
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের চারটি দেশ ইতালি, জার্মানি, গ্রিস ও রোমানিয়া বাংলাদেশ থেকে তিন হাজার বাংলাদেশি কর্মী নেবে।
রোববার (১৪ জুলাই) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলির বিদায়ী সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
ড. হাছান বলেন, এ তিন হাজার কর্মীর দক্ষতার ওপর নির্ভর করে ভবিষ্যতে আরও কর্মী নেওয়ার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছেন ইইউ রাষ্ট্রদূত। পাশাপাশি বাংলাদেশ ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার পরও ২০৩২ সাল পর্যন্ত যাতে আমাদের পণ্যের জন্য ইইউ থেকে জিএসপি বা শুল্কহ্রাস সুবিধাসহ এখন যে অন্যান্য সুবিধা পাই, সেগুলো যেন অব্যাহত থাকে, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
সাংবাদিকেরা এ সময় সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী সমাবেশে গুলিবর্ষণের বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমাদের অবস্থান অত্যন্ত পরিষ্কার। রাজনীতিতে আমরা কোনো সংঘাত চাই না। আমাদের দেশে যেমন মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করা হয়, মানুষের সম্পত্তি পোড়ানো হয়, সেটি কখনো কাম্য নয়। এটি অনভিপ্রেত, আইনবিরোধী।
গতকাল শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় ট্রাম্পের ওপর এ হামলার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, অতীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে কখনো সহিংসতা ছিল না। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ হামলায় আমরা উদ্বিগ্ন ও নিন্দা জানাই। রাজনীতিতে সহিংসতা থাকা উচিত নয়, সেটি আমরা মনে করি।
চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোটার বিষয়টি আদালতের মাধ্যমে এসেছে। সরকার শিক্ষার্থীদের ওপর সহানুভূতিশীল হয়ে পুরো কোটাই বাতিল করে দিয়েছিল। হাইকোর্ট সেটি পুনর্বহাল করেছিলেন, সুপ্রিম কোর্ট স্থগিত করেছেন। কোটা আদালতের একটি বিচারাধীন বিষয়। সে কারণে এর ওপর সরকার কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারে না। তাহলে আদালত অবমাননা হবে। আদালতের মাধ্যমেই এর সমাধান হতে হবে।
কোটা আন্দোলন থেকে বিএনপি সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপি তো সব সময় চায় দেশকে অস্থিতিশীল করতে। নিজেদের তো কিছু করার ক্ষমতা নেই, তারা অপরের ঘাড়ে চেপে বসে। কোনো সময় কোটার ওপর ভর করে, কোনো সময় তেল-গ্যাসের ওপর ভর করে, কোনো সময় আবার অন্য কিছুর ওপর ভর করে। বিএনপি কোটা আন্দোলন থেকেও সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে। সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের পর সুপ্রিম কোর্ট স্থিতাবস্থা বজায় রাখার জন্য আদেশ দিয়েছেন। অর্থাৎ সরকার যে কোটা বাতিল করেছিল, সেটিই বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্ট। এরপরও যখন আন্দোলন হয়, বুঝতে হবে এটির সঙ্গে রাজনীতি যুক্ত হয়েছে।
এএন
- ১চট্টগ্রামে ২০ হাজার নলকূপ ক্ষতিগ্রস্ত, নিরাপদ পানির তীব্র সংকট
- ২শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড: শেখ হাসিনাসহ পলাতকদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
- ৩ফটিকছড়িতে চলছে দ্বিতীয় দিনের হরতাল,মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ
- ৪চাঁদপুরে সংস্কার শেষ না হতেই ধসে পড়ছে বাঁধের মাটি
- ৫মেঘনায় মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ, হতাশা নিয়ে ফিরছেন জেলেরা
- ৬ড. মুহাম্মদ ইউনূস: করিডোরের কৌশলগত ভবিষ্যৎ
- ৭ঢাকা ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ৩০ জুলাই
- ৮আরএকে সিরামিকসে সিইও নিয়োগ
- ৯মার্কেন্টাইল ব্যাংকের বোর্ড সভা ৩০ জুলাই
- ১০ভরিতে ২২১৬ টাকা বাড়ল স্বর্ণের দাম
- ১চলতি অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার
- ২কোনো একসময় বাংলাদেশ বিশ্বকাপ ফুটবল খেলবে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
- ৩চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
- ৪বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
- ৫২৫ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৮ হাজার ৪৭ কোটি টাকা
- ৬নড়াইলে দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি সম্পন্ন
- ৭বাজারের ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক
- ৮সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ সরকার পর্যালোচনা করছে
- ৯সরকারের পাঁচ মাসেই নানা কথা শুরু হয়েছে, সুযোগ হারানো যাবে না
- ১০জনতা ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ৩০ জুলাই





পাঠকের মতামত