
ইবি প্রতিনিধি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহর খুনীদের গ্রেফতার ও আওয়ামী দোসরদের বিচারের দাবিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ইবি শাখার বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৮ আগস্ট) বেলা দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবনের থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসন ভবনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে সংগঠনটি।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে শাখা ছাত্রদলের আহবায়ক মো. সাহেদ আহম্মেদ ও সদস্য সচিব মাসুদ রুমী মিথুনের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, যুগ্ম আহবায়ক আনারুল ইসলাম, আহসান হাবিব, সদস্য রাফিজ আহমেদ, নুর উদ্দিন, সাক্ষর, কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মুক্তাদির রহমান, ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক উল্লাস হোসাইন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রনি,রোকন, তৌহিদ, রিফাত, তাপস প্রমুখ।
শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহমেদ বলেন, আমি কুষ্টিয়ার এসপি ও ইবি থানার ওসির সাথে তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে কথা বলেছি। তারা বলেছে যে কাজের দ্রুততার সাথে চলছে। আমি তাদের বলতে চাই, আপনাদের প্রতি আমাদের আস্থা আছে। ছাত্রদলের আস্থা আছে।আপনারা যতদ্রুত সম্ভব আরো একটু একটিভ ভাবে কাজ করে সাজিদের হত্যাকারীদের গ্রেফতার করুন। ক্যাম্পাসে ১৮ হাজার শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী আছে আমরা সবাই অনিরাপদবোধ করছি। আমি সর্বোপরি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট দাবি জানাচ্ছি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস যাতে নিরাপদ ক্যম্পাস হয়। এর জন্য কি করনীয় সেটা আপনাদের ঠিক করতে হবে। সিকিউরিটি গার্ড,পুলিশের টহল বাড়াতে হবে, এবং সকল জায়গায় সিসি ক্যামেরা ও লাইট বৃদ্ধি করতে হবে। সর্বপরি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যতোদ্রুত সম্ভব কার্যকারী পদক্ষেপে নিতে হবে। ৫ আগস্টের আগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সকল শিক্ষকরা আমাদের এগিনেস্টে ছিলো এবং আমাদেরকে জঙ্গি আখ্যা দিয়ে পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করিয়েছিলো আমরা চাই তাদের বিচার হোক।
সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সদস্য রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, যারা আওয়ামী শাসন আমলে দীর্ঘ ১৭ বছর এই ক্যাম্পাসে রাজত্ব করেছিল, এখনো তাদের সনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনা হয়নি। আপনারা ১৯ জন শিক্ষকে শোকজ করে নোটিস দিয়েছেন কিন্তু এই ক্যাম্পাসে তাদের মত আরো অনেকে আছে। ছাত্রলীগ যখন হামলা-মামলা করেছে তারা ছাত্রলীগের পৃষ্ঠপোষকতা করেছে। আমরা ছাত্রদলের নেতারা পরীক্ষা দিতে আসলে সেই শিক্ষকরা সহযোগিতা না করে ছাত্রলীগ ডেকে আমাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হতো। কিন্তু তারা এখনো এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রয়ে গেছে।
এসময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কে উদ্দেশ্য করে বলেন, অনতিবিলম্বে তাদেরকে চাকরি থেকে বহিষ্কার করে বিচারের আয়ত্তায় নিয়ে আসবেন।
এম জি
- ১চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার
- ২দর পতনের শীর্ষে বেক্সিমকো
- ৩সার্ককে কার্যকর করতে বাংলাদেশ-নেপাল একমত
- ৪রাকসু ভবনে পুলিশ রেইড দিলে অস্ত্রের কারখানা পাওয়া যাবে: ছাত্রদল নেতা হিমেল
- ৫লেনদেনের শীর্ষে আর্গন ডেনিমস
- ৬পাথরঘাটায় খালের পাড়ে জলবায়ু-সহনশীল ৭৫০০ বৃক্ষরোপণ
- ৭কুড়িগ্রামে ১৭৪টি রিং জাল ও ৫২ পিস কারেন্ট জাল জব্দ
- ৮সৌদি-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরাকে নিহত বেড়ে ২০
- ৯সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেন
- ১০ইসি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না: গোলাম পরওয়ার
- ১নড়িয়ায় স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩
- ২রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেলেন ড. সোবহান
- ৩ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক-অপরাধ দমনে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ
- ৪প্রথমবারের মতো শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী
- ৫জুলাইয়ে অপেক্ষা করতাম, কখন জবির মিছিল আসবে: নাহিদ ইসলাম
- ৬কনফিডেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচারের সঙ্গে ইউসিবি ইনভেস্টমেন্টের চুক্তি
- ৭বাংলাদেশে জাপানি কোম্পানিগুলোর আরও বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
- ৮উন্নয়ন কাজে অনিয়ম হলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ব্ল্যাকলিস্টেড করা হবে
- ৯দর বৃদ্ধির শীর্ষে আর্গন ডেনিমস
- ১০পুলিশ জনগণকে সঙ্গে নিয়েই বাঁচবে, কারও লাঠিয়াল বাহিনী হবে না





পাঠকের মতামত