বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: জুলাই ১২, ২০২৬ ৯:৫০ পিএম
  • এপ্রিলে (ইতিবাচক) ২২৬০ কোটি টাকা
  • মার্চে ছিল (নেতিবাচক) ২১৩৫ কোটি টাকা
  • জুলাই-এপ্রিল (নেতিবাচক) ৪২৯ কোটি টাকা

টানা দুই মাস ধসের পর আবার সুখবর মিলেছে জাতীয় সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে। গত অর্থবছরের দশম মাস এপ্রিলে মানুষ সঞ্চয়পত্র ভাঙার চেয়ে কিনেছে বেশি। গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম কয়েক মাস ইতিবাচক ধারায় ছিল জাতীয় সঞ্চয়পত্র বিক্রি। এরপর অর্থবছরের অষ্টম ও নবম মাস অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি ও মার্চে আবার নেতিবাচক ধারায় চলে এসেছিল সঞ্চয়পত্র বিক্রি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের নবম মাস মার্চে সঞ্চয়পত্র বিক্রি ২ হাজার ১৩৫ কোটি ৮ লাখ টাকা ঋণাত্মক ধারায় ছিল। অর্থাৎ মার্চে সঞ্চয়পত্র বিক্রির চেয়ে আগের আসল-সুদ আর গত অর্থবছরের দশম মাস এপ্রিলে সঞ্চয়পত্র বিক্রি ২ হাজার ২৬০ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ইতিবাচক ধারায় হয়েছে। অর্থাৎ এপ্রিলে আগের আসল-সুদ বাবদ পরিশোধ করার চেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ২৬০ কোটি ৫৭ লাখ টাকা।

আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়েও সঞ্চয়পত্র বিক্রি ছিল ইতিবাচক। ওই সময়ে আগের আসল-সুদ বাবদ বেশি পরিশোধের চেয়ে বিক্রি বেশি হয়েছিল ১ হাজার ২৫৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

আগের মাস ফেব্রুয়ারিতেও বিক্রির চেয়ে আগের আসল-সুদ বাবদ বেশি পরিশোধ করতে হয়েছিল ১ হাজার ১৬৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। এর আগের মাস অর্থাৎ চলতি অর্থবছরের সপ্তম মাস জানুয়ারিতে আগের আসল-সুদ বাবদ পরিশোধ করার চেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছিল ১ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা।

এদিকে একক মাস হিসেবে এপ্রিলে সঞ্চয়পত্র বিক্রির ধারা ইতিবাচক হলেও গত অর্থবছরের দশ মাসে সঞ্চয়পত্র বিক্রির ধারা নেতিবাচক রয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) সঞ্চয়পত্র বিক্রি নেতিবাচক পর্যায়ে রয়েছে। এই ১০ মাসে বিক্রির চেয়ে আগের আসল-সুদ বাবদ বেশি পরিশোধ করতে হয়েছে ৪২৯ কোটি ২৮ লাখ টাকা।

তথ্য মতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়েও সঞ্চয়পত্র বিক্রি ছিল নেতিবাচক। ওই সময়ে বিক্রির চেয়ে আগের আসল-সুদ বাবদ বেশি পরিশোধ করতে হয়েছিল ৭ হাজার ৪৩১ কোটি ২৬ লাখ টাকা।

প্রতিবেদন বলছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ১২ মাসে (জুলাই-জুন) সঞ্চয়পত্র নিট বিক্রিও নেতিবাচক ধারায় ছিল। ওই সময়ে সঞ্চয়পত্র বিক্রির চেয়ে আগের আসল-সুদ বাবদ বেশি পরিশোধ করতে হয়েছিল ৬ হাজার ৬৩ কোটি টাকা।

এছাড়া, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ১২ মাসে আগের আসল ও সুদ বাবদ ২১ হাজার ১২৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা বিক্রির চেয়ে আগের সুদ-আসল বাবদ বেশি পরিশোধ করতে হয়েছে।

এএ

শেয়ার

পাঠকের মতামত

ব্যাংকারদের শৃঙ্খলাভঙ্গের মামলা দুই মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ

ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজের অভিযোগ ও শৃঙ্খলামূলক মামলা দুই মাসের মধ্যে ...

খেলাপি হলে মিলবে না ইডিএফ ঋণের নতুন সুবিধা

রপ্তানিমুখী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল আমদানিতে বৈদেশিক মুদ্রার অর্থায়ন আরও সুশৃঙ্খল করতে এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফান্ড (ইডিএফ) ...

ফ্রিল্যান্সার ও সেবা রপ্তানিকারকদের বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন সহজে নতুন নির্দেশনা

দেশের ফ্রিল্যান্সার ও ব্যক্তি পর্যায়ের সেবা রপ্তানিকারকদের বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন আরও সহজ করতে নতুন নির্দেশনা ...