
তারল্য সংকটে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ১৪ দিনের জন্য টাকা ধার বা রেপো নেওয়ার যে সুবিধা, সেটা আগামী মাস থেকে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
এর আগে গত ১০ এপ্রিল থেকে ২৮ দিনের রেপো বন্ধ করে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ১৪ দিনের রেপো বন্ধ হওয়ার কথা ছিল চলতি মাসেই। কিন্তু সেটা আরও এক মাস পিছিয়ে যাওয়ার আভাস এল বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খানের কাছ থেকে।
মঙ্গলবার তিনি বলেন, গভর্নরের নির্দেশনা রয়েছে। ১৪ দিনের রেপো বন্ধ করে দেওয়া হবে। এটা কার্যকর হবে জুলাই থেকে।
বাণিজ্যিক ব্যাংক তারল্য সংকটে পড়লে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকা ধার নেয়, যা রেপো হিসেবে পরিচিত। এর সুদহার ঠিক হয় রেপো বা ‘রিপারচেজ অ্যাগ্রিমেন্টের’ মাধ্যমে।
আর রিভার্স রেপোর মাধ্যমে (জুলাই থেকে যা পরিচিত এসডিএফ নামে) ব্যাংকগুলো তাদের উদ্বৃত্ত অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখে। কিংবা কেন্দ্রীয় ব্যাংক চাইলে বাজার থেকে অতিরিক্ত তারল্য তুলে নিতে পারে।
এই দুই পদ্ধতিতে সরকারি সিকিউরিটিজ কেনাবেচার মাধ্যমে বাজারে টাকার সরবরাহে ভারসাম্য ধরে রাখে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এখন শুধু ৭ ও ১৪ দিন মেয়াদি নিলাম হয়। ১৪ দিনের রেপো বন্ধ হয়ে গেলে শুধু ৭ দিনের নিলাম হবে। সপ্তাহে একদিন মঙ্গলবার রেপোর নিলাম হয়।
অনেক দিন থেকেই ২৮ ও ১৪ দিনের রেপো সুবিধা দেওয়া বন্ধ করার তাগিদ দিয়ে আসছিল আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
এ বিষয়ে পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী বলেন, ব্যাংকগুলোকে তারল্য ব্যবস্থাপনায় শক্তিশালী করতে চায় বাংলাদেশ ব্যাংক। তাই ১৪ দিনেরটা বন্ধ হলে ৭ দিনের রেপোতে টাকা ধার নেবে ব্যাংকগুলো। যদিও বার বার নেওয়া লাগবে।
তিনি মনে করেন, ১৪ দিনের রেপো সুবিধা বন্ধ করে দিলে তেমন একটা অসুবিধা হবে না। তাতে ব্যাংকগুলোকে তারল্য ব্যবস্থাপনায় আরও উন্নতি করতে হবে।
রেপো বন্ধের ব্যাখ্যায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, ১৪ ও ২৮ দিনের রেপোর বদলে ৭ দিনের রেপো পদ্ধতির দিকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ব্যাংকগুলোর তারল্য দরকার পড়লে কলমানি থেকে ধার করবে। তাতে কলমানি বাজারটা শক্তিশালী হবে। কিন্তু আমাদের দেশের ব্যাংকগুলো সেই চর্চা করছে না।
তিনি বলেন, আমাদের দেশের ব্যাংকগুলো উল্টো চর্চা করছে। আন্তঃব্যাংক থেকে ধার করার চেয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে ধার করছে বেশি। ব্যাংক যখন কলমানি কিংবা অন্য জায়গা থেকে টাকা ধার করতে পারবে না, অর্থাৎ একদম না পেরে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আসবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ কর্মকর্তা মনে করেন, ৭ দিনের রেপোই হবে স্ট্যান্ডার্ড ও একমাত্র ব্যবস্থা।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যালোচনা করে দেখেছে, ব্যাংকগুলো ১৪ ও ২৮ দিনের রেপোর মাধ্যমে টাকা ধার করে সেটা আবার ট্রেজারি বিল-বন্ডে বিনিয়োগ করছে। এসব বন্ধ করা উচিত। বাণিজ্যিক ব্যাংক এভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে ব্যবসা করতে পারে না। তাই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এম জি
- ১চাঁদপুরে ইলিশের আকাল, কারণ অনুসন্ধানে বিশেষজ্ঞ দল
- ২রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে
- ৩জিয়াউল আহসানের বাড়িতে দুদকের অভিযান শেষ, মালামাল জব্দ
- ৪কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মার ভয়াবহ ভাঙন, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ
- ৫জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে ২.২ শতাংশ, বড় পতন শিল্প ও সেবাখাতে
- ৬পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের লেনদেন বেড়েছে ৯০ শতাংশ
- ৭চলমান প্রকল্পগুলোকে পরিমার্জন করা হবে : পরিবেশমন্ত্রী
- ৮তাড়াশে ৬১ বছরের পুরানো ঈদগাহ দখলের অভিযোগ
- ৯পুরানা পল্টন কলেজের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
- ১০গ্রাহকদের জন্য নিজস্ব ওএমএস চালু করছে মর্ডান সিকিউরিটিজ
- ১রণক্ষেত্র দিল্লি: ভারতের ইতিহাসে ‘সবচেয়ে বড় আন্দোলনের’ ডাক সিজেপির
- ২কেশবপুরে দুই দিনব্যাপী মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
- ৩মতিগঞ্জে টর্নেডোয় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান
- ৪সারাদেশে ফ্যামিলি কার্ড সম্প্রসারণ পরিকল্পনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
- ৫মেসি নয়, সেরা খেলোয়ারের পুরস্কার জিতলেন রদ্রি
- ৬আইএফআইসি ব্যাংকের খেলাপি ঋণের প্রায় অর্ধেকই বেনামি
- ৭সাতক্ষীরায় বিলে মৎস্য ঘের থেকে গাড়িচালকের মরদেহ উদ্ধার
- ৮কমলগঞ্জে মনিপুরি গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
- ৯প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হলেন রাশেদ খাঁন
- ১০প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ, সহযোগিতা জোরদারের আশ্বাস





পাঠকের মতামত