
সুনামগঞ্জে পানি কমতে শুরু করেছে। তবে শংকা কাটেনি। চেরাপুঞ্জিতে বৃষ্টিপাত হলে আবারও বাড়তে পারে পানি। শহরের কালিপুর,মল্লিকপুর, নতুনপাড়া, তেঘরিয়া ও বড়পাড়া এলাকায় সড়ক থেকে পানি নেমে গেছে। আগের মতোই শুকানো সড়কে যাতায়াত করছেন লোকজন। তবে শহরের সুলতানপুর, ওয়েজখালী, কালিপুর গ্রামের অনেক পরিবার এখনো পানিবন্দি। ১৬ দিন পর রোদের দেখা পেয়ে স্বস্তিতে আছেন দূর্গতরা। আশ্রয় কেন্দ্রের লোকজন কবে বাড়ি ফিরবেন সেই আশায় প্রহর গুনছেন। এদিকে শহরতলির কিছু এলাকায় পানি কমলেও ঢলের পানি গিয়ে ঠেলছে ভাটি এলাকা হিসেবে পরিচিত দিরাই ও শাল্লা উপজেলায়। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত তিন ফুট পানি বেড়েছে। ফয়জুল্লাহপুর এলাকার বাঁধ ভেঙে কুশিয়ারা নদীর পানি শাল্লায় ঢোকায় পানি বাড়ছে।
দিরাইয়ে উজানে পানি কমায় দিরাই উপজেলায় পানির চাপ বেড়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে দু-এক দিনের মধ্যে দিরাই বন্যাকবলিত হতে পারে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন তাঁরা। ছাতকের কিছু ইউনিয়নে পানি কমলেও বেড়েছে জাউয়া বাজার, গোবিন্দগঞ্জ, সৈয়দেরগাঁও ও সিংচাপইড় ইউনিয়নে। সুনামগঞ্জ শহরের বন্যাকবলিত সুলতানপুর গ্রামের ৭৫টি পরিবার সরকারী কলেজে আশ্রয় নিয়েছে। এই আশ্রয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, কেউ রান্নাবান্না করছেন, কেউ গ্রামের দিকে তাকিয়ে অপেক্ষায় আছেন কবে ফিরবেন বাড়ি। আশ্রয় কেন্দ্রে কথা হয় আনোয়ারা বেগমের সাথে তিনি বলেন, আমার কেউ নেই। ডিসি স্যার খাবার দিছেন। ঘরে এখনো পানি। বানের পানিতে ঘরখানা অনেক ক্ষতি হয়েছে। কিভাবে ঘরের কাজ করি সে চিন্তাই আছি। আলেয়া বেগম জানান, এখনো ঘরে হাঁটু পানি। বন্যায় ঘর, আসবাবপত্র শেষ। কিতা করুম বুঝরাম না। শাহ আলম জানান, ডিসি স্যার ও পৌর মেয়র চাল ডাল দিয়েছেন। ভালই আছি আশ্রয় কেন্দ্রে। তবে বাড়ি ফিরে কি করব, কিভাবে ঘর মেরামত করব জানিনা। তারা বন্যার পানি কমে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরগুলোর জন্য সহায়তার দাবি জানান জেলা প্রশাসনের কাছে।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল নয়টায় সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ষোলঘর পয়েন্টে সুরমা নদীর পানির উচ্চতা ছিল ৭ দশমিক ৭৭ সেন্টিমিটার। এখানে বিপৎসীমা ৭ দশমিক ৬৫ সেন্টিমিটার নীচে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জে বৃষ্টি হয়েছে ৫ মিলিমিটার। এর আগে ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছিল ৪৬ মিলিমিটার। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম জানান, এ পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বন্যাকবলিত মানুষের সহায়তায় ১৬৫ মেট্রিক টন চাল ও ১২ লাখ টাকা বিতরণ করা
হয়েছে। জেলা এখন পর্যন্ত আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে ২০টি। এতে প্রায় ৩০০ পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে শুকনো ও রান্না করা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। সুনামঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, সুনামগঞ্জে বন্যার্তদের ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত আছে। এবং যে কোনো সমস্যায় জেলা প্রশাসন প্রস্তুত আছে।
- ১এনসিসি ব্যাংকের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ২প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ৩উত্তরা ব্যাংকের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ৪স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ৫ফনিক্স ফাইন্যান্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ৬সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ৭ইস্টার্ণ ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ৮নিটল ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ৯কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ১০ব্র্যাক ব্যাংকের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ১নড়িয়ায় স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩
- ২চাঁদপুরে অনুমতি ছাড়া নদী দখল করে হোটেল নির্মাণ
- ৩রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেলেন ড. সোবহান
- ৪স্পিকারের দিকনির্দেশনা পেলেই গাজী নজরুলের এমপি পদের সিদ্ধান্ত নেবে ইসি
- ৫ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক-অপরাধ দমনে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ
- ৬জুলাইয়ে অপেক্ষা করতাম, কখন জবির মিছিল আসবে: নাহিদ ইসলাম
- ৭দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু
- ৮বিএসইসির কমিশনার হলেন হোসেন সাদাত
- ৯পুলিশ জনগণকে সঙ্গে নিয়েই বাঁচবে, কারও লাঠিয়াল বাহিনী হবে না
- ১০বাংলাদেশে জাপানি কোম্পানিগুলোর আরও বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী





পাঠকের মতামত