
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন প্রসূতি মাসুমা। তাদের মধ্যে তিনটি ছেলে ও দুটি মেয়ে। মা ও নবজাতকেরা সুস্থ আছেন। রবিবার (৫ এপ্রিল) কাপাসিয়ার উপজেলার টোক ইউনিয়নের দীঘাবর গ্রামের কাজল মিয়ার স্ত্রী মাসুমা বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে পাঁচ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন।
শুক্রবার বিকেলে একসঙ্গে পাঁচ নবজাতককে নিয়ে কাজল-মাসুমা দম্পত্তি কাপাসিয়ার গ্রামের বাড়ীতে বাড়ি ফিরেছেন। এর আগে মাসুমা-কাজল দম্পত্তির ৯ বছর বয়সী এক মেয়ে আছে। কাপাসিয়ার টোক ইউনিয়নের দীঘাবর গ্রামের এই গৃহবধূ এখন পুরো এলাকার ভালোবাসার কেন্দ্রবিন্দু।
মাসুমার স্বামী কাজল মিয়া বলেন, এমন ঘটনা যেমন বিরল, তেমনি ঝুঁকিপূর্ণও। জন্মের পরপরই শিশুদের শারীরিক অবস্থা নিয়ে দুশ্চিন্তা ছিল। আমি কখনো ভাবিনি আমার স্ত্রী আর সন্তানদের নিয়ে সুস্থভাবে বাড়ি ফিরতে পারবো। আল্লাহর রহমতে আজ আমরা সবাই ভালো আছি। এটা আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দের দিন। রবিবার (৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সিজারিয়ান অপারেশনের পর নবজাতকেরা ও তাদের মা সেখানে বুধবার (৮ এপ্রিল) পর্যন্ত চিকিৎসকের তত্বাবধানে ছিল। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ওই হাসপাতালের এনআইসিইউ বিভাগের চিকিৎসকের পরামর্শে ও নির্দেশনা অনুযায়ী মা ও নবজাতকদের কাপাসিয়ার বেলাসী গ্রামের মডিউল কমিউনিটি ক্লিনিকে আইসোলেশনে রাখা হয়। পরে ক্লিনিকের চিকিৎসকের পরামর্শে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে মাসহ নবজাতকদেরকে বাড়ীতে নিয়ে আসা হয়।
কাপাসিয়ার বেলাসী গ্রামের মডিউল কমিউনিটি ক্লিনিকের চিকিৎসক কামরুজ্জামান সেলিম জানান, একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম দেওয়া অত্যন্ত জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ একটি বিষয়। তবে সময়মতো সঠিক চিকিৎসা পাওয়ায় বর্তমানে মা ও নবজাতক শিশুরা সুস্থ রয়েছে।
মডিউল কমিউনিটি ক্লিনিকের ফার্মাসিস্ট সাত্তার মিয়া বলেন, বিরল এই ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়। অনেকে ক্লিনিকে ভিড় করছেন নবজাতকদের এক নজর দেখতে।
মডিউল কমিউনিটি ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক (ম্যানেজার) নারায়ণ চন্দ্র বলেন, নবজাতকদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বিশেষ চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী উচ্চতর চিকিৎসা কেন্দ্রে স্থানান্তরের প্রস্তুতি নেওয়া হবে।
মডিউল কমিউনিটি ক্লিনিকের প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ রুহুল আমিন জানান, তাঁর হাসপাতালে আইসোলেশনে রেখে নবজাতকদের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়। এক সঙ্গে জন্ম নেওয়া নবজাতকদের মধ্যে একজনের শারীরিক অবস্থা কিছুটা জটিল ছিল। পরে স্বাভাবিক হলে পরিবারের লোকজন তাদের নিজের বাড়িতে নিয়ে যায়। বাড়ীতে যদি মা ও নবজাতকদের কোনো সমস্যা হয় তাহলে সাথে সাথে যেন আমার এই হাসপাতালে চলে আসে সে ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
এনজে
- ১সংসদের গণপূর্ত প্রকৌশলীর কার্যালয়ে আগুন, তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ
- ২২৭ দিনে রেমিট্যান্স এলো আড়াই বিলিয়ন ডলার
- ৩মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী
- ৪হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ অনেকে আহত
- ৫প্রথমবারের মতো শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী
- ৬বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত
- ৭বাগেরহাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ফার্মেসিকে জরিমানা
- ৮‘অনলাইন এডিটরস ফোরাম’-এর আহ্বায়ক পিন্টু, সদস্যসচিব ইফতেখার
- ৯কুড়িগ্রামে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার
- ১০জাপানের সঙ্গে মেট্রো-অবকাঠামো সহযোগিতা জোরদার
- ১নড়িয়ায় স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩
- ২১৩ দিনে সরকারের ব্যাংক ঋণ ৯ হাজার ২০৯ কোটি টাকা
- ৩রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেলেন ড. সোবহান
- ৪চাঁদপুরে অনুমতি ছাড়া নদী দখল করে হোটেল নির্মাণ
- ৫চরফ্যাসনে পানিতে ডুবে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু
- ৬স্পিকারের দিকনির্দেশনা পেলেই গাজী নজরুলের এমপি পদের সিদ্ধান্ত নেবে ইসি
- ৭ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক-অপরাধ দমনে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ
- ৮দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু
- ৯জুলাইয়ে অপেক্ষা করতাম, কখন জবির মিছিল আসবে: নাহিদ ইসলাম
- ১০উন্নয়ন কাজে অনিয়ম হলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ব্ল্যাকলিস্টেড করা হবে





পাঠকের মতামত