
মাদারীপুর জেলার ৫টি উপজেলায় চলতি মৌসুমের শুরুতে অতিবৃষ্টি ও প্রচন্ড রোদে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনেক পাটক্ষেত। আগাম বৃষ্টিতে ক্ষেতের নিচু অংশে পানি জমায় পাটের গোড়ায় পচন ধরায় অনেকেই অপরিপক্ক পাট কেটে ফেলেছেন। পাট রোপণের প্রথম দিকে প্রচন্ড খরা থাকায় বারবার সেচ দেওয়ায় বেড়েছে উৎপাদন খরচ। কৃষকের দাবি প্রথম দিকে খড়া ছিল, এরপর বৃষ্টিতে পাট একেবারেই নষ্ট হয়ে গেছে। আগে বিঘায় ১৫ থেকে ২০ মণ পাট হলেও এবার সর্বোচ্চ হবে ৬ থেকে ৭ মন। ইতোমধ্যে ক্ষেত থেকে পাট কাটা অধিকাংশ জায়গায় কাজ শেষ করেছে। অনেকে আবার পাট পরিপত্র করার ব্যস্ত সময় পার করছে,আর মুক্ত জলাশয়ে জাগ দেওয়া পাট থেকে আঁশ ছাড়ানোর ও শুকানো কাজ শেষ করে বিক্রির চিন্তা করছেন। কিন্তু দাম নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন কৃষকরা।
মাদারীপুর সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের পখিরা এলাকার কৃষক কুদ্দুস বেপারী। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও দেড় একর জমিতে পাট রোপণ করেন। কিন্তু অতিবৃষ্টি ও প্রচন্ড রোদে অধিকাংশ জায়গার পাট নষ্ট হয়ে যাওয়ায় এবার লোকসান পোহাতে হবে তার। তবে শুধু কুদ্দুস বেপারী নয় এই এলাকার অন্তত পঞ্চাশ জন কৃষকের একই অবস্থা। তাদের অভিযোগ, প্রতি বিঘাতে পাট চাষাবাদে হালচাষ, বীজ, সার, কীটনাশক, পানি সেচ, নিড়ানি, জাগ দেওয়া ও শ্রমিকসহ ঘরে উঠানো পযন্ত খরচ পড়ে প্রায় ১১ হাজার থেকে ১৪ হাজার টাকা। যেখানে বিঘা প্রতি ফলন হয় ৬-৭ মণ। এতে সকল খরচ বাদ দিয়ে লাভ তো দূরের কথা সমান থাকতেই কষ্ট হবে।
এদিকে মাদারীপুরে কিছু জায়গায় চলতি বছর পাটের ফলন ভালো হলেও পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি। এর মধ্যে উৎপাদন খরচ আগের তুলনায় অনেক বেড়ে যাওয়ায় পাটের ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় আছেন কৃষকেরা। সরকারি ও বেসরকারি পাটকলগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সঠিক দাম পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় ও হতাশায় পড়েছেন কৃষকরা। মাদারীপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক ড. সন্তোষ চন্দ্র চন্দ বলেন, স্বচ্ছ পানিতে যত্ন সহকারে পাট জাগ দিয়ে সুন্দর পাটের আঁশ উৎপাদন করতে পারলে কৃষকরা বাজারে ভালো দাম পাবে।
জানা গেছে, চলতি বছর মাদারীপুর জেলার ৫টি উপজেলায় চলতি বছর ৩৬ হাজার ৮৬০ হেক্টর জমিতে দেশি, তোষা ও মেস্তা জাতের পাটের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল।যা থেকে ৩৪ হাজার ৯শ’ ২১ মেট্রিক টন পাট উৎপাদন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
এম জি
- ১ব্যাংকঋণের সুদের হারে লাগাম টানতে কমল নীতি সুদহার
- ২হজ ও ওমরাহ্ ফেয়ার-এ আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের স্টল উদ্বোধন
- ৩সুন্দরবন উপকূলের মিলির স্বপ্ন শুধু একটি ঘর
- ৪১৮ বছর পর বাড়ি ফিরলেন আলমগীর!
- ৫দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান, স্বস্তি ফিরেছে হাজারো মানুষের চলাচলে
- ৬জুলাই সনদের সকল চুক্তি সংসদে বিএনপি পাশ করবে: জয়নুল আবেদীন
- ৭বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি দিপু, সম্পাদক জালাল
- ৮জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে কয়রায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বিক্ষোভ
- ৯বাংলাদেশে আর কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, ফ্যাসিবাদের ছায়া দেখতে চাই না
- ১০সংবাদকর্মীদের স্বার্থে গণমাধ্যম কমিশন গঠনের কাজ চলছে: তথ্যমন্ত্রী
- ১ক্যান্সার গবেষণায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন চাঁদপুরের আবু আলী সিনা
- ২শ্রীমঙ্গলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু
- ৩সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে পুনঃনিয়োগ পেলেন অ্যাডভোকেট ফারুক হোসেন
- ৪আইন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনাগুলো জুলাই সনদের আলোকেই বাস্তবায়ন হবে
- ৫চা শ্রমিকদের ৫০০ টাকা মজুরি কার্যকরের দাবিতে কমলগঞ্জে গণবিক্ষোভ
- ৬পাবনায় অপহৃত স্কুলছাত্র উদ্ধার; আটক ৫
- ৭এনসিপি নেতৃবৃন্দের উপর হামলার প্রতিবাদে ইবিতে মানববন্ধন
- ৮শেরপুরে বিএনপি ছেড়ে দুই নেতা-কর্মীর জামায়াতে যোগদান
- ৯বাংলাদেশসহ ১৪ দেশ নিয়ে সৌদির সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট গঠন
- ১০ইসলামী ব্যাংক ঢাকা নর্থ ও ঢাকা সাউথ জোনের অর্ধ-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত





পাঠকের মতামত