
রাশিয়া ও চীনের পর এবার সফলভাবে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির নৌবাহিনীর বরাত দিয়ে শুক্রবার একটি আন্তর্জানিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
মার্কিন নৌবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হয়, এই পরীক্ষা নৌবাহিনীর নকশায় হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। বাস্তব পরিস্থিতিতে অত্যাধুনিক হাইপারসনিক প্রযুক্তি ও সক্ষমতা কেমন হবে এই পরীক্ষার মধ্য দিয়ে তা বোঝা গেছে।
গত আগস্ট মাসে চীন শব্দের চেয়ে পাঁচগুণ দ্রুতগতিসম্পন্ন এবং পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম একটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছে।
৪ অক্টোবর বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছিল, রাশিয়া তাদের একটি পারমাণবিক সাবমেরিন থেকে একটি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। ব্যারেন্টস সীতে ‘সেভারোদভিনস্ক’ সাবমেরিন থেকে জিরকন নামের দুটি ক্ষেপণাস্ত্রের এই পরীক্ষা চালানো হয়।
শব্দের চেয়ে নয় গুণ দ্রুতগতিতে উড়ে গিয়ে ১,০০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এই জিরকন। শুধু এই জিরকনই নয়, আরও কয়েক ধরনের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে রাশিয়া।
এরই মাত্র কয়েকদিন আগে, সেপ্টেম্বর মাসের ২৭ তারিখ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রেথিওন নামে একটি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করে। এটি ছিল শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ দ্রুতগতিসম্পন্ন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, ২০১৩ সালের পর এই স্তরের কোন সমরাস্ত্রের সফল পরীক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই প্রথম চালালো।
বিশ্লেষকরা মতে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশগুলোর মধ্যে সামরিক শক্তিতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের প্রতিযোগিতার একটা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ পর্ব চলছে এখন। আর সেই প্রতিযোগিতার অন্যতম হাতিয়ার হলো হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র।
এতদিন ধরে বিভিন্ন দেশের হাতে যেসব দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ছিল, সেগুলো অনেকটা সেকেলে হয়ে যাচ্ছে এবং তার শূন্যস্থান পূরণ করতেই এ প্রতিযোগিতা – কার আগে কে নতুন প্রজন্মের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে পারে।
তাছাড়া, পরাশক্তিগুলোর হাতে এখন যেসব প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্র আছে, এগুলো প্রতিহত করার কৌশল প্রতিপক্ষ দেশগুলো ইতোমধ্যেই বের করে ফেলেছে। তাই চেষ্টা চলছে এমন এক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির, যা প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্র-প্রতিরক্ষা ব্যূহকে ভেদ করতে পারবে।
ঠিক এ লক্ষ্য নিয়েই তৈরি হচ্ছে হাইপারসনিক মিসাইল, যা এত দ্রুতগতির যে তা উড়ে এসে আঘাত হানার আগে চিহ্নিত করা বা মাঝপথে তাকে ধ্বংস করে দেওয়া খুব কঠিন।
অনেকেই জানেন শব্দের গতি হচ্ছে প্রতি সেকেন্ডে ১,১২৫ ফুটের মত।
অনেক সামরিক জেট বিমান বা অধুনাবিলুপ্ত কনকর্ডের মত যাত্রীবাহী বিমানও এর চেয়ে বেশি দ্রুত অর্থাৎ ‘সুপারসনিক’ গতিতে উড়তে পারে। কিন্তু একটা হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুটতে পারে শব্দের চেয়ে পাঁচ থেকে নয় গুণ বেশি গতিতে।
এটা থেকে খানিকটা ধারণা পাওয়া যায় যে এই মিসাইল কত দ্রুতগামী এবং কেন এর মোকাবিলা করা কঠিন।
- ১পাকিস্তানে কয়লাখনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ৩৪ জন নিহত
- ২চা শ্রমিকদের ৫০০ টাকা মজুরি কার্যকরের দাবিতে কমলগঞ্জে গণবিক্ষোভ
- ৩শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অনুমতি নেই: ভারত
- ৪আইন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনাগুলো জুলাই সনদের আলোকেই বাস্তবায়ন হবে
- ৫ক্যান্সার গবেষণায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন চাঁদপুরের আবু আলী সিনা
- ৬পাবনায় অপহৃত স্কুলছাত্র উদ্ধার; আটক ৫
- ৭দেশের সব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
- ৮কুয়েতে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলা
- ৯ভরিতে ২২১৬ টাকা বাড়িয়ে সোনার নতুন দাম কার্যকর
- ১০বাংলাদেশসহ ১৪ দেশ নিয়ে সৌদির সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট গঠন
- ১জবির নতুন ক্যাম্পাস প্রকল্প নিয়ে ভয়ংকর নীলনকশা!
- ২একটি সাক্ষরের ভুলে ভেঙে গেল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন
- ৩বাকৃবিতে স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের কেন্দ্রীয় ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
- ৪মিরসরাইয়ে পৈতৃক ভিটা রক্ষার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
- ৫সিরাজগঞ্জে নদীভাঙন কবলিতদের পাশে জেলা প্রশাসক
- ৬বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
- ৭এনসিপি নতুন বন্দোবস্ত বাস্তবায়নের নামে ভন্ডের রাজনীতি করছে: রাশেদ খাঁন
- ৮২০২৬ সালের মধ্যে বন্ধ কারখানা চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- ৯সিলেটে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা
- ১০৮৬ ডেপুটি অ্যাটর্নি ও ১৭৯ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ





পাঠকের মতামত