
দেশের কৃষিখাতে ব্যবহারের জন্য রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় রাশিয়া ও কানাডা থেকে ৭৫ হাজার টন মিউরেট-অব-পটাশ (এমওপি) সার আমদানি করবে সরকার। এতে মোট ব্যয় হবে ৩৫১ কোটি ২৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা।
বুধবার (১ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি বৈঠকে এই সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় জেএসসি ‘ফরেন ইকোনমিক করপোরেশন (পরডিংটর্গ)’ রাশিয়া থেকে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১৬৩ কোটি ৯২ লাখ ২৫ হাজার টাকা।
জানা গেছে, বিএডিসি কর্তৃক রাশিয়া থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির মাধ্যমে এমওপি সার আমদানির প্রস্তাব অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়। ইতোপূর্বে সম্পাদিত চুক্তির কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ায় গত ২৪ মে পুনরায় চুক্তি নবায়ন করা হয়।
সার আমদানি চুক্তিতে উল্লিখিত মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি অনুসারে সারের মূল্য নির্ধারণ করে রাশিয়া থেকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রথম লটে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানির সিদ্ধান্ত হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১ কোটি ৩৩ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ১৬৩ কোটি ৯২ লাখ ২৫ হাজার টাকা। প্রতি টন এমওপি সারের মূল্য ধরা হয়েছে ৩৮০ মার্কিন ডলার।
বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের আর এক প্রস্তাবরে পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় কানাডা থেকে ৪০ হাজার টন এমওপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১৮৭ কোটি ৩৪ লাখ টাকা।
জানা গেছে, বিএডিসি কর্তৃক কানাডা থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির মাধ্যমে এমওপি সার আমদানির প্রস্তাব অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়। আগের চুক্তির কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ায় গত বছরের ২৯ এপ্রিল পুনরায় চুক্তি নবায়ন করা হয়।
এই চুক্তির আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৪ লাখ টন এমওপি সার ইতোমধ্যে আমদানি সম্পন্ন হয়েছে। বিদ্যমান চুক্তির আওতায় ঐচ্ছিক ৩টি লটের সার আমদানি অবশিষ্ট রয়েছে। সার আমদানি চুক্তিতে উল্লিখিত মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি অনুসারে সারের মূল্য নির্ধারণ করে কানাডা থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ঐচ্ছিক-প্রথম লটে ৪০ হাজার টন এমওপি সার আমদানি করা হবে। এতে ব্যয় হবে ১ কোটি ৫২ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ১৮৭ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। প্রতি টন এমওপি সারের মূল্য ধরা হয়েছে ৩৮০ মার্কিন ডলার।
বিএইচ
- ১ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী
- ২তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
- ৩‘তেলাপোকাদের’ চিহ্নিত করে গুন্ডা দমন আইনে মামলার ঘোষণা শুভেন্দুর
- ৪মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
- ৫পল্টনে আল ওয়াহদাহ ফাউন্ডেশনের ফ্রি কুরআন বিতরণ
- ৬খেলাধুলা যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পারে : আইজিপি
- ৭চকরিয়ায় বন্যার্ত ৫০ পরিবারকে ধরা’র ত্রাণ বিতরণ
- ৮সৌদিতে ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের হামলা, তেল পরিশোধনাগার থেকে বের হচ্ছে ধোঁয়া
- ৯ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেলেঙ্কারিতে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জড়িত
- ১০রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে হাফিজ উদ্দিন আহমদ, প্রজ্ঞাপন জারি
- ১চা শ্রমিককে মারধরের অভিযোগে দুই ঘণ্টার কর্মবিরতি ও মানববন্ধন
- ২বীরগঞ্জে সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার
- ৩চকরিয়ায় বন্যার্ত ৫০ পরিবারকে ধরা’র ত্রাণ বিতরণ
- ৪কুলাউড়ায় তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু
- ৫রংপুর বিভাগের নেতাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সভায় তারেক রহমান
- ৬হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
- ৭সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে দেশের নতুন চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী
- ৮হাইটেক পার্ক আধুনিকায়ন, বায়োটেক পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
- ৯অবশেষে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ
- ১০চট্টগ্রাম অঞ্চলে বন্যায় ভেসে গেল ফসল, কৃষকের মাথায় হাত





পাঠকের মতামত