জাহাঙ্গীর আলম আনসারী, সিনিয়র রিপোর্টার
প্রকাশিত: জুলাই ২৭, ২০২৬ ৭:৩১ এএম , আপডেট: জুলাই ২৬, ২০২৬ ৯:৩৪ পিএম
  • ঋণ নেওয়া কোম্পানিগুলোর ছিল না কোনো পরিচালক
  • কবরস্থান ও নদীতে বিলীন হওয়া জমি দেখিয়েও ঋণ নেয়ার অভিযোগ
  • উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে চাপা পড়তো তদন্ত প্রতিবেদন

>> কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যবস্থা নেয়নি এটা সঠিক নয়: আরিফ হোসেন খান, মুখপাত্র, কেন্দ্রীয় ব্যাংক
>> কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ছত্রছায়ায় ব্যাংক খাতে সব অনিয়ম হয়েছে: ড. মিজানুর রহমান, অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, মানারাত ইউনিভার্সিটি

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশের ব্যাংক খাতে লুটপাটের মহোৎসব চলছিল। রাজনৈতিক আর ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে ভুয়া প্রতিষ্ঠান খুলে ঋণের নামে লুট করেছে হাজার হাজার কোটি টাকা। আর লুট হওয়া ব্যাংকগুলোর মধ্যে একটি ছিল আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি। ব্যাংকটির মালিকানায় ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। তিনি এক সময় ব্যাংকটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বেও ছিলেন। পরবর্তীতে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব ছাড়লেও ব্যাংকটি তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে ছিল। ওই সময়ে ভুয়া প্রতিষ্ঠান খুলে ব্যাংকটি থেকে ১৪ হাজার কোটি টাকার বেশি নিয়েছে ২৮টি প্রতিষ্ঠান। এমন কোম্পানি খুলেও ঋণ নিয়েছে যেগুলোর কোনো পরিচালক ছিল না। কাগুজে শুধু কোম্পানির নাম উল্লেখ ছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের পরিদর্শনে এসব তথ্য উঠে এসেছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আইএফআইসি ব্যাংকের এসব ঋণ জালিয়াতির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। সব জেনেও চুপ ছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তা বাণিজ্য প্রতিদিনকে বলেন, আইএফআইসি ব্যাংকের অনিয়ম-জালিয়াতি নিয়ে সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার কেন চুপ ছিলেন এটা সবার কাছেই পরিষ্কার। ব্যাংকের মালিক ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। সালমান এফ রহমান আর নজরুল ইসলাম মজুমদাররাই তো আব্দুর রউফ তালুকদারকে গভর্নরের চেয়ারে বসিয়েছিলেন। তারা ঋণের নামে ব্যাংক লুট করেছে আর গভর্নর চেয়ে চেয়ে দেখেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বাণিজ্য প্রতিদিনকে বলেন, আইএফআইসি ব্যাংকের অনিয়ম জেনেও কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যবস্থা নেয়নি এটা সঠিক না। কেন্দ্রীয় ব্যাংক যখনই যার বিরুদ্ধে অনিয়ম পাচ্ছে তখনই ব্যবস্থা নিচ্ছে। আর কিছু অনিয়ম আছে যেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেও একটা প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে হয়। তাতে একটু সময় বেশি লাগে। অনিয়মের সাথে যাদের জড়িত থাকার প্রমাণ মিলবে সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে কথা বললে মানারাত ইউনিভার্সির অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বাণিজ্য প্রতিদিনকে বলেন, ব্যাংক খাতে যত অনিয়ম-লুটপাট হয়েছে সবই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ছত্রছায়ায় হয়েছে। শুধু আইএফআইসি ব্যাংক নয়, সব ব্যাংকের লুটপাটের খবরই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ছিল। কিন্তু তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

তিনি বলেন, অনিয়মে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যারা জড়িত ছিল কারো বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। বরং উল্টো খুরশিদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান করেছিল। সরকারের উচিত হবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যারা অনিয়মে জড়িত ছিল তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, কোনো প্রকার নিয়ম-কানুন না মেনে ৩টি কাগুজে হাউজিং ও রিয়েল এস্টেট কোম্পানিকে আইএফআইসি ব্যাংকের গুলশান ও প্রধান শাখা থেকে ৬টি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ৫ বছর মেয়াদী হিসাব (টার্ম লোন) সৃষ্টি করে ৯৪৮ কোটি ২ লাখ টাকা ঋণ প্রদান করে। ২০১৭ সালের জুন থেকে ২০১৯ সালের মার্চের মধ্যে এসব ঋণ ছাড় করা হয়। ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত ঋণগ্রহীতারা একটি কিস্তিও পরিশোধ না করায় সুদে-আসলে এই ঋণের মোট স্থিতি দাঁড়িয়েছিল ১ হাজার ৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকা।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর আইএফআইসি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৭১১তম সভায় গুলশান শাখা থেকে ‘সৃষ্টি রিয়েল এস্টেট লিমিটেড’-এর অনুকুলে চার বছর মেয়াদী ১৯৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকার দুটি ‘অস্বাভাবিক’ ঋণ অনুমোদন করে। ঋণ প্রস্তাবের নির্দিষ্ট স্থানে কোম্পানির পরিচালকদের নাম উল্লেখ না করেই পর্ষদ ঋণগুলো অনুমোদন করে এবং ঋণ ছাড়ের ছয় মাসের মধ্যে বন্ধকী বা মর্টগেজ জমা দেওয়ার সুযোগ দেয়।

অনুরূপভাবে, কোম্পানির পরিচালকদের নাম উল্লেখ না করেই ‘রাজ হাউজিং লিমিটেড’-এর জন্য ব্যাংকটির পর্ষদ ৮৪ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন করে। অনুমোদনের নোটে মর্টগেজ বা জামানত সম্পর্কে কিছুই উল্লেখ ছিল না। একই বছরে রাজ হাউজিং গুলশান শাখা থেকে দুটি পৃথক ঋণ অ্যাকাউন্টে আরও ২০০ কোটি টাকা এবং ৬০ কোটি টাকার ঋণ গ্রহণ করে।

তথ্য বলছে, ‘দ্য কুইক রিয়েল এস্টেট লিমিটেড’ একইভাবে আইএফআইসি ব্যাংকের প্রধান শাখা থেকে ৩৪৯ কোটি ৭২ লাখ টাকার ঋণ গ্রহণ করে।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, পরিচালনা পর্ষদ ৬টি ঋণের ক্ষেত্রে প্রতিটিতেই ৪ বছর মেয়াদি ঋণ অনুমোদন করেছিল। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শনে দেখা যায়, শাখাগুলো ৫ বছর মেয়াদে ঋণগুলো বিতরণ করেছে।

২৫০টি সুসজ্জিত ডুপ্লেক্স ভবন নির্মাণের জন্য ঋণের আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন দল দেখতে পায়, ব্যাংক থেকে নেওয়া অর্থের পরিমাণ যে কাজের পরিকল্পনা করা হয়েছিল তার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এমনকি অনুমোদন নোটে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় বা সংশ্লিষ্ট শাখার তদারকির জন্য কোনো নির্দেশনাও ছিল না।

পরিদর্শন প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রাজ হাউজিংয়ের বিরুদ্ধে কবরস্থানের জমি এবং নদীভাঙনে বিলীন হয়ে যাওয়া জমি জামানত হিসেবে জমা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শন টিম আইএফআইসি ব্যাংকের এসব অনিয়ম-জালিয়াতির বিষয়গুলো উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানালেও তারা এবিষয়ে চুপি ছিলেন।

এদিকে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা ছাড়ার পর সালমান এফ রহমানের কবল থেকে মুক্ত হয় আইএফআইসি ব্যাংক। এরপর ব্যাংকটির অভ্যন্তরীণ তদন্তে বেরিয়ে আসে ভয়াবহ লুটপাটের চিত্র। ২০২৪ সালের ৬ নভেম্বর আইএফআইসি ব্যাংকের করপোরেট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট বিভাগ থেকে ই-মেইলে দুটি গোপন নথি বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠানো হয়। সেখানে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঋণের অবস্থান তুলে ধরা হয়। নথি অনুযায়ী ব্যাংক থেকে সবচেয়ে বেশি ঋণ নিয়েছে নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান শ্রীপুর টাউনশিপ। প্রতিষ্ঠানটির ঋণের স্থিতি ১ হাজার ২৫ কোটি ৯২ লাখ টাকা। প্রতিষ্ঠানটির নামে শেয়ারবাজারেও বড় কেলেঙ্কারি রয়েছে।

বেনামি ঋণের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আসাদ ট্রেডিং অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং। এ প্রতিষ্ঠানের ঋণ ৭৩৩ কোটি ৩২ লাখ টাকা। এরপর যথাক্রমে রয়েছে গ্লোয়িং কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ৭২৩ কোটি ৭৯ লাখ, কুইক রিয়েল এস্টেট ৬৮৫ কোটি ৪২ লাখ, সানস্টার বিজনেস ৬৭৪ কোটি ৫৫ লাখ, ফারইস্ট বিজনেস ৬৭৪ কোটি ৪৯ লাখ, কসমস কমোডিটিজ ৬৭২ কোটি ২০ লাখ, ব্লুমুন ট্রেডিং ৬৬৬ কোটি ৩৯ লাখ, আলফা এন্টারপ্রাইজ ৬৫৫ কোটি ১৪ লাখ, অ্যাক্সিস বিজনেস ৬৪৪ কোটি ২৪ লাখ, এভারেস্ট এন্টারপ্রাইজ ৬০৫ কোটি ২৮ লাখ, স্কাইমার্ক ইন্টারন্যাশনাল ৬০৪ কোটি ৭০ লাখ, ভিস্তা ইন্টারন্যাশনাল ৫২১ কোটি ৩ লাখ এবং অ্যাবসোলিউট কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ৫০৬ কোটি ৪১ লাখ টাকা ঋণ রয়েছে।

এছাড়াও যেসব প্রতিষ্ঠানের নামে খেলাপি ঋণ রয়েছে, সেগুলো হলো-সার্ভ কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ৪৯৬ কোটি ৩ লাখ, অলট্রন ট্রেডিং ৪৯৫ কোটি ৬৯ লাখ, নর্থস্টোন কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ৪৭৬ কোটি ৬৩ লাখ, টিমবিল্ড কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ৪৫৪ কোটি ৬২ লাখ, সেন্ট্রাল ল্যান্ড অ্যান্ড বিল্ডিংস ৪৪২ কোটি ৫১ লাখ, সৃষ্টি রিয়েল এস্টেট ৪১৮ কোটি ২৭ লাখ, ক্রিস্টাল কনস্ট্রাকশন ৪১৫ কোটি ৮৩ লাখ, গ্লোবাল এলপিজি ৩৭১ কোটি ২৯ লাখ, এলহাম ফ্যাশন ৩৫৮ কোটি ৯৩ লাখ, রাজ হাউজিং ৩৫৮ কোটি ৩২ লাখ, ব্রাইটস্টার বিজনেস ৩০৫ কোটি ২৩ লাখ, সেন্ট্রাল হাইটস ঢাকা ১৬১ কোটি ৬১ লাখ, নিউ ঢাকা ইন্ডাস্ট্রিজ ৩০ কোটি এবং এলহাম ইন্টারন্যাশনালের ৯ কোটি টাকা।

নথি পর্যালোচনায় আরও দেখা যায়, অধিকাংশ ঋণের ক্ষেত্রেই পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদনে একাধিকবার নবায়ন করা, মেয়াদ বৃদ্ধি, পুনঃতফসিল ও পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুন ও জুলাই মাসে গ্লোয়িং কন্ট্রাকশন এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ভিস্তা ইন্টারন্যাশনাল ও স্কাইমার্ক ইন্টারন্যাশনালসহ আরও দুইটি প্রতিষ্ঠানের ঋণ সীমা নিয়ম বহির্ভুতভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। মাত্র দেড় বছরের কোম্পানি, ঋণ পরিশোধের ছিল না সক্ষমতা, ব্যবসার ধরণ আমদানি-রপ্তানি দেখালেও আমদানি-রপ্তানির ছিল না কোনো তথ্য, প্রাক্কলিত নগদ প্রবাহ কম থাকলেও প্রাক্কলিত নিট মুনাফা দেখানো হয়েছে অনেক বেশি, আইসিআরআর একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ে এবং ব্যবসায়িক প্রোফাইলেও রয়েছে বড় অসামঞ্জস্যতা, তারপরও এমন তিনটি কাগুজে প্রতিষ্ঠানকে ৬৭৫ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছিল আইএফআইসি ব্যাংক। শুধু এখানেই শেষ নয়, বর্তমান এমডির সময়ে ২০২৪ সালের ২৪ জুন আবার এই তিন ভুয়া প্রতিষ্ঠানের ঋণ সীমা ৯৬০ কোটি টাকা বৃদ্ধি করেছে ব্যাংকটি।

এদিকে ব্যাংক খাত সংস্কারের অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বেশ কয়েকটি ব্যাংকের এমডিকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিলেও আইএফআইসি ব্যাংকে সালমান এফ রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী নিয়োগ দেয়া ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ মনসুর মোস্তফাকে বহাল তবিয়তেই রাখে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বেনামী ঋণে যারা সহায়তা করেছে তাদের মধ্যে বর্তমান এমডি সৈয়দ মনসুর মোস্তফাও একজন।

এছাড়া এমডি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার আগে তিনি একই ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ও হেড অব ইন্টারন্যাশনাল ডিভিশন, চিফ ক্রেডিট অফিসার (প্রধান ঋণ কর্মকর্তা), চিফ রিস্ক অফিসার ও চিফ অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। নথিতে উল্লেখ আছে, তিনি ২০১৫ সালে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে আইএফআইসি ব্যাংকে যোগদান করেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, বিগত দিনে ব্যাংকটিতে যখন ঋণের নামে লুটপাট হয় তখন বর্তমান এমডি ব্যাংকটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। এমনকি তিনি এমডি হওয়ার পরও ভুয়া লোনের সীমা বৃদ্ধি হয়েছে। এসবে তার দায় আছে। তারপরও ৫ আগস্টের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাকে এমডির পদ থেকে সরায়নি সেটা সবার কাছেই ক্লিয়ার।

এ বিষয়ে জানতে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ মনসুর মোস্তফার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এরপর তার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে বিষয়টি উল্লেখ করে ম্যাসেজ দিলেও তিনি কোনো রিপ্লাই (উত্তর) দেননি।

এএ

শেয়ার

পাঠকের মতামত

ব্যাংকারদের শৃঙ্খলাভঙ্গের মামলা দুই মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ

ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজের অভিযোগ ও শৃঙ্খলামূলক মামলা দুই মাসের মধ্যে ...

খেলাপি হলে মিলবে না ইডিএফ ঋণের নতুন সুবিধা

রপ্তানিমুখী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল আমদানিতে বৈদেশিক মুদ্রার অর্থায়ন আরও সুশৃঙ্খল করতে এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফান্ড (ইডিএফ) ...

ফ্রিল্যান্সার ও সেবা রপ্তানিকারকদের বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন সহজে নতুন নির্দেশনা

দেশের ফ্রিল্যান্সার ও ব্যক্তি পর্যায়ের সেবা রপ্তানিকারকদের বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন আরও সহজ করতে নতুন নির্দেশনা ...