
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর দিকে পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যসহ নিহত হন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তার জানাজায় যোগ দিতে শতাধিক দেশের প্রতিনিধিসহ প্রায় দুই কোটি মানুষের তেহরানে সমবেত হওয়ার কথা রয়েছে।
খামেনির জন্য শোক ও শ্রদ্ধা নিবেদনে হাজারো মানুষ তেহরানের মোসাল্লা এলাকায় জড়ো হয়েছেন।
খামেনির জানাজা ও দাফনে ছয় দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা শনিবার থেকে শুরু হয়েছে বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে।
তেহরানে অবস্থানরত এএফপির একজন সংবাদদাতা জানিয়েছেন, খামেনির মরদেহবাহী কফিন মোসাল্লায় পৌঁছানোর আগেই অগণিত মানুষ জড়ো হন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অনেককে লাল পতাকা ও প্ল্যাকার্ড বহন করতে দেখা গেছে। এই রংটি প্রতিশোধের আহ্বানের সঙ্গে সম্পর্কিত হিসেবে বিবেচিত হয়।
সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিরা ‘আমেরিকার ধ্বংস হোক’ এবং ‘প্রতিশোধ, প্রতিশোধ’ স্লোগান দিচ্ছিলেন বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। বিশাল ওই ধর্মীয় কমপ্লেক্সে খামেনির কফিন নিয়ে আসার পর ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, সরকারি কর্মকর্তা, বিদেশি গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং অন্যান্য শোকাহত মানুষ ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
শ্রদ্ধা নিবেদনকারীদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা মধ্যস্থতায় ভূমিকা রাখা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ ও আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকিও উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া ইরাক, আর্মেনিয়া, তুরস্ক ও উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিরাও শোকযাত্রায় অংশ নিতে সেখানে পৌঁছেছেন। এসব দেশের মধ্যে সৌদি আরব, কাতার ও ওমানও রয়েছে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ওয়াশিংটন তেহরানকে ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনিকে দাফন করার জন্য এক সপ্তাহ সময় দিয়েছে। তিনি বলেন, কারণ আমরা ভালো।
প্রায় ৩৭ বছর ক্ষমতায় থাকা ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর প্রথম দিকেই নিহত হন। চার মাসের বেশি সময় পর তাকে দাফনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। খামেনির সঙ্গে তার পরিবারের চারজন সদস্যও নিহত হন।
এই আয়োজনকে ইরানের ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং বিপ্লবী আদর্শের প্রতি জনসমর্থন প্রদর্শনের একটি উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। খামেনির মরদেহ ইরান ও ইরাকের প্রধান শিয়া ধর্মীয় কেন্দ্র কুম, নাজাফ এবং কারবালায় নেওয়ার কথা রয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার তাকে দেশটির সবচেয়ে পবিত্র তীর্থস্থান ও তার নিজ শহর মাশহাদে দাফন করা হবে।
বিএইচ
- ১ডিজিটাল কনটেন্টে স্বাস্থ্যবার্তা ছড়ানোর আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর
- ২স্বার্থের ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়া হবে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ৩ন্যাশনাল হাউজিংয়ের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ৪সিকদার ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ৫বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ৬নর্দান ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ৭ইসলামী ব্যাংকের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ৮পাবিপ্রবিতে ইনকিলাব মঞ্চের কর্মসূচিতে প্রশাসনের বাধা, প্রতিবাদে বিক্ষোভ
- ৯সাউথ বাংলা ব্যাংকের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ১০এনআরবিসি ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত
- ১চাঁদপুরে নদীতে পড়ে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীর মৃত্যু
- ২২৭ দিনে রেমিট্যান্স এলো আড়াই বিলিয়ন ডলার
- ৩হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ অনেকে আহত
- ৪সংসদের গণপূর্ত প্রকৌশলীর কার্যালয়ে আগুন, তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ
- ৫চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার
- ৬চাঁদপুরে পাট উৎপাদনে শীর্ষে সদর
- ৭মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী
- ৮শ্রীমঙ্গলে নাহিদ-হাসনাতদের গাড়িবহর আটকে দিলো পুলিশ
- ৯হাসপাতালে দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে
- ১০মৌলভীবাজারে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পিটিয়ে আহত ৩





পাঠকের মতামত