বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
প্রকাশিত: আগস্ট ১, ২০২৬ ৪:২৫ পিএম , আপডেট: আগস্ট ১, ২০২৬ ৪:২৭ পিএম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) স্নাতক ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদেরকে বরণ করে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শনিবার (১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে দুই পর্বে দুই সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর জন্য এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মতিনুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালী বক্তব্য দিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন, ইবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী এবং মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ উন্নয়ন ও বাণিজ্য সম্পর্ক অ্যাসোসিয়শনের নির্বাহী পরিচালক মাহবুব আলম শাহ।

এছাড়াও বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগের শিক্ষক শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ধর্মীয় গ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে জাতীয় সংগীত পরিবেশনা, জুলাই শহীদদের স্মরণে নিরবতা পালন, নবীনদের ফুল দিয়ে বরণ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান বলেন, “ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মহান একটি ব্রত নিয়ে স্থাপিত হয়েছে। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যলয়ের চেয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি স্বতন্ত্র। আমি বিশ্বাস করি আমাদের যারা গ্রাজুয়েট তারা দেশে এবং দেশের বাইরে কৃতিত্বের সাথে, যোগ্যতা ও দক্ষতার সাথে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছে।”

তিনি আরও বলেন, “নীতি নৈতিকতা মূল্যবোধের দিক থেকে আমি বিশ্বাস করি অন্যান্য বিশ্ববিদ্যলয়ের তুলনায় আমাদের বিশ্ববিদ্যলয়ের শিক্ষার্থীরা এগিয়ে। আমি বিশ্বাস করি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের যে পরিকল্পনা সেখানে তিনি বহু ভাষিক অর্থাৎ থার্ড ল্যাঙ্গুয়েজ কে গুরুত্ব দিয়েছে এবং আমরা খুব দ্রুত জাপানিজ এবং চাইনিজ ভাষার কার্যক্রম খুব দ্রুত শুরু করব।”

ভার্চুয়ালী যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, “ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় একটি ঐতিহ্যবাহী বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি যখন প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, তখন কথা হয়েছিল এটি একটি আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় হবে। পরবর্তীকালে মাহাথির মোহাম্মদ ওআইসি থেকে সেই বিশ্ববিদ্যালয় মালয়েশিয়াতে স্থাপন করেছিল। সেই বিশ্ববিদ্যালয়টি বর্তমানে ওয়ার্ল্ড র‍্যাঙ্কিং এ ভালো পজিশনে রয়েছে। আমাদের দেশের অনেক শিক্ষার্থী বর্তমানে সেখানে পড়াশোনা করছে। সেখানে ইসলামী শিক্ষার পাশাপাশি সোশ্যাল সাইন্স, মেডিকেল সাইন্স ইত্যাদিসহ সকল সাবজেক্ট রয়েছে। আমাদের কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিকেল সাইন্স বা অন্যান্য সাবজেক্টগুলোর স্বল্পতা রয়েছে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “তোমরা যারা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছো তোমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আগামী দিনে বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব তোমাদের। তোমাদের বুঝতে হবে তোমরা যে সময়টা বিশ্ববিদ্যালয়ে কাটাচ্ছো এটা তোমাদের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। জীবনে এই সময়টাকে সদা সর্বদা কাজে লাগাবে। তোমার পরিবার, দেশ ও জাতি তোমাদের ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আছে। সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহার করবে, ভালোভাবে লেখাপড়া করবে। এবং দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে আগামী দিনে এগিয়ে যাবে।”

টিআর

শেয়ার

পাঠকের মতামত

বিশ্ববিদ্যালয়কে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : ইউজিসি চেয়ারম্যান

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে শুধু সনদ প্রদানকারী ...

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘পুলিশ-ডিবি’ পরিচয়ে প্রতারণা, অভিভাবকদের কাছে অর্থ দাবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের ফোন করে পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ...

একটি সাক্ষরের ভুলে ভেঙে গেল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ ভর্তি কার্যক্রমের শূন্য আসনে প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তির আওতায় ...

ডিবেটিং এডুকেশন সোসাইটির নতুন সভাপতি হেলাল উদ্দিন, সম্পাদক মহিউদ্দিন

দেশব্যাপী বিতর্কচর্চা, নেতৃত্বের বিকাশ এবং শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করা সংগঠন ডিবেটিং এডুকেশন সোসাইটি ইন ...