
- কুরিয়ার সেবা খাতে ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে কর্মসংস্থান ও উৎপাদন
- মানি এক্সচেঞ্জ খাতে বেড়েছে ট্রেড মার্জিন ও স্থূল মূল্য সংযোজন
- শিল্পকলা ও বিনোদন খাতে বাড়ছে কর্মসংস্থান ও মূল্য সংযোজন
- এনপিআইএসএইচ খাতে বাড়ছে কর্মসংস্থান
- নির্মাণ খাতে উৎপাদনের এক-তৃতীয়াংশের বেশি স্থূল মূল্য সংযোজন
- অর্থনীতিবিদদের মতে, পাঁচ খাত জিডিপিতে এলে নীতিনির্ধারণ ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনা আরও কার্যকর হবে
বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) পরিপূর্ণভাবে অন্তর্ভুক্ত না হওয়া পাঁচটি খাতে কর্মসংস্থান, ব্যয় ও স্থূল মূল্য সংযোজন (জিভিএ) ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাম্প্রতিক সমীক্ষায় কুরিয়ার সেবা, মানি এক্সচেঞ্জ, শিল্পকলা ও বিনোদন, খানাসমূহে সেবা প্রদানকারী অলাভজনক প্রতিষ্ঠান (এনপিআইএসএইচ) এবং নির্মাণ খাতের বিভিন্ন উপখাতে এই ইতিবাচক চিত্র উঠে এসেছে। বিবিএস বলছে, নির্ভরযোগ্য তথ্যের সীমাবদ্ধতার কারণে এসব খাত জিডিপিতে পূর্বে পরিপূর্ণভাবে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রকাশিক এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বিবিএসের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এই পাঁচটি খাত আগে জাতীয় হিসাব বা জিডিপি নিরূপণে পর্যাপ্তভাবে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি মূলত নির্ভরযোগ্য তথ্যের অভাবে। নিয়মিত তথ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা না থাকায় এসব খাতের উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও স্থূল মূল্য সংযোজন যথাযথভাবে পরিমাপ করা কঠিন ছিল। সাম্প্রতিক সমীক্ষাগুলো সেই ঘাটতি পূরণের উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
কুরিয়ার সেবা খাতে বাড়ছে কর্মসংস্থান
ই-কমার্স, অনলাইন ব্যবসা ও দ্রুত পণ্য পরিবহনের প্রসারের সঙ্গে দেশের কুরিয়ার সেবা খাতও ধারাবাহিকভাবে সম্প্রসারিত হচ্ছে। বিবিএসের ১৩৮টি কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানের ওপর পরিচালিত সমীক্ষায় কর্মসংস্থান, ব্যয় ও মূল্য সংযোজন—সব সূচকেই ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে।
২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে খাতটিতে মোট কর্মসংস্থান ছিল ৪ হাজার ৯৭৩ জন। বছরের শেষ প্রান্তিকে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৮২৭ জনে। পরবর্তী ২০২৩-২৪ অর্থবছরেও এই ধারা অব্যাহত থাকে। প্রথম প্রান্তিকে কর্মীসংখ্যা ছিল ৫ হাজার ৮০১ জন, যা চতুর্থ প্রান্তিকে বেড়ে ৬ হাজার ৫৮০ জনে পৌঁছায়। দুই অর্থবছরেই নিয়মিত বেতনভুক্ত কর্মীদের সংখ্যাই ছিল সবচেয়ে বেশি।
কর্মসংস্থান ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট কর্মসংস্থান ব্যয় ছিল ৬৪৩ দশমিক ৭৬ মিলিয়ন টাকা, যার প্রায় ৯২ শতাংশ ব্যয় হয়েছে নিয়মিত কর্মীদের জন্য। এক বছর পর এই ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৭৩৭ দশমিক ৩৬ মিলিয়ন টাকায়। এর ৯৩ শতাংশের বেশি নিয়মিত কর্মীদের পেছনে ব্যয় হয়েছে।
পরিচালন ব্যয়ের মধ্যেও জ্বালানির অংশ সবচেয়ে বেশি। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট মধ্যবর্তী ভোগ ব্যয় ৪৮১ দশমিক ৬৪ মিলিয়ন টাকার মধ্যে শুধু জ্বালানি ব্যয়ই ছিল ২১৮ দশমিক ১১ মিলিয়ন টাকা, যা মোট পরিচালন ব্যয়ের প্রায় ৪৫ শতাংশ।
মূল্য সংযোজনের ক্ষেত্রেও উন্নতি হয়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ২ হাজার ১৭৭ দশমিক ৭ মিলিয়ন টাকার উৎপাদন থেকে ১ হাজার ৬৯৯ দশমিক ৮৩ মিলিয়ন টাকা স্থূল মূল্য সংযোজন সৃষ্টি হয়। পরের অর্থবছরে (২০২৩-২৪) উৎপাদন বেড়ে ২ হাজার ৩৬৬ দশমিক ৯৬ মিলিয়ন টাকা এবং স্থূল মূল্য সংযোজন বেড়ে ১ হাজার ৮৮৫ দশমিক ৩২ মিলিয়ন টাকায় পৌঁছায়। একই সময়ে জিভিএ-টু-আউটপুট অনুপাত বেড়ে ৭৯ দশমিক ৬৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা সম্পদের তুলনামূলক দক্ষ ব্যবহারের ইঙ্গিত দেয়।
মানি এক্সচেঞ্জে বাড়ছে ট্রেড মার্জিন ও স্থল মুল্য সংযোজন
দেশের বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় খাতেও কর্মসংস্থান ও মূল্য সংযোজনের ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রথম ত্রৈমাসিকে কর্মীসংখ্যা ছিল ৪১৪ জন, যা বছরের শেষ ত্রৈমাসিকে বেড়ে ৪২২ জনে দাঁড়ায়। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রথম ত্রৈমাসিকে ৪২২ জন থেকে বেড়ে শেষ ত্রৈমাসিকে হয় ৪২৫ জন।
এই খাতে কর্মসংস্থান ব্যয় ৫৫ দশমিক ৭ মিলিয়ন টাকা থেকে বেড়ে ৬১ দশমিক ৪১ মিলিয়ন টাকায় পৌঁছেছে। নিয়মিত বেতনভুক্ত কর্মীদের পাশাপাশি কর্মরত মালিকদের ব্যয়ও বেড়েছে।
ট্রেড মার্জিনেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা গেছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট ট্রেড মার্জিন ছিল ৯০ দশমিক ৩৭ মিলিয়ন টাকা। পরের অর্থবছরে তা বেড়ে ১০৮ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন টাকায় পৌঁছায়। এর মধ্যে মার্কিন ডলার লেনদেনই সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে। মোট ট্রেড মার্জিনের প্রায় ৭৪ শতাংশ বা ৭৯ দশমিক ৯৩ মিলিয়ন টাকা এসেছে ডলার লেনদেন থেকে।
মূল্য সংযোজনও বেড়েছে
২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট আউটপুট ছিল ১০৩ মিলিয়ন টাকা এবং স্থূল মূল্য সংযোজন ছিল ৮১ দশমিক ৪৩ মিলিয়ন টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আউটপুট বেড়ে ১২২ মিলিয়ন টাকা এবং স্থূল মূল্য সংযোজন ৯৯ দশমিক ৭৩ মিলিয়ন টাকায় উন্নীত হয়। যদিও একই সময়ে মূল্য সংযোজনে শ্রমের অংশ ৬৭ দশমিক ৬২ শতাংশ থেকে কমে ৬১ দশমিক ৫৮ শতাংশে নেমে এসেছে।
শিল্পকলা ও বিনোদন খাতে মূল্য সংযোজন বাড়ছে
দেশের শিল্পকলা ও বিনোদন খাতেও স্থিতিশীল সম্প্রসারণের চিত্র পাওয়া গেছে। বিবিএস ৩১৮টি প্রতিষ্ঠানের ওপর পরিচালিত সমীক্ষায় দেখেছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে গড়ে প্রতি প্রান্তিকে কর্মরত ছিলেন ৬ হাজার ১৯২ জন। পরের অর্থবছরে তা বেড়ে ৬ হাজার ২৯২ জনে দাঁড়ায়।
এই খাতে নিয়মিত বেতনভুক্ত কর্মীদের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবকও কাজ করছেন। ২০২২-২৩ অর্থবছরে গড়ে ২ হাজার ৪০০ জন নিয়মিত কর্মচারী এবং ২ হাজার ১৮ জন স্বেচ্ছাসেবক যুক্ত ছিলেন।
কর্মসংস্থান ব্যয় ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রায় ১৯১ দশমিক ৭ মিলিয়ন টাকা থেকে বেড়ে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ২১২ দশমিক ৯৫ মিলিয়ন টাকায় পৌঁছেছে।
স্থূল মূল্য সংযোজনও বেড়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে এ খাতে মোট মূল্য সংযোজন ছিল প্রায় ১ হাজার দশমিক ৪১ মিলিয়ন টাকা। পরবর্তী অর্থবছরে তা বেড়ে ১ হাজার ৮ দশমিক ৯৩ মিলিয়ন টাকায় দাঁড়ায়। একই সঙ্গে মূল্য সংযোজনে শ্রমের অংশ ৭৬ দশমিক ৬৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৮৪ দশমিক ৪৩ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা এই খাতের শ্রমনির্ভর চরিত্রকে আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে বাড়ছে কর্মসংস্থান
খানাসমূহে সেবা প্রদানকারী অলাভজনক প্রতিষ্ঠান (এনপিআইএইচএস) খাতেও কর্মসংস্থান ও স্থূল মূল্য সংযোজনে (জিভিএ) ইতিবাচক ধারা দেখা গেছে। সাধারণত শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক উন্নয়ন, মানবিক সহায়তা ও বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এ খাতের অন্তর্ভুক্ত। এসব প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য মুনাফা অর্জন নয়; বরং সেবা প্রদান। ফলে এ খাতের মূল্য সংযোজনের বড় অংশই তৈরি হয় কর্মসংস্থান ব্যয়ের মাধ্যমে।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ত্রৈমাসিকভিত্তিক কর্মসংখ্যায় কিছুটা ওঠানামা থাকলেও পুরো বছরজুড়ে গড়ে প্রায় ৭ হাজার ২২৭ জন কর্মী এ খাতে নিয়োজিত ছিলেন। কর্মীদের মধ্যে পুরুষের সংখ্যাই বেশি ছিল। নারী কর্মীদের অংশীদারিত্ব পুরো বছরজুড়ে ১৮ থেকে ১৯ শতাংশের মধ্যে স্থিতিশীল ছিল।
পরবর্তী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কর্মসংস্থানে ধারাবাহিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায়। প্রথম ত্রৈমাসিকে কর্মসংস্থান ছিল ৭ হাজার ২৭৮ জন, যা ক্রমান্বয়ে বেড়ে চতুর্থ ত্রৈমাসিকে ৭ হাজার ৫৫৮ জনে পৌঁছায়। এ সময়ও পুরুষ কর্মীদের সংখ্যাই বেশি ছিল।
মূল্য সংযোজনের তথ্যেও এই খাতের শ্রমনির্ভর কাঠামোর প্রতিফলন পাওয়া যায়। ২০২২-২৩ অর্থবছরে এনপিআইএসএইচ খাতের মোট স্থূল মূল্য সংযোজন ছিল প্রায় ১ হাজার ৫২৮ দশমিক ২৭ মিলিয়ন টাকা। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় উপাদান ছিল কর্মসংস্থান ব্যয়, যার পরিমাণ ১ হাজার ৩৩০ দশমিক ৭২ মিলিয়ন টাকা। বিবিএস বলছে, যেহেতু এসব প্রতিষ্ঠান সাধারণত পরিচালন উদ্বৃত্ত সৃষ্টি করে না, তাই এ খাতের মূল্য সংযোজন মূলত মজুরি ও বেতনভিত্তিক ব্যয়ের ওপর নির্ভরশীল।
নির্মাণ খাতে উৎপাদনের এক-তৃতীয়াংশের বেশি স্থূল মূল্য সংযোজন
নির্মাণ খাতের বিভিন্ন উপখাতের ব্যয় কাঠামো সম্পর্কিত সমীক্ষায়ও কর্মসংস্থান ও মূল্য সংযোজনের গুরুত্বপূর্ণ চিত্র উঠে এসেছে। এ খাতে মোট কর্মসংস্থান ছিল ৬ হাজার ৮৭৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ কর্মী ৬ হাজার ১৪৪ জন এবং নারী কর্মী ৭৩০ জন।
প্রতিষ্ঠানভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে বৃহৎ প্রতিষ্ঠানগুলো। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন ৫ হাজার ২৯১ জন।
খাতটিতে মোট কর্মসংস্থান ব্যয় ছিল ২৬ হাজার ৩২৩ দশমিক ৭৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে পুরুষ কর্মীদের জন্য ব্যয় হয়েছে ২৩ হাজার ১১৪ দশমিক ৯৭ লাখ টাকা এবং নারী কর্মীদের জন্য ৩ হাজার ২০৮ দশমিক ৭৯ লাখ টাকা।
সমীক্ষাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৮১ হাজার ৭৪৬ লাখ টাকা। এর বিপরীতে মোট স্থূল মূল্য সংযোজন হয়েছে ৩০ হাজার ১২৫ লাখ টাকা, যা মোট উৎপাদনের প্রায় ৩৬ দশমিক ৮ শতাংশ।
প্রতিষ্ঠানের আকারভেদে মূল্য সংযোজনের হারে কিছু পার্থক্যও দেখা গেছে। ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানে মূল্য সংযোজনের হার ছিল সর্বোচ্চ ৩৭ দশমিক ২ শতাংশ। মাঝারি প্রতিষ্ঠানে এ হার ৩৬ দশমিক ৯ শতাংশ এবং বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে ৩৪ শতাংশ।
বিবিএসের সমীক্ষার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, খাতগুলোর প্রকৃতি ভিন্ন হলেও প্রায় সব ক্ষেত্রেই কয়েকটি সাধারণ প্রবণতা রয়েছে। অধিকাংশ খাতেই কর্মসংস্থান ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে কর্মসংস্থান ব্যয় বেড়েছে, যা মজুরি ও বেতন প্রদানের পরিমাণ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। এছাড়া প্রায় সব খাতেই স্থূল মূল্য সংযোজন বেড়েছে, অর্থাৎ উৎপাদন কার্যক্রম থেকে অর্থনীতিতে নতুন সম্পদ সৃষ্টির পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে।
কুরিয়ার সেবা ও মানি এক্সচেঞ্জ খাতে আউটপুট এবং মূল্য সংযোজন একসঙ্গে বেড়েছে। শিল্পকলা ও বিনোদন এবং এনপিআইএসএইচ খাতে শ্রমনির্ভর কার্যক্রমের কারণে মূল্য সংযোজনে কর্মসংস্থান ব্যয়ের অবদান সবচেয়ে বেশি। অন্যদিকে নির্মাণ খাতে উৎপাদনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মূল্য সংযোজন তৈরি হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
অর্থনীতিবিদ মাজেদুল হক বলেন, এসব খাত জিডিপিতে অন্তর্ভুক্ত হলে রাষ্ট্রের জন্য চাহিদা-যোগান, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিকল্পনা গ্রহণ আরও সহজ ও কার্যকর হবে। একই সঙ্গে দেশের জিডিপির প্রকৃত আকার এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের পরিধিও আরও যথাযথভাবে প্রতিফলিত হবে।
তিনি আরও বলেন, তথ্যস্বল্পতা কাটিয়ে উঠতে বিবিএসের তথ্য সংগ্রহ সক্ষমতা বাড়াতে হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং নিয়মিত তথ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি। তাহলে ভবিষ্যতে এসব খাতকে জিডিপির অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হবে, যা রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণ ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
এএ
- ১ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী
- ২তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
- ৩‘তেলাপোকাদের’ চিহ্নিত করে গুন্ডা দমন আইনে মামলার ঘোষণা শুভেন্দুর
- ৪মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
- ৫পল্টনে আল ওয়াহদাহ ফাউন্ডেশনের ফ্রি কুরআন বিতরণ
- ৬খেলাধুলা যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পারে : আইজিপি
- ৭চকরিয়ায় বন্যার্ত ৫০ পরিবারকে ধরা’র ত্রাণ বিতরণ
- ৮সৌদিতে ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের হামলা, তেল পরিশোধনাগার থেকে বের হচ্ছে ধোঁয়া
- ৯ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেলেঙ্কারিতে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জড়িত
- ১০রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে হাফিজ উদ্দিন আহমদ, প্রজ্ঞাপন জারি
- ১চা শ্রমিককে মারধরের অভিযোগে দুই ঘণ্টার কর্মবিরতি ও মানববন্ধন
- ২চকরিয়ায় বন্যার্ত ৫০ পরিবারকে ধরা’র ত্রাণ বিতরণ
- ৩বীরগঞ্জে সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার
- ৪কুলাউড়ায় তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু
- ৫রংপুর বিভাগের নেতাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সভায় তারেক রহমান
- ৬হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
- ৭সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে দেশের নতুন চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী
- ৮চট্টগ্রাম অঞ্চলে বন্যায় ভেসে গেল ফসল, কৃষকের মাথায় হাত
- ৯হাইটেক পার্ক আধুনিকায়ন, বায়োটেক পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
- ১০অবশেষে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ





পাঠকের মতামত