
বাগেরহাটে ১০ বছরে জনসংখ্যা বেড়েছে ১ লক্ষ ৩৯ হাজার। সর্বশেষ ২০২২ সালের জনশুমারির অনুযায়ী জেলার মোট জনসংখ্যা ১৬ লাখ ১৩ হাজার । ২০১১ সালে মোট জনসংখ্যা ছিল ১৪ লাখ ৪৯ হাজার জন। এর আগে ২০০১ সালের জরিপে এই জেলার জনসংখ্যা ছিল ১৫ লক্ষ ৪৯ হাজার, ১৯৯১ সালে ছিল ১৪ লক্ষ ৩১ হাজার এবং ১৯৮১ সালে ১২ ললক্ষ ৩ হাজার। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে বসবাসের ঘনত্বও বেড়েছে এই জেলায়।
বর্তমানে প্রতি বর্গকিলোমিটারে বসবাস করেন ৪০৭ জন। ২০১১ সালে যা ছিল ৩৭৩ জন। বেড়েছে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার। গড় বৃদ্ধির হার ০ দশমিক ৭৯ শতাংশ। ২০১১ সালে এ হার ছিল ০ দশমিক ৪৭শতাংশ। বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) দুপুরে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর জেলা রিপোর্ট প্রকাশনা অনুষ্ঠানে পরিষখ্যান ব্যুরোর পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।
প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাঃ খালিদ হোসেন। এসময় পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপসচিব মোঃ শামছুর রহমান, অতিরিক্তে জেলা প্রশাসক অলবিন্দু বিশ্বাস, জেলা পরিসংখ্যান অফিসের উপ-পরিচালক মোঃ রাসিউল ইসলামসহ বিভিন্ন শ্রেনি পেশার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্ট অনুযায়ী, জেলায় পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা বেশি। মোট জনসংখ্যার ৪৯.৭৪ শতাংশ পুরুষ ও ৫০.২৬ শতাংশ নারী। এই হিসেবে পুরুষের থেকে ৮ হাজার ৩৭৭জন বেশি নারী রয়েছে জেলায় । জেলার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ১২ লাখ ২৭ হাজার ৮৯০ জন মানুষ গ্রামে বসবাস করেন। এই জেলায় মুসলিম জনসংখ্যা ৮৩ দশমিক ২৫ শতাংশ। হিন্দু জনসংখ্যা ১৬.৩৮ শতাংশ। বৌদ্ধ জনসংখ্যা ০.১ শতাংশ। খ্রিস্টান জনসংখ্যা ০.৩৭ শতাংশ। অন্যান্য ০.০২ শতাংশ।
জনশুমারির তথ্য মতে, জেলার সবথেকে বেশি জনসংখ্যা রয়েছে মোড়লগঞ্জে। এই উপজেলোর জনসংখ্যা ৩লাখ ৪ হাজর ৮৬৫ জন। এর পরেই বাগেরহাট সদর উপজেলায় ২লাখ ৮৮ হাজার ৬৭৩ জন। এছাড়াও শরণখোলায় ১ লাখ ২০ হাজর ৯২০ জন, কচুয়ায় ১ লাখ ৭ হাজর ৪২৩ জন, চিতলমারীতে রয়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৩ জন, ফকিরহাটে রয়েছে ১ লাখ ৫৯ হাজার ১৯ জন, মোল্লাহাটে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৬১৫ জন, রামপালে ১লাখ ৭৬ হাজার ৫৮ জন এবং মোংলায় ১লাখ ৫৮ হাজার ৪৭০ জন মানুষ রয়েছে।
এই জেলার মানুষের অর্ধেকের বেশি কৃষি কাজের সাথে জড়িত। শতাংশের হিসেবে কৃষি কাজে ৫০ দশমিক ৩০ শতাংশ, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি চাকুরী ও সেবা খাতে ৩৭ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং শিল্প খাতে ১২ দশমিক ৪১ শতাংশ মানুষ জড়িত রয়েছে।
১৫ বছরের ঊর্ধ্বে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৭০. ১৪ শতাংশ। এর মধ্যে নারী ৫৭.৪৫ শতাংশ। পুরুষ ৮৩.২৮ শতাংশ। অন্যদিকে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন ২৮.৫৮ শতাংশ। এর মধ্যে নারী ১৯.২১ শতাংশ এবং পুরুষ ৩৮.২৬ শতাংশ।
এ জেলায় বিদ্যুতের সুবিধা রয়েছে ৯৮দশমিক ৯৭ শতাংশ। যা গো তো শুমারিতে ছিল ৪০দশমিক ৮২ শতাংশ।
এসকে
- ১এনএসইজেডে ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে এমইপি, তৈরি হবে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম
- ২১৬ বছরে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে: চট্টগ্রামে আইনমন্ত্রী
- ৩খানজাহান আলী বিমানবন্দর চালু হলে বদলে যাবে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতি
- ৪বাজারের ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক
- ৫অনেক বছর পরে মানিকগঞ্জবাসীর স্বপ্ন পূরণের সুযোগ এসেছে: পর্যটন মন্ত্রী
- ৬নড়াইলে দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি সম্পন্ন
- ৭তালিকাভুক্ত কোম্পানিতে নারী স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগের সময় বাড়াল বিএসইসি
- ৮জুলাই নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে ইবিতে ‘রিমেম্বারিং জুলাই’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত
- ৯২৫ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৮ হাজার ৪৭ কোটি টাকা
- ১০মাদারীপুরে দুই প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা
- ১সার্ককে আরও গতিশীল করতে চায় বাংলাদেশ-মালদ্বীপ
- ২কোনো একসময় বাংলাদেশ বিশ্বকাপ ফুটবল খেলবে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
- ৩তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান
- ৪বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
- ৫চলতি অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার
- ৬সিরিয়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ৩৫
- ৭সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ সরকার পর্যালোচনা করছে
- ৮চাঁদপুর জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ার বাবলু মারা গেছেন
- ৯সরকারের পাঁচ মাসেই নানা কথা শুরু হয়েছে, সুযোগ হারানো যাবে না
- ১০চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর





পাঠকের মতামত