফেলা ও লুটপাটের সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এবিষয়ে লক্ষ্মীপুর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী বিলকিস আক্তার বলেন, পানির পাম্পটি স্থাপনের কিছুদিন পর সেটি পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এরপর থেকে পাম্পটি সংরক্ষণের দায়িত্ব পৌর কর্তৃপক্ষের। বর্তমানে পানির পাম্পটি ভেঙে ফেলার ও লুটপাট করার বিষয়টি জানা নেই। আমরাও কাউকে ভাঙার অনুমতি কিংবা টেন্ডার দেয়নি। তবে যে বা যিনি কাজটি করেছেন তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
এএন
- ১রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে, দিনক্ষণ ঠিক হয়নি
- ২স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সানুর গ্রেপ্তার দাবি সাংবাদিক ইন্না’র পরিবারের
- ৩শুধু আইন করে শাস্তি দিয়ে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল
- ৪ব্লক মার্কেটে লেনদেন ৪০ কোটি টাকার
- ৫গণভোটের রায় উপেক্ষা করে বিএনপি দলীয়করণে নেমেছে
- ৬দর পতনের শীর্ষে এআইবিএল ১ম ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড
- ৭লেনদেনের শীর্ষে ডমিনেজ স্টিল
- ৮স্পিকারের দিকনির্দেশনা পেলেই গাজী নজরুলের এমপি পদের সিদ্ধান্ত নেবে ইসি
- ৯খুকৃবির নতুন উপাচার্য বাকৃবির অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান সরকার
- ১০দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু
- ১চরফ্যাসনে পানিতে ডুবে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু
- ২ফনিক্স ফাইন্যান্সের বোর্ড সভা ২৮ জুলাই
- ৩২৬ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক : তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট
- ৪লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল
- ৫নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন শুরু ২ আগস্ট
- ৬জাতীয় অধ্যাপক হলেন অর্থনীতিবিদ মাহবুব উল্লাহ
- ৭রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইসি
- ৮রপ্তানি খাতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ভূমিকা অপরিসীম: বাণিজ্যমন্ত্রী
- ৯‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ডব্লিউএফপির সহযোগিতা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- ১০প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের নেতাদের বৈঠক





পাঠকের মতামত