
জাতীয় সংসদ পরিচালনায় পূর্ণ নিরপেক্ষতা বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে নবনির্বাচিত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সংসদের অভিভাবক হিসেবে তার কাছে সরকারি দল ও বিরোধী দল আলাদা কিছু নয়।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর অধিবেশনে দেওয়া প্রথম ভাষণে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি নিজের নিরপেক্ষতা প্রমাণে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি এর স্থায়ী কমিটির সদস্য পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেন।
তিনি ঘোষণা করেন, সংসদের কার্যক্রমে ইনসাফ কায়েম করা এবং বিরোধী দল যাতে কার্যকর ও গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে পারে, সে বিষয়ে তিনি সর্বদা সচেষ্ট থাকবেন।
তিনি বলেন, ব্যক্তি বা দলীয় স্বার্থের চেয়ে জাতীয় স্বার্থই হবে এই সংসদের মূল চালিকাশক্তি। তিনি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের চেতনাকে ধারণ করে সংসদকে দেশের সকল রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেন। ব্যক্তিগত বা দলীয় স্বার্থের চেয়ে জাতীয় স্বার্থকে বড় করে দেখতে হবে এবং ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—এই মূলমন্ত্র নিয়ে সংসদ সদস্যদের কাজ করতে হবে বলে জানান তিনি।
নবনির্বাচিত স্পিকার তার বক্তব্যে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের চড়াই-উতরাইয়ের ইতিহাস তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালে একদলীয় শাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন স্বৈরশাসকের আগমন ঘটলেও বাংলাদেশের লড়াকু জনগণ বারবার গণতন্ত্রের পতাকাকে সমুন্নত রেখেছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে একটি স্বৈরাচারী সরকারকে বিদায় করা হয়েছে।’ তিনি আবু সাঈদ, মুগ্ধ ও ওয়াসিমসহ সকল শহীদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।
নিজের ১০টি জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে স্পিকার বলেন, গত ১২ মার্চের নির্বাচনটি আমার অভিজ্ঞতায় সবচাইতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে। এখন জনগণ অধীর আগ্রহে এই নতুন সংসদের কার্যক্রম দেখার অপেক্ষায় আছে। নির্বাচনী ওয়াদা পালন করা প্রতিটি সংসদ সদস্যের প্রাথমিক দায়িত্ব।
সংসদ পরিচালনায় বিরোধী দলের গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, বিরোধী দল যাতে এই সংসদে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে, সে বিষয়ে আমি সর্বদা সচেষ্ট থাকব। আমি ইতিমিধ্যেই নিরপেক্ষতার খাতিরে দলীয় পদ ত্যাগ করেছি। এখন থেকে আমার কাছে সরকারি দল বা বিরোধী দল বলে আলাদা কিছু থাকবে না; আমি সবার সহযোগিতা কামনা করি।
স্পিকার বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্য ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার। এই লক্ষ্যসমূহ বাস্তবায়নের দায়িত্ব বর্তমান সংসদের প্রতিটি সদস্যের ওপর ন্যস্ত। তিনি জাতীয় স্বার্থে সরকারি ও বিরোধী উভয় পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনতার স্বপ্ন পূরণে কাজ করার আহ্বান জানান।
বক্তব্য শেষে তিনি ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিয়ে সংসদ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বিএইচ
- ১মে মাসে ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় ধাক্কা
- ২চাঁদপুরে এক কালভার্ট বদলে দেবে ৮ গ্রামের মানুষের জীবন
- ৩আসছে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, ৮২ লাখ মাদকাসক্তকে রক্ষায় আইনি সংস্কার
- ৪ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্যে হাসি ফুটেছে চাষিদের মুখে
- ৫হুমকির মুখে ১২০০ বিঘা আমন আবাদ, ঝুঁকিতে মাছ চাষ
- ৬পায়ে শিকল বাঁধা সেই নারী ফিরলেন স্বজনদের কাছে
- ৭কুড়িগ্রামের কাঁচকোলে ভাঙন মোকাবিলায় দিনরাত পাউবোর কাজ
- ৮জুলাইয়ের ১৮ দিনে এলো ১৮০ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স
- ৯রেমিট্যান্স আহরণে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাইলফলক অর্জন
- ১০মোস্ট সাসটেইনেবল কোম্পানি অব দ্য ইয়ার পুরস্কার জিতেছে ইউনিলিভার বাংলাদেশ
- ১সিরাজগঞ্জে ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণের মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
- ২কক্সবাজারে পরিবার পরিকল্পনা কমিটির মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত
- ৩নির্মাণাধীন চাঁদপুর শহর সংরক্ষণ বাঁধের কাজ দৃশ্যমান
- ৪রবি আজিয়াটার বোর্ড সভা ২৮ জুলাই
- ৫প্রতিবন্ধীদের অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্র-সমাজের যৌথ দায়িত্ব: ডিএসসিসি প্রশাসক
- ৬ঠাকুরগাঁওয়ে ধর্ষণ মামলায় তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন
- ৭ইরানের হামলায় ২ মার্কিন সেনা নিহত, জবাবে ভয়াবহ হামলা যুক্তরাষ্ট্রের
- ৮যমুনা ব্যাংকের বোর্ড সভা ২২ জুলাই
- ৯১৫ বছরের ধ্বংসযজ্ঞ অল্প সময়ে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়, তবে কাজ শুরু হয়েছে
- ১০চিলমারীতে ফের তীররক্ষা বাঁধে ধস, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ





পাঠকের মতামত