
করোনার দীর্ঘ মন্দা কাটিয়ে চলতি বছর থেকে চাঙ্গা হতে শুরু করেছিলো সিলেটের পর্যটন খাত। গত ঈদে রেকর্ডসংখ্যাক পর্যটক ভিড় করেছিলেন সিলেটে। তবে ফের স্থবিতরা দেখা দিয়েছে পর্যটন শিল্পে। এবার বন্যার কারণে স্থবির সিলেটের পর্যটনখাত।
গত মাসে ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়ে সিলেট। গত ১৮ বছরের মধ্যে সবটেয়ে বড় এ বন্যার পানি ইতোমধ্যে কমে এসেছে। তবে বন্যার ক্ষত এখনো রয়েগেছে। ক্ষতিও কাটিয়ে উঠা সম্ভব হয়নি। বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারেনি পর্যটনখাতও। বন্যার কারণে এখন সিলেটে আসছেন না পর্যটকরা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্ষা মৌসুমে সিলেটে সবচেয়ে বেশি পর্যটক সমাগম হয়। এখানকার পাহাড়, ঝর্না, হাওর, জলাবরন, নদী-বর্ষায় সবচেয়ে সুন্দর রূপ ধারণ করে। তাই এসময়ে সিলেট অঞ্চলে পর্যটক সমাগম হয় সবচেয়ে বেশি। তবে এবারের চিত্র ভিন্ন। এবার ভরা বর্ষায়ও পর্যটক শূন্য সিলেট। সিলেটের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র বিছনাকান্দি। বর্ষা মৌসুমেই এখানকার নদী- ঝর্ণা-পাহাড় মোহনীয় রূপ নেয়। তবে এবার বর্ষায় পর্যটক নেই বিছনাকান্দিতে।
বিছনাকান্দি পর্যটনকেন্দ্রের ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমির মহোসেন বলেন, এবার একেবারে পর্যটক আসছেন না। প্রায়ই দিনই ফাঁকা থাকছে পর্যটন কেন্দ্র।
তিনি বলেন, বন্যার পানি এখন অনেকটাই কমে এসেছে। তবে পর্যটকরা হয়তো মনে করছেন এখনও বন্যা রয়ে গেছে। এ কারণে তারা আসছেন না। ভরা মৌসুমেও পর্যটকরা না আসায় বিছনাকান্দি এলাকার ব্যবসায়ীরা বড় ধরণের ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে জানান আমির। পর্যটক নেই সিলেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র জাফলংয়েও। অন্যান্য বছর এই সময়ে জাফলংয়ে পর্যটকদের ভিড় লেগে থাকলেও এখন জাফলং পুরো ফাঁকা।
জাফলংয়ে ঘুরতে আসা পর্যটকদের ছবি তোলার কাজ করেন আব্দুর রহিম। তিনি বলেন, বন্যার পর থেকে এখানে পর্যটকরা একেবারে আসছেন না। পর্যটক না আসায় আমরা প্রায় বেকার হয়ে পড়েছি। বন্যার কারণেই পর্যটকরা আসছেন না বলে জানিয়েছেন নগরের জিন্দাবাজার এলাকার হোটেল গোল্ডেন সিটির ব্যবস্থাপক মৃদুল দত্ত মিষ্ঠুও। তিনি বলেন, বন্যার পানি নামতে শুরু করলেও এখনও পুরোপুরি নামেনি। এখন আবার নদীর পানি বাড়ছেও। ফলে পর্যটকরা এবছর বর্ষায় সিলেটে আসছেন না। পর্যটক না আসায় এইখাতের ব্যবসায় চরম মন্দা চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, করোনার দীর্ঘ ধকল কাটিয়ে পর্যটন খাত এবছর থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছিলো। এখন বন্যার কারণে আবার মন্দ দেখা দিলো।
প্রসঙ্গত, গেল মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে ভয়াবহ বন্যায় আক্রান্ত হয়েছিল সিলেট ও সুনামগঞ্জ। সপ্তাহব্যাপী স্থায়ী সে বন্যায় শত কোটি টাকার ক্ষতি হয় এ দুই জেলায়।
- ১তিন যুগের ঋণের বোঝা থেকে মুক্তি
- ২যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন
- ৩দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশনের নতুন প্রেস মিনিস্টার সাইদুর রহমান
- ৪চট্টগ্রামে শিশু আয়নী হত্যাকাণ্ড, সবজি বিক্রেতা রুবেলের মৃত্যুদণ্ড
- ৫সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের ফ্ল্যাট থেকে দেড় হাজার বিলাসবহুল পণ্য উদ্ধার
- ৬সরিষাবাড়ীতে কাঁচা রাস্তা সংস্কার ও ড্রেনেজ কাজের উদ্বোধন
- ৭ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম
- ৮যবিপ্রবিতে ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬’ উদযাপিত
- ৯রাষ্ট্রের প্রতিটি কর্মঘণ্টা ও করের টাকার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে
- ১০জুলাইয়ের তাৎপর্য অত্যন্ত গভীরভাবে উপলব্ধি করতে হবে : রিজভী
- ১চাঁদপুরে এক কালভার্ট বদলে দেবে ৮ গ্রামের মানুষের জীবন
- ২মে মাসে ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় ধাক্কা
- ৩কেশবপুরে দুই দিনব্যাপী মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
- ৪কমলগঞ্জে মনিপুরি গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
- ৫প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হলেন রাশেদ খাঁন
- ৬সারাদেশে ফ্যামিলি কার্ড সম্প্রসারণ পরিকল্পনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
- ৭রণক্ষেত্র দিল্লি: ভারতের ইতিহাসে ‘সবচেয়ে বড় আন্দোলনের’ ডাক সিজেপির
- ৮প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ, সহযোগিতা জোরদারের আশ্বাস
- ৯মেসি নয়, সেরা খেলোয়ারের পুরস্কার জিতলেন রদ্রি
- ১০বিজিবিকে আরও শক্তিশালী করতে জনবল-প্রযুক্তি-অস্ত্র বাড়ানো হবে





পাঠকের মতামত