
মধুমতি মডেল টাউন হাউজিংয়ের বাসিন্দাদেরকে তাঁদের ক্রয়কৃত বসতভিটা হতে উচ্ছেদ কার্যক্রম বন্ধের দাবিতে রাজউক চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালন করেছে প্রকল্প এলাকার বাসিন্দা ও প্লট মালিকরা। এসময় তারা প্রকল্প এলাকাকে ড্যাপে আরবান রেসিডেনশিয়াল এরিয়া হিসেবে চিহ্নিত করার দাবি জানান।
‘মেট্রো মেকার্স এন্ড ডেভেলপার্স লিঃ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ‘মধুমতি মডেল টাউন হাউজিং প্রকল্পে প্রায় ৩,৫০০ প্লট মালিক রয়েছে। তাঁরা ২০০১ সাল থেকে রেজিস্ট্রেশন, নামজারি, খাজনা পরিশোধ ও বাড়িঘর করে এখানে বসবাস করে আসছে। সকল রেকর্ড পত্র- সি.এস/এস.এ ও আরএস পর্চাসমূহে সুস্পষ্টভাবে জমিগুলো ব্যক্তিমালিকানাধীন নাল জমি হিসেবে বর্ণিত আছে বলে উল্লেখ করেন তারা। প্লট ক্রয়ের সময় কোন সরকারি বা বেসরকারি সংস্থা হতে কোনো আপত্তি তোলা হয়নি বলেও জানান তারা।
জানা যায়, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) ২০০৪ সালে বন্যা প্রবাহ অঞ্চলে অবস্থিত দাবী করে প্রকল্পটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট পিটিশন দায়ের করে। আদালত ২০০৫ সালের ২৭ ই জুলাই প্রকল্পটি অবৈধ ঘোষণা করে রা দেয়। একই সাথে প্রকল্প বৈধ হওয়ার রাস্তা খোলা আছে বলে উল্লেখ করা হয়। এই নির্দেশনার প্রেক্ষিতে একটি হাউজিং প্রকল্প অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় ৯টির মধ্যে সরকারের ৮টি বিভাগ যথা পানি উন্নয়ন বোর্ড, ভূতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ, তিতাস গ্যাস এন্ড ট্রান্সমিশন, ঢাকা ওয়াসা, পল্লী বিদ্যুৎ, টি এন্ড টি বোর্ড, ঢাকা সিটি করপোরেশন, ঢাকা যানবাহন সমন্বয় বোর্ড (ডিটিসিবি) প্রকল্প অনুমোদনের জন্য মেট্রো মেকার্সকে ছাড়পত্র দেয় বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ।
পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্ট ২০১২ সালের ৭ই আগষ্ট ওই প্রকল্পকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় প্রদান করে। সেই সাথে মেট্রো মেকার্স কে বলা হয় তাদের খরচে প্রকল্প এলাকার ভরাটকৃত মাটি সরিয়ে এটিকে আবার ধানক্ষেতে রুপান্তর করতে। আর প্লট ক্রেতাদের তাদের মোট প্রদেয় টাকার দ্বিগুণ এবং রেজিস্ট্রেশন বাবদ সকল খরচ প্রদান করে ৬ মাসের মধ্যে প্রকল্পটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য মেট্রো মেকার্স কে নির্দেশনা দেয়।
রায়ের বিরুদ্ধে মেট্রো মেকার্স ও প্লট মালিকদের পক্ষ হতে রিভিউ পিটিশন করা হয়। ২০১৯ সালের ২৫ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টে সব রিভিউ পিটিশন খারিজ হওয়ার পর প্রায় ৬ বছর অতিক্রান্ত হলেও আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মেট্রো মেকার্স কর্তৃপক্ষ থেকে কোন টাকা প্রদান করা হয়নি বলে জানান তারা। বর্তমানে উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টে রিভিউ খারিজের রায়ের বিরুদ্ধে মডিফিকেশন এর দরখাস্ত শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
জানা গেছে, প্রকল্পে বর্তমানে ৮০০’র বেশি আবাসিক ভবনে প্রায় ৫০ হাজার লোক বসবাস করেন। প্রকল্পের বাণিজ্যিক জোনে ১০০টির অধিক পোলট্রি ও ডেইরি ফার্ম, ৮টি রিসোর্ট, ৩টি মসজিদ, ৪টি মাদ্রাসা, স্কুল, প্রতিবন্ধী পুনর্বাসন কেন্দ্রসহ ও অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
গত ৬ জানুয়ারি মধুমতি মডেল টাউন হাউজিংয়ে বসবাসকারী প্লট মালিককে উচ্ছেদ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে রাজউক।
এমতাবস্থায়, যে কোনো রকম উচ্ছেদ পরিকল্পনা থেকে বিরত থেকে নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার সুরক্ষা ও শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করায় বিঘ্ন ঘটানো থেকে নিবৃত থাকতে অনুরোধ জানিয়েছেন বাসিন্দারা। এছাড়া মধুমতি মডেল টাউন প্রকল্প এলাকাকে ড্যাপ এ আরবান রেসিডেনশিয়াল এরিয়া হিসেবে চিহ্নিত করার জন্য রাজউক চেয়ারম্যানকে অনুরোধ করেছেন প্লট মালিক ও বাসিন্দারা।
- ১হাতির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: পরিবেশমন্ত্রী
- ২বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল
- ৩অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই দেশজুড়ে দারাজের ‘ফাস্ট ডেলিভারি’ চালু
- ৪বাংলা কিউআর পেমেন্ট উৎসাহিত করতে মার্চেন্টদের নিয়ে বিকাশের মতবিনিময়
- ৫পূবালী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মনির উদ্দিন আহমেদের স্মরণে শোকসভা
- ৬শপিংমল-দোকানপাট রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ, বিলবোর্ড ৭টায়
- ৭রংপুর রেঞ্জের নতুন ডিআইজি আবদুল মাবুদ
- ৮বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ক আরও জোরদারে অঙ্গীকার
- ৯কুবিতে সাড়ে ৮ শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ছাত্রশিবিরের নবীনবরণ
- ১০বন্যার্তদের পাশে আইএসডিই, পূর্ব বড় ভেওলায় ৫১০ পরিবারের মুখে স্বস্তি
- ১মার্জিন ঋণে নতুন নিয়ম, শেয়ারের সর্বোচ্চ পিই ৪০
- ২সাসপেন্ড ইসলামী ব্যাংক কর্মকর্তা
- ৩চট্টগ্রামে একাদশে শিক্ষার্থী ভর্তির পরও খালি থাকবে অর্ধেকের বেশি আসন
- ৪বিএসএফ’র গুলিতে নিহত বাংলাদেশী যুবককের মরদেহ হস্তান্তর
- ৫গাজীপুর, খুলনা ও কুষ্টিয়ায় নতুন পুলিশ সুপার
- ৬ফ্যামিলি কার্ড পেতে বিএনপি নেতাদের দ্বারে ঘুরছেন বিরোধিতাকারীরা : নুরুল আমিন
- ৭চট্টগ্রামে বৃক্ষমেলার উদ্বোধন করলেন অর্থমন্ত্রী
- ৮সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন নামঞ্জুর
- ৯কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে ভারতের অ্যাম্বুলেন্স
- ১০ভারত থেকে আসছে ১৯ রেল কোচ





পাঠকের মতামত