
হতাশা, দীর্ঘশ্বাস ও নিঃসঙ্গ জীবনের প্রায় একটি বছর পার করতে চলেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আটত্রিশ হাজার শিক্ষার্থী। উত্থান-পতনের ছন্দহীন এই যাত্রায় তাদের জীবনে রচিত হয়েছে হাজারো অলেখা কাব্য। যার ইতি টেনে চিরচেনা সেই প্রাণ কেন্দ্রে ফিরতে উদগ্রীব হাজারো ব্যাকুল প্রাণ। অন্যদিকে ক্যাম্পাসটাও যেন আজ শিক্ষার্থীদের সংস্পর্শ পেতে প্রতীক্ষায় স্থবির!
আবেগ, ভালোবাসা ও ঐতিহ্যে ঘেরা প্যারিস রোড, হাসি-ঠাট্টা, খুনসুটি আর আড্ডার প্রাণ কেন্দ্র টুকিটাকি চত্বর ও পরিবহন মার্কেট, বইখাতা ও ব্যাগে ভর্তি লাইব্রেরী চত্বর এবং মুক্ত চিন্তা ও সাংস্কৃতিক চর্চা তীর্থ স্থান রাকসু ভবনসহ ক্যাম্পাসে স্মৃতি বিজড়িত সেই জায়গাগুলো আজ প্রাণহীন। আটত্রিশ হাজার রাবিয়ানের পদচারণায় ব্যস্ত থাকা সেই পথগুলোতে যেন আজ নির্জীবতার ছায়া!
এদিকে ঘরবন্দি অবস্থায় ফেসবুকে স্মৃতির পাতা ঘেটে ক্যাম্পাসে কাটানো আনন্দঘন সেই মূহুর্তগুলো আজ আপডেট করছে শিক্ষার্থীরা। কেউ ঘরবন্দী জীবনের একাকিত্ব ও হতাশার দীর্ঘশ্বাসে হচ্ছে মানসিক রোগী। চাপ সহ্য করতে না পেরে কেউ পাড়ি জমিয়েছে দূর অজানা পথে। আবার একটুখানি প্রশান্তি খোঁজে কেউ ছুটছে চিরচেনা সেই ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে। কিন্তু সেখানেও যেন আজ নিঃসঙ্গতার ছায়া। করোনা নামক এই আতঙ্কে আরো কতদিন এভাবে নিজের হতাশা বয়ে নিয়ে বেড়াতে হবে এমন প্রশ্ন শিক্ষার্থীদের কাছে আজও অজানায় রয়ে গেছে!
অন্যদিকে দেশে শিক্ষার্থীদের উপর চালানো বিভিন্ন জরিপে বরাবরই উঠে আসছে তাদের বিষন্ন মানসিক অবস্থার চিত্র। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের হতাশা, ক্লান্তি ও নিঃসঙ্গ জীবনের গল্প প্রতিনিয়তই সবার চোখে পড়ে। ফলে অনেকে পারিবারিক, অর্থনৈতিক ও মানসিক সমস্যায় জর্জরিত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার দাবি জানাতে বাধ্য হচ্ছে। এমনকি ক্যাম্পাস না খুললে আত্মহত্যার হুমকি দিয়ে ফেসবুকে করা শিক্ষার্থীর পোস্ট হয়েছে ভাইরাল!
তাই হতাশা ও নিঃসঙ্গতার এই অনিশ্চিত চাদর সড়িয়ে মুক্ত ক্যাম্পাসে নিজেকে পুনরায় মেলে ধরতে দিনকে দিন জোরালো হচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবি। আবার কখনো আন্দোলনে উত্তাল হচ্ছে বন্ধ প্রতিষ্ঠানের বুক। যখন সারা দেশ সচল, তখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেন অচল এমন হাজারো প্রশ্নে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে তুমুল সমালোচনার ঝড়!
ইতোমধ্যে ক্যাস্পাস খোলার দাবিতে শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগঠনগুলো। এমনি স্বাস্থ্য বিধি মেনে ক্যাম্পাস খোলার পক্ষে ব্যক্তিগত মতামত দিয়ে আসছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক অধ্যাপক।
কেনানা সময়টা এমন হয়েছে যে,গাড়ীর চাকাই শুধুমাত্র তার ছন্দপথ ধরে রাখতে পেরেছে কিন্তু গাড়ীর ভিতরের মানুষগুলো আজ ছন্দহীন গল্পে ভরপুর। ফলে সকল নিঃসঙ্গতা ও হতাশা কাটিয়ে একটুখানি প্রশান্তির খোঁজে একটি গন্তব্যে ফেরার প্রতীক্ষায় আজ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজারো তরুণ প্রাণ!
- ১শফিউল বারীর মৃত্যুবার্ষিকীতে কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদলের দোয়া ও মিলাদ
- ২গ্যাস সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
- ৩জনগণের ওপরে যারা ক্ষমতা প্রদর্শন করবে তারা দলের শত্রু: তথ্যমন্ত্রী
- ৪ফরিদপুরে অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবসায়িক সম্মেলন
- ৫চবিতে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধন
- ৬বাংলাদেশে জাপানি কোম্পানিগুলোর আরও বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
- ৭বঙ্গভবনে অফিস করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন
- ৮স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-আইওএম মিশন প্রধানের বৈঠকে মানবপাচার রোধে সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার
- ৯আলমডাঙ্গায় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান
- ১০নড়িয়ায় স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩
- ১১৩ দিনে সরকারের ব্যাংক ঋণ ৯ হাজার ২০৯ কোটি টাকা
- ২চরফ্যাসনে পানিতে ডুবে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু
- ৩জাতীয় অধ্যাপক হলেন অর্থনীতিবিদ মাহবুব উল্লাহ
- ৪স্পিকারের দিকনির্দেশনা পেলেই গাজী নজরুলের এমপি পদের সিদ্ধান্ত নেবে ইসি
- ৫লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল
- ৬রপ্তানি খাতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ভূমিকা অপরিসীম: বাণিজ্যমন্ত্রী
- ৭নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন শুরু ২ আগস্ট
- ৮চাঁদপুরে অনুমতি ছাড়া নদী দখল করে হোটেল নির্মাণ
- ৯দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু
- ১০‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ডব্লিউএফপির সহযোগিতা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী





পাঠকের মতামত