
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। একই সঙ্গে আট বছর আগে কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) প্রসিকিউশন কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এরই মধ্যে কক্সবাজারে কাউন্সিলর একরাম হত্যা মামলার এবং শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ডের বিচারকাজ শুরু হয়েছে। এছাড়া জুলাইয়ের মামলার বিচার অগ্রাধিকার দেওয়ার পাশাপাশি গুম এবং ক্রসফায়ারের ঘটনাগুলো নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, আমাদের ১২টি মামলার রিপোর্ট আমরা দিয়েছি এবং পর্যায়ক্রমে ফর্মাল চার্জ দাখিল করছি। আরও কয়েকটা বাকি আছে, যেগুলো কয়েকদিনের মধ্যে দিয়ে দেবো।
এ সময় ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হওয়া মামলাগুলোর বিচার এক বছরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন বলেও জানান চিফ প্রসিকিউটর।
এর আগে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। চিফ প্রসিকিউটরের পক্ষ থেকে গত ২৭ জুলাই ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তৎকালীন পুলিশ প্রধান ও বিজিবি প্রধানসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।
২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা তদন্ত করে চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে একটা খসড়া তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। সেই খসড়া তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আজ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয় বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর।
শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞে নিহতদের প্রসঙ্গে মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, আমরা এ পর্যন্ত নিহত ৬১ জনের একটি তালিকা পেয়েছি। তার মধ্য থেকে ৫৮ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।
এদিকে, আট বছর আগে কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। গত ২৬ জুলাই এ অভিযোগ দাখিল করা হয়।
২০১৮ সালের ২৬ মে রাতে র্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন একরামুল। এই বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করে, যার সঙ্গে ফাঁস হওয়া একটি ফোনালাপ এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জড়িত।
এর আগে, কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদিকে গ্রেফতার দেখানো হয়। এরপর ২০২৫ সালের ২০ জুলাই তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
বিএইচ
- ১পরিবেশ দূষণ বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ
- ২মানবপাচারকারীদের নতুন কৌশল মোকাবিলায় কঠোর পদক্ষেপের নির্দেশ
- ৩সরকার পতনের চূড়ান্ত আন্দোলনের সময় এখনো হয়নি: ডা. তাহের
- ৪জুলাই আন্দোলনে জাতিকে চরম ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং রক্তমূল্য দিতে হয়েছে
- ৫বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট নিয়ে অজুহাতের মাধ্যমে দায়িত্ব এড়াতে চাই না
- ৬পাথরঘাটায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৫ নেতাকর্মী আটক
- ৭অবহেলায় ক্ষয় হচ্ছে বিশ্ব ঐতিহ্যের নয় গম্বুজ মসজিদ
- ৮৩য় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে
- ৯চুয়াডাঙ্গা আদালত চত্বরে ভুয়া আইনজীবীসহ দুইজন আটক
- ১০এবার ৮ ব্র্যান্ডের ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমে ভয়াবহ মাত্রার মার্কারি শনাক্ত
- ১চাঁদপুরে জুলাই আন্দোলনের মামলায় ৩৭৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
- ২নবীনগরে দেড়শ বিঘায় নতুন সম্ভাবনার আউশ আবাদ
- ৩চাঁদপুর ট্রাফিক পুলিশের রেকর্ড পরিমাণ মামলা ও জরিমানা আদায়
- ৪পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বৃহস্পতিবার লেনদেন বন্ধ
- ৫বিপর্যস্ত চাঁদপুর,ধরাছোঁয়ার বাইরে মাদক কারবারিরা
- ৬ময়মনসিংহে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান
- ৭ডিএসইর ছাঁটাই হওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্ব-স্ব পদে পুনর্বহাল দাবি
- ৮মৌলভীবাজারের আলোচিত রাজকান্দি বনের রেঞ্জ কর্মকর্তা প্রীতম বদলি
- ৯‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’: ইতিহাসের শিক্ষা, বৈষম্যহীন সমাজ ও ভবিষ্যতের বাংলাদেশ
- ১০শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার





পাঠকের মতামত