
আতিকুর রহমান, কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার তিস্তা নদীবেষ্টিত চরাঞ্চলে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত কয়েক দিনের ব্যবধানে শতাধিক পরিবারের বসতবাড়ি ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভিটেমাটি হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো মাথা গোঁজার ঠাঁই খুঁজে পাচ্ছে না। ভাঙনের ফলে হুমকির মুখে রয়েছে শত শত বাড়ি, মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং শত শত একর আবাদি জমি। আতঙ্কে তিস্তাপারের মানুষ নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার থেতরাই, বজরা, গুনাইগাছ ও দলদলিয়া ইউনিয়ন তিস্তা নদী দ্বারা বেষ্টিত। এসব ইউনিয়নের নদী উপকূলীয় চরাঞ্চল পশ্চিম বজরা, পাকার মাথা, উত্তর সাদুয়া দামারহাট, খামার দামারহাট নদীর পশ্চিম পাড়া, সাতালস্কর, চর বজরা, সন্তোষ অভিরাম, কাজিরচক, টিটমা, ঠুটাপাইকার, কর্পুরা, চাপরাপাড় রেডক্রস, লাল মসজিদ ও অর্জুন এলাকায় তীব্র ভাঙন চলছে।
তিস্তা নদীর করাল গ্রাসে প্রতিদিন কোথাও না কোথাও ভেঙে যাচ্ছে বসতবাড়ি, আবাদি জমি ও নানা স্থাপনা। অনেকে ইতিমধ্যে বাড়িঘর অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছে, আবার কেউ কেউ অন্যের জমিতে অস্থায়ী ঘর তুলে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে।
থেতরাই ইউনিয়নের মজিবর রহমান, আইয়ুব আলী, তৈয়ব আলী ও মর্জিনা বেগম বলেন, নদীর ভাঙনে আমরা নিঃস্ব হয়ে গেছি। আবাদি জমি, বাড়িঘর সব নদীতে চলে গেছে। তিস্তা আমাদের সব শেষ করে দিয়েছে।
একই এলাকার আব্দুল মজিদ, মহুবর মিয়া, শফিকুল ও আছিয়া বেওয়া জানান, তিস্তার ভাঙনে আমরা নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছি। অনাহারে-অর্ধাহারে দিন যাচ্ছে। আমরা সাহায্য চাই না, চাই নদী সংস্কার।
চর গোড়াইপিয়ার এলাকার দবির উদ্দিন জানান, গত কয়েক বছরে আমার বাড়ি ১৫ বার নদীতে বিলীন হয়েছে। এবারও মসজিদসহ বাড়ি নদীতে চলে গেছে। কয়েক দিন ধরে ঠিকভাবে খেতে পাচ্ছি না।
বড় হুমকিতে শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থেতরাই ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আজিজার রহমান জানান, সাম্প্রতিক ভাঙনে শতাধিক পরিবারের ঘরবাড়ি এবং শত শত একর আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে চর গোড়াইপিয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাম নিয়াসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জুয়ান সতরা চর গোড়াইপিয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪টি মসজিদ, ৪টি নুরানি মাদ্রাসা, কয়েক হাজার বাড়ি ও বিপুল ফসলি জমি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নয়ন কুমার সাহা জানান, জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করা হচ্ছে। সরকারি সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, তিস্তা নদীর ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ চলছে। পাশাপাশি নদীশাসনের জন্য বিপুল জিও ব্যাগ ফেলার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। দ্রুতই কাজ শুরু হবে।
এম জি
- ১১৬ বছরে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে: চট্টগ্রামে আইনমন্ত্রী
- ২খানজাহান আলী বিমানবন্দর চালু হলে বদলে যাবে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতি
- ৩বাজারের ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক
- ৪অনেক বছর পরে মানিকগঞ্জবাসীর স্বপ্ন পূরণের সুযোগ এসেছে: পর্যটন মন্ত্রী
- ৫নড়াইলে দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি সম্পন্ন
- ৬তালিকাভুক্ত কোম্পানিতে নারী স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগের সময় বাড়াল বিএসইসি
- ৭জুলাই নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে ইবিতে ‘রিমেম্বারিং জুলাই’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত
- ৮২৫ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৮ হাজার ৪৭ কোটি টাকা
- ৯মাদারীপুরে দুই প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা
- ১০ব্যাংকারদের শৃঙ্খলাভঙ্গের মামলা দুই মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ
- ১সার্ককে আরও গতিশীল করতে চায় বাংলাদেশ-মালদ্বীপ
- ২তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান
- ৩কোনো একসময় বাংলাদেশ বিশ্বকাপ ফুটবল খেলবে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
- ৪বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
- ৫চলতি অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার
- ৬সিরিয়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ৩৫
- ৭‘তেলাপোকাদের’ চিহ্নিত করে গুন্ডা দমন আইনে মামলার ঘোষণা শুভেন্দুর
- ৮সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ সরকার পর্যালোচনা করছে
- ৯তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
- ১০চাঁদপুর জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ার বাবলু মারা গেছেন





পাঠকের মতামত